'মির্জা ফখরুল দেশদ্রোহিতার কাজ করেছেন'
jugantor
'মির্জা ফখরুল দেশদ্রোহিতার কাজ করেছেন'

  সিলেট ব্যুরো   

২৮ জানুয়ারি ২০২২, ১৫:৫১:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশদ্রোহিতার কাজ করেছেন বলে দাবি করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

শুক্রবার সকালে সিলেট সার্কিট হাউসে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ দাবি করেন।

তথ্যমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজে স্বাক্ষর করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন আইনপ্রণেতা ও বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি পাঠিয়েছেন, যাতে বাংলাদেশকে সাহায্য সহযোগিতা না দেওয়া হয়। এটি যেন পুনর্মূল্যায়ন করা হয়।

তিনি প্রশ্ন তোলে বলেন, একটি দলের মহাসচিব কীভাবে একটি দেশকে সাহায্য না দেওয়া বা সাহায্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত পুনর্মূল্যায়ন করার জন্য। তারা আবার দেশ পরিচালনার স্বপ্ন দেখেন। এরা আসলে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী, এরা দেশবিরোধী। যখন কোনো মানুষ দেশের বিরুদ্ধে চিঠি লিখে দেশকে সাহায্য না দিতে বলে তিনি অবশ্যই দেশবিরোধী ও দেশদ্রোহি।

তিনি বলেন, জামায়াত, বিএনপি ও তার মিত্ররা সারা দুনিয়ায় দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে— এমনকি রীতিমতো টাকা-পয়সা খরচ করে লবিস্ট নিয়োগ করেছেন, যাতে দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়, রপ্তানি বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হয়, দেশের সুনাম যেন নষ্ট হয় ।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। কিন্তু কিছু কিছু সময় এসব ম্লান হয়ে যায় নেতাকর্মীদের আচরণে।

তিনি বলেন, তরুণ নেতাকর্মীদের আচরণে মানুষ বিরক্ত হয়। তাই তাদের বলতে হবে— ক্ষমতায় থাকলে বিনয়ী হতে হয়, বিনয়ের কোনো বিকল্প নেই। তরুণ নেতাকর্মীদের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিতে হবে। আর যারা আগে অন্যদল করত তারা আওয়ামী লীগে এসেছে কেউ পিঠ বাঁচাতে আবার কেউ সম্পদ বাড়াতে। তাদের চিহ্নিত করতে হবে। কারণ তাদের কারণেই মানুষ আওয়ামী লীগের ওপর বিরক্ত হচ্ছে। ওরা দলকে ব্যবহার করে।

মন্ত্রী বলেন, দলের কোনো নেতা এলেই তারা তাদের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য হুড়াহুড়ি করে, পরে সেই ছবি তাদের স্বার্থ হাসিলে ব্যবহার করে, ঘরের মধ্যে টাঙিয়ে রাখে।

তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থীর জয়লাভ নিয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লেখালেখি হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আওয়ামী লীগ জয়লাভ করেছে, দ্বিতীয় স্থানে বিদ্রোহী প্রার্থী। এর মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে আওয়ামী লীগের বিকল্প আওয়ামী লীগ।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাসুক উদ্দিন আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেনসহ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা।

'মির্জা ফখরুল দেশদ্রোহিতার কাজ করেছেন'

 সিলেট ব্যুরো  
২৮ জানুয়ারি ২০২২, ০৩:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশদ্রোহিতার কাজ করেছেন বলে দাবি করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

শুক্রবার সকালে সিলেট সার্কিট হাউসে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ দাবি করেন। 

তথ্যমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজে স্বাক্ষর করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন আইনপ্রণেতা ও বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি পাঠিয়েছেন, যাতে বাংলাদেশকে সাহায্য সহযোগিতা না দেওয়া হয়। এটি যেন পুনর্মূল্যায়ন করা হয়। 

তিনি প্রশ্ন তোলে বলেন, একটি দলের মহাসচিব কীভাবে একটি দেশকে সাহায্য না দেওয়া বা সাহায্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত পুনর্মূল্যায়ন করার জন্য। তারা আবার দেশ পরিচালনার স্বপ্ন দেখেন। এরা আসলে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী, এরা দেশবিরোধী। যখন কোনো মানুষ দেশের বিরুদ্ধে চিঠি লিখে দেশকে সাহায্য না দিতে বলে তিনি অবশ্যই দেশবিরোধী ও দেশদ্রোহি।

তিনি বলেন, জামায়াত, বিএনপি ও তার মিত্ররা সারা দুনিয়ায় দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে— এমনকি রীতিমতো টাকা-পয়সা খরচ করে লবিস্ট নিয়োগ করেছেন, যাতে দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়, রপ্তানি বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হয়, দেশের সুনাম যেন নষ্ট হয় ।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। কিন্তু কিছু কিছু সময় এসব ম্লান হয়ে যায় নেতাকর্মীদের আচরণে।

তিনি বলেন, তরুণ নেতাকর্মীদের আচরণে মানুষ বিরক্ত হয়। তাই তাদের বলতে হবে— ক্ষমতায় থাকলে বিনয়ী হতে হয়, বিনয়ের কোনো বিকল্প নেই। তরুণ নেতাকর্মীদের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিতে হবে। আর যারা আগে অন্যদল করত তারা আওয়ামী লীগে এসেছে কেউ পিঠ বাঁচাতে আবার কেউ সম্পদ বাড়াতে। তাদের চিহ্নিত করতে হবে। কারণ তাদের কারণেই মানুষ আওয়ামী লীগের ওপর বিরক্ত হচ্ছে। ওরা দলকে ব্যবহার করে। 

মন্ত্রী বলেন, দলের কোনো নেতা এলেই তারা তাদের সঙ্গে ছবি তোলার জন্য হুড়াহুড়ি করে, পরে সেই ছবি তাদের স্বার্থ হাসিলে ব্যবহার করে, ঘরের মধ্যে টাঙিয়ে রাখে। 

তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থীর জয়লাভ নিয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লেখালেখি হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আওয়ামী লীগ জয়লাভ করেছে, দ্বিতীয় স্থানে বিদ্রোহী প্রার্থী। এর মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে আওয়ামী লীগের বিকল্প আওয়ামী লীগ। 

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাসুক উদ্দিন আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেনসহ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন