‘এই লুটপাটের টাকা কোথায় যায়, তার জবাব দিতে হবে’
jugantor
‘এই লুটপাটের টাকা কোথায় যায়, তার জবাব দিতে হবে’

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৬ আগস্ট ২০২২, ১৬:৪৬:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি করে দেশকে নীরব দুর্ভিক্ষের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি) নেতারা।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশে এই অভিযোগ করা হয়। জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের আয়োজন করে দলটি।

সভাপতির বক্তব্যে এবি পার্টির আহ্বায়ক এএফএম সোলায়মান বলেন, গতকাল শুক্রবারও আন্তর্জাতিক বাজারে ১ লিটার তেলের দাম ছিল ৬০ টাকা। কিন্তু সরকার রাতের আঁধারে দেশে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়েছে। এসব লুটপাটের জন্য। এই লুটপাটের টাকা কোথায় যায়, তার জবাব দিতে হবে।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে দেশ ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে যাবে বলেও মন্তব্য করেন এএফএম সোলায়মান।

তিনি বলেন, এর ফলে কলকারখানায় উৎপাদন কমে যাবে। সব জিনিসের দাম বেড়ে যাবে। মানুষ বেকার হয়ে যাবে। সরকার জ্বালানি তেলের দাম হঠাৎ করে বাড়িয়ে মহা অন্যায় করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এবি পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম বলেন, আর কোনো রাষ্ট্রে এভাবে মধ্যরাতে ঘোষণা দিয়ে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির ঘটনা ঘটেনি। সরকার এর মাধ্যমে তাদের কফিনে শেষ পেরেকটি ঢুকিয়েছে।

এবি পার্টির আহ্বায়ক এএফএম সোলায়মান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম, যুগ্ম সদস্য সচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, বিএম নাজমুল হক, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন রানাসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

বক্তারা বলেন, সরকারের ফান্ডে টাকা নেই, তারা এখন ঋণ নেওয়ার জন্য দেশের নাগরিকের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিচ্ছে। দেশকে নীরব দুর্ভিক্ষের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ এখন প্রতিবাদকারীদের গুলি করে হত্যা করছে। এই নৈরাজ্য চলতে পারে না।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিজয়নগরস্থ বিজয়-৭১ চত্বরে এসে শেষ হয়।

‘এই লুটপাটের টাকা কোথায় যায়, তার জবাব দিতে হবে’

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৬ আগস্ট ২০২২, ০৪:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি করে দেশকে নীরব দুর্ভিক্ষের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি) নেতারা।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশে এই অভিযোগ করা হয়। জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের আয়োজন করে দলটি।

সভাপতির বক্তব্যে এবি পার্টির আহ্বায়ক এএফএম সোলায়মান বলেন, গতকাল শুক্রবারও আন্তর্জাতিক বাজারে ১ লিটার তেলের দাম ছিল ৬০ টাকা। কিন্তু সরকার রাতের আঁধারে দেশে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়েছে। এসব লুটপাটের জন্য। এই লুটপাটের টাকা কোথায় যায়, তার জবাব দিতে হবে।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে দেশ ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে যাবে বলেও মন্তব্য করেন এএফএম সোলায়মান।  

তিনি বলেন, এর ফলে কলকারখানায় উৎপাদন কমে যাবে। সব জিনিসের দাম বেড়ে যাবে। মানুষ বেকার হয়ে যাবে। সরকার জ্বালানি তেলের দাম হঠাৎ করে বাড়িয়ে মহা অন্যায় করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এবি পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম বলেন, আর কোনো রাষ্ট্রে এভাবে মধ্যরাতে ঘোষণা দিয়ে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির ঘটনা ঘটেনি। সরকার এর মাধ্যমে তাদের কফিনে শেষ পেরেকটি ঢুকিয়েছে।

এবি পার্টির আহ্বায়ক এএফএম সোলায়মান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম, যুগ্ম সদস্য সচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, বিএম নাজমুল হক, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন রানাসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

বক্তারা বলেন, সরকারের ফান্ডে টাকা নেই, তারা এখন ঋণ নেওয়ার জন্য দেশের নাগরিকের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিচ্ছে। দেশকে নীরব দুর্ভিক্ষের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ এখন প্রতিবাদকারীদের গুলি করে হত্যা করছে। এই নৈরাজ্য চলতে পারে না।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিজয়নগরস্থ বিজয়-৭১ চত্বরে এসে শেষ হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন