এখন ঋণ শোধ করার পালা: আইনমন্ত্রী
jugantor
এখন ঋণ শোধ করার পালা: আইনমন্ত্রী

  আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি  

১৫ আগস্ট ২০২২, ১৮:৫৯:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার শেষ হতে পারে কিন্তু কলঙ্ক শেষ হয় নাই; এখন ঋণ শোধ করার পালা। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে রেলওয়ে জংশন স্টেশন চত্বরে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যাকে, বঙ্গবন্ধুর রক্তকে দাবিয়ে রাখা যায় না। বঙ্গবন্ধুকে যখন দাবায়ে রাখা যায় না, তখন বাংলার মানুষকেও দাবিয়ে রাখা যাবে না।

আনিসুল হক বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারকালীন চার খুনিকে ধরা গেছে। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসবে শুনে অন্যরা বিদেশে পালিয়ে গেছে। ২০০৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বঙ্গবন্ধুর খুনি মহিউদ্দিনকে ফেরত দেওয়ার পর সর্বোচ্চ আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে রায় কার্যকর করা হয়।

তিনি আরও বলেন, খুনি আজিজ বিদেশে মারা গেছেন। এসবিএম নূর চৌধুরী ও এম রাশেদ চৌধুরীকে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। তাদের দেশে আনতে আলোচনা হচ্ছে।

আনিসুল হক আক্ষেপ করে বলেন, ‘১৫ আগস্ট বিএনপি নেত্রী যদি মিথ্যা জন্মদিন পালন না করে এই খুনিদের ফিরিয়ে আনতে একটু সচেষ্ট হতেন, আমাদের জন্য কাজটা অনেক সহজ হতো। সেটা না করে বিএনপি সরকার, এরশাদ সরকার এই খুনিদের বিদেশে চাকরি দিয়েছে। আবার পৃষ্ঠপোষকতা করেছে। পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিয়ে আজকে আমাদের জন্য পথটা অনেক কঠিন করেছে।

দেশের পরিস্থিতি নিয়ে আনিসুল হক বলেন, দেশে এখন সময় খুব কঠিন চলছে। সারা বিশ্বে সব কিছুর অভাব। বাংলাদেশের মানুষের জীবনে সেই কঠিনত্বও আছে। বাংলাদেশের মানুষের কষ্ট শেখ হাসিনা বুঝেন। জননেত্রী শেখ হাসিনার সেবামূলক সরকারের সদস্যরা আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি জনগণের ওই কষ্ট লাঘব করার জন্য।

এ সময় তিনি আরও বলেন, শুধু চালের দাম বাড়েনি; তেলের দাম, ডিজেলের দাম বাড়েনি। বাড়িয়ে কিন্তু আমরা ভর্তুকি দিচ্ছি। অন্তত আওয়ামী লীগ সরকার চায় না, শেখ হাসিনার সরকার চায় না- আপনাদের কষ্ট দিতে। আমরা বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়িয়েছি। একটা লঞ্চের মাঝে যখন ঝড় ওঠে তার মাঝি বোঝে যে যাত্রীরা ভীত। তার যাত্রীরা জীবন-মরণের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। আমরা এই ঝড় পার করতে পারব ইনশাআল্লাহ। যেমনটা মোকাবিলা করেছি কোভিড পরিস্থিতি।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সোমবার সকালে আন্তঃনগর মহানগর প্রভাতি ট্রেনযোগে আখাউড়ায় আসেন। এ সময় স্টেশন চত্বর থেকে শোক র্যা লিতে যোগ দিয়ে উপজেলা পরিষদ মাঠে যান। সেখানে স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।

পরে রেলওয়ে স্টেশন চত্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা ও দোয়া মোনাজাতে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন।

এ সময় আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অংগ্যজাই মারমা, কসবা সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার কামরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র তাকজিল খলিফা কাজল, উপজেলা যুবলীগ, ছাত্রলীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এখন ঋণ শোধ করার পালা: আইনমন্ত্রী

 আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি 
১৫ আগস্ট ২০২২, ০৬:৫৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার শেষ হতে পারে কিন্তু কলঙ্ক শেষ হয় নাই; এখন ঋণ শোধ করার পালা। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে রেলওয়ে জংশন স্টেশন চত্বরে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যাকে, বঙ্গবন্ধুর রক্তকে দাবিয়ে রাখা যায় না। বঙ্গবন্ধুকে যখন দাবায়ে রাখা যায় না, তখন বাংলার মানুষকেও দাবিয়ে রাখা যাবে না।

আনিসুল হক বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারকালীন চার খুনিকে ধরা গেছে। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসবে শুনে অন্যরা বিদেশে পালিয়ে গেছে। ২০০৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বঙ্গবন্ধুর খুনি মহিউদ্দিনকে ফেরত দেওয়ার পর সর্বোচ্চ আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে রায় কার্যকর করা হয়।

তিনি আরও বলেন, খুনি আজিজ বিদেশে মারা গেছেন। এসবিএম নূর চৌধুরী ও এম রাশেদ চৌধুরীকে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। তাদের দেশে আনতে আলোচনা হচ্ছে।

আনিসুল হক আক্ষেপ করে বলেন, ‘১৫ আগস্ট বিএনপি নেত্রী যদি মিথ্যা জন্মদিন পালন না করে এই খুনিদের ফিরিয়ে আনতে একটু সচেষ্ট হতেন, আমাদের জন্য কাজটা অনেক সহজ হতো। সেটা না করে বিএনপি সরকার, এরশাদ সরকার এই খুনিদের বিদেশে চাকরি দিয়েছে। আবার পৃষ্ঠপোষকতা করেছে। পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিয়ে আজকে আমাদের জন্য পথটা অনেক কঠিন করেছে।

দেশের পরিস্থিতি নিয়ে আনিসুল হক বলেন, দেশে এখন সময় খুব কঠিন চলছে। সারা বিশ্বে সব কিছুর অভাব। বাংলাদেশের মানুষের জীবনে সেই কঠিনত্বও আছে। বাংলাদেশের মানুষের কষ্ট শেখ হাসিনা বুঝেন। জননেত্রী শেখ হাসিনার সেবামূলক সরকারের সদস্যরা আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি জনগণের ওই কষ্ট লাঘব করার জন্য।

এ সময় তিনি আরও বলেন, শুধু চালের দাম বাড়েনি; তেলের দাম, ডিজেলের দাম বাড়েনি। বাড়িয়ে কিন্তু আমরা ভর্তুকি দিচ্ছি। অন্তত আওয়ামী লীগ সরকার চায় না, শেখ হাসিনার সরকার চায় না- আপনাদের কষ্ট দিতে। আমরা বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়িয়েছি। একটা লঞ্চের মাঝে যখন ঝড় ওঠে তার মাঝি বোঝে যে যাত্রীরা ভীত। তার যাত্রীরা জীবন-মরণের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। আমরা এই ঝড় পার করতে পারব ইনশাআল্লাহ। যেমনটা মোকাবিলা করেছি কোভিড পরিস্থিতি।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সোমবার সকালে আন্তঃনগর মহানগর প্রভাতি ট্রেনযোগে আখাউড়ায় আসেন। এ সময় স্টেশন চত্বর থেকে শোক র্যা লিতে যোগ দিয়ে উপজেলা পরিষদ মাঠে যান। সেখানে স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।

পরে রেলওয়ে স্টেশন চত্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা ও দোয়া মোনাজাতে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন।

এ সময় আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অংগ্যজাই মারমা, কসবা সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার কামরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র তাকজিল খলিফা কাজল, উপজেলা যুবলীগ, ছাত্রলীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর