তাদের বিচারক থাকার যোগ্যতা নাই: আইনজীবী ফোরাম

প্রকাশ : ১০ জুন ২০১৮, ২০:৪০ | অনলাইন সংস্করণ

  যুগান্তর রিপোর্ট

ফাইল ছবি

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে জামিন না দিয়ে ঢাকা, কুমিল্লা ও নড়াইলের বিচারকরা কোর্ট অব কন্ডাক্ট (আচরণবিধি) ভঙ্গ করেছেন। তাদের বিচারক থাকার যোগ্যতা নাই।

রোববার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে ফোরামের এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

খালেদা জিয়ার কারামুক্তিতে অ্যাটর্নি জেনারেল প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছেন বলে মন্তব্য করেন খোকন বলেন, একটা লোক জেলে আছে তার জামিন চাওয়ার অধিকার আছে। খালেদা জিয়া সেই জামিনটাই চেয়েছেন।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে খোকন বলেন, আপনি এই সমস্ত বিচারকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। কুমিল্লার মামলায় বিচারকরা খালেদা জিয়াকে জামিন না দিয়ে প্রফেশনাল মিস কন্ডাক্ট করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, খালেদা জিয়া কারাগারে গত ৫ জুন মাইল্ড স্ট্রোক হওয়া সত্ত্বেও সরকারের পক্ষ থেকে কাউকে জানানো হয়নি। তাকে কোনো চিকিৎসা করা হয় নাই। এখনও পর্যন্ত হাসপাতালে নেয়া হয়নি। সমস্ত জাতি এই অসুস্থতার জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করছে।

'খালেদা জিয়া মাইল্ড স্ট্রোক করেননি' অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের এমন বক্তব্যের বিষয়টি সাংবাদিকরা নজরে আনলে খোকন বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল তো ডাক্তার না, তিনি উকিল। এ কথা জানাবে কারা কর্তৃপক্ষ, অ্যাটর্নি জেনারেল কেন?

খোকন বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের আইন কর্মকর্তা তিনি তো সরকারের হয়ে কাজ করছেন। তিনি বেশ কয়েক বছর হলো রাষ্ট্রের নয়, সরকারের হয়ে কাজ করছেন। সরকার খালেদা জিয়াকে নিয়ে কী যড়যন্ত্র করছে সেটি আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়।

খালেদা জিয়াকে কারাগারের বাহিরে দেশের স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করার অনুমতি জানান এই আইনজীবী নেতা। 
তিনি বলেন, আমরা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য ও আইনগত অধিকার পাওয়ার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।

খোকন বলেন, আসলে সরকার ভয় পাচ্ছে খালেদা জিয়া মুক্তি পেলে প্রধানমন্ত্রী হবেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সহসভাপতি এবিএম ওয়ালিউর রহমান, রফিকুল ইসলাম তালুকদার রাজা, ব্যারিস্টার একএম এহসানুর রহমান প্রমুখ।