মুন্সীগঞ্জে সংঘর্ষে আহত শাওন মারা গেছেন
jugantor
মুন্সীগঞ্জে সংঘর্ষে আহত শাওন মারা গেছেন

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২২ সেপ্টেম্বর ২০২২, ২১:৪৯:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

মুন্সীগঞ্জ শহরের উপকণ্ঠ মুক্তারপুরে বিক্ষোভ সমাবেশে পুলিশ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত মো. শাওন (২৫) মারা গেছেন।বিএনপি বলছে, শাওনযুবদল কর্মী ছিলেন।

বৃহস্পতিবার ৮টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গতকাল (বুধবার) বিকাল তিনটার দিকে মুক্তারপুর ফেরিঘাট এলাকায় নির্ধারিত বিক্ষোভ সমাবেশ ঘিরে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ বাধে।উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার একপর্যায়ে পুলিশ লাঠিচার্জ করে।

বিএনপির নেতাকর্মীরাও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে।পুলিশও টিয়ারশেল ও শটগানের গুলি ছুড়তে থাকে।এ সময় যুবদল কর্মী শাওনসহ বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশ শটগানের গুলি ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। এ সময় বিএনপি নেতাকর্মীরা পাল্টা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এ সংঘর্ষ প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলতে থাকে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এদিকে সংঘর্ষের একপর্যায়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে পুলিশকে ধাওয়া করলে পুলিশ ধলেশ্বরী নদীর পাড়ে গিয়ে ও নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মরক্ষার চেষ্টা করে। সংঘর্ষে পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুন্সীগঞ্জ সদর সার্কেল মিনহাজ উল ইসলাম, সদর থানার ওসি তারিকুজ্জামানসহ কমপক্ষে ২৫ জন পুলিশ আহত হয়েছেন। তাদেরকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

মুন্সীগঞ্জে সংঘর্ষে আহত শাওন মারা গেছেন

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২২ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:৪৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মুন্সীগঞ্জ শহরের উপকণ্ঠ মুক্তারপুরে বিক্ষোভ সমাবেশে পুলিশ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত মো. শাওন (২৫) মারা গেছেন।বিএনপি বলছে, শাওন যুবদল কর্মী ছিলেন।

বৃহস্পতিবার ৮টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গতকাল (বুধবার) বিকাল তিনটার দিকে মুক্তারপুর ফেরিঘাট এলাকায় নির্ধারিত বিক্ষোভ সমাবেশ ঘিরে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ বাধে।উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার একপর্যায়ে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। 

বিএনপির নেতাকর্মীরাও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে।পুলিশও টিয়ারশেল ও শটগানের গুলি ছুড়তে থাকে।এ সময় যুবদল কর্মী শাওনসহ বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশ শটগানের গুলি ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। এ সময় বিএনপি নেতাকর্মীরা পাল্টা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে।  এ সংঘর্ষ প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলতে থাকে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এদিকে সংঘর্ষের একপর্যায়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে পুলিশকে ধাওয়া করলে পুলিশ ধলেশ্বরী নদীর পাড়ে গিয়ে ও নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মরক্ষার চেষ্টা করে। সংঘর্ষে পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুন্সীগঞ্জ সদর সার্কেল মিনহাজ উল ইসলাম, সদর থানার ওসি তারিকুজ্জামানসহ কমপক্ষে ২৫ জন পুলিশ আহত হয়েছেন। তাদেরকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন