ইডেন ছাত্রলীগের রিভা-রাজিয়ার বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
jugantor
ইডেন ছাত্রলীগের রিভা-রাজিয়ার বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:৫৭:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌসীকে কক্ষ থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে মারধরের অভিযোগে কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও সাধারণ সম্পাদক মোসা. রাজিয়া সুলতানাসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে।

বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মোস্তফা রেজা নুরের আদালতে এ আবেদন করেন জান্নাতুল ফেরদৌসী। মামলায় অজ্ঞাতনাম আরও ২৫-৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশ পরে দেবেন বলে জানান।

যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তারা হলেন— ইডেন কলেজের নুজহাত ফারিয়া রোকসানা, আয়েশা ইসলাম মিম, নূরজাহান, ঋতু আক্তার, আনিকা তাবাসুম স্বর্ণা ও কামরুন নাহার জ্যোতি।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন নূর-ই আলম। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী আমির আলী, আনোয়ার হোসেন মনির, সরকার রাশেদুল ইসলাম, আবুল কালাম ও মাজেদুর রহমান।

গত কয়েক দিন আগে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সিটবাণিজ্য ও নানা অসঙ্গতি নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি জান্নাতুন ফেরদৌসী। এ ঘটনার পর শনিবার রাত সাড়ে ১০টায় হলের কক্ষে গিয়ে তাকে টেনেহিঁচড়ে বের করে আনেন কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নুজহাত ফারিয়া রোকসানা, আয়েশা ইসলাম মিম, কামরুন নাহার জ্যোতি, শিরিন আকতার, রিতু, স্বর্ণা, নূরজাহান, ফেরদৌসী, লিমা, পপি, বিজলীসহ আরও কয়েকজন।

নেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসীকে নির্যাতনের একটি অডিও ফাঁস হয়েছে। অডিওতে শোনা যায়— জান্নাতুল ফেরদৌসী তাদের বলেন, ‘তোমাদের সঙ্গে আমার কোনো কথা নেই। আমি প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারির সঙ্গে কথা বলব’। তখন কক্ষে উপস্থিত এক নেত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারি ওই যে বাইরে বসা’।

পরে জান্নাতুল ফেরদৌসীকে টেনেহিঁচড়ে পুকুর পাড়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এর পর তার মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

ইডেন ছাত্রলীগের রিভা-রাজিয়ার বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌসীকে কক্ষ থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে মারধরের অভিযোগে কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও সাধারণ সম্পাদক মোসা. রাজিয়া সুলতানাসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে।

বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মোস্তফা রেজা নুরের আদালতে এ আবেদন করেন জান্নাতুল ফেরদৌসী। মামলায় অজ্ঞাতনাম আরও ২৫-৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশ পরে দেবেন বলে জানান।

যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তারা হলেন— ইডেন কলেজের নুজহাত ফারিয়া রোকসানা, আয়েশা ইসলাম মিম, নূরজাহান, ঋতু আক্তার, আনিকা তাবাসুম স্বর্ণা ও কামরুন নাহার জ্যোতি।

আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন নূর-ই আলম। তাকে সহযোগিতা করেন আইনজীবী আমির আলী, আনোয়ার হোসেন মনির, সরকার রাশেদুল ইসলাম, আবুল কালাম ও মাজেদুর রহমান।

গত কয়েক দিন আগে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সিটবাণিজ্য ও নানা অসঙ্গতি নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি জান্নাতুন ফেরদৌসী। এ ঘটনার পর শনিবার রাত সাড়ে ১০টায় হলের কক্ষে গিয়ে তাকে টেনেহিঁচড়ে বের করে আনেন কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নুজহাত ফারিয়া রোকসানা, আয়েশা ইসলাম মিম, কামরুন নাহার জ্যোতি, শিরিন আকতার, রিতু, স্বর্ণা, নূরজাহান, ফেরদৌসী, লিমা, পপি, বিজলীসহ আরও কয়েকজন।

নেত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসীকে নির্যাতনের একটি অডিও ফাঁস হয়েছে। অডিওতে শোনা যায়— জান্নাতুল ফেরদৌসী তাদের বলেন, ‘তোমাদের সঙ্গে আমার কোনো কথা নেই। আমি প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারির সঙ্গে কথা বলব’। তখন কক্ষে উপস্থিত এক নেত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারি ওই যে বাইরে বসা’।

পরে জান্নাতুল ফেরদৌসীকে টেনেহিঁচড়ে পুকুর পাড়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এর পর তার মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন