জাতীয় পার্টির প্রেম দেশের সাধারণ মানুষের সঙ্গে: চুন্নু
jugantor
জাতীয় পার্টির প্রেম দেশের সাধারণ মানুষের সঙ্গে: চুন্নু

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ২২:২৫:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

জাতীয় পার্টি মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু এমপি বলেছেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সব সময় সংবিধান সমুন্নত রেখেছিলেন। গণমানুষের ওপর আস্থা আর গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর শান্তিপূর্ণ উপায়ে রাষ্ট্রক্ষমতা হস্তান্তর করেছেন। সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় মওদুদ আহমদের জায়গায় প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদকে উপ-রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়ে তার কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। কিন্তু বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদ জাতীয় পার্টির সঙ্গে অবিচার করেছিলেন। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে সব রাজনৈতিক অধিকার থেকে জাতীয় পার্টিকে বঞ্চিত করেন তিনি। কিন্তু দেশ ও মানুষের ভালোবাসায় সেই নির্বাচনেও জাতীয় পার্টি ৩৫টি আসনে নির্বাচিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে জেলে থেকেই পাঁচটি করে আসনে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ইতিহাস বলে- সেনাশাসক থেকে রাজনীতিতে এসে সবাই নির্বাসিত হয়েছেন অথবা ফাঁসির কাষ্ঠে জীবন দিয়েছেন। কিন্তু ব্যতিক্রম হচ্ছেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তিনি ক্ষমতা হস্তান্তরের পর থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। মানুষের ভালোবাসায় আমৃত্যু রাজনীতির প্রাণকেন্দ্রে ছিলেন। তাই তার জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা প্রতির্ষ্ঠিত করেছে। জেলে থেকে নির্বাচন করলেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতেন এরশাদ।

মঙ্গলবার জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানীস্থ কার্যালয় মিলনায়তনে জাতীয় পার্টি আয়োজিত সংবিধান সংরক্ষণ দিবসের আলোচনায় সভাপতির বক্তৃতায় মো. মুজিবুল হক চুন্নু এমপি এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ বা বিএনপির সাথে আর নয়। বড় কোনো দলের সঙ্গে জাতীয় পার্টি প্রেম করবে না। জাতীয় পার্টির প্রেম দেশের সাধারণ মানুষের সাথে। আওয়ামী লীগ আর বিএনপির নীতিগত অনেক অমিল আছে। অনেক ইস্যুর কারণে তারা এক টেবিলে বসতে পারে না। কিন্তু ক্ষমতায় গেলে তাদের মধ্যে চরিত্রগত কোনো অমিল নেই। ক্ষমতায় গিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দুর্নীতি, দুঃশাসন, চাঁদাবাজি এবং টেন্ডারবাজি আর দলীয়করণের মাধ্যমে দেশের শান্তি শেষ করেছে। দেশের মানুষ তাই আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। দুটি দলের ওপর দেশের মানুষ বিরক্ত হয়ে আছে।

জাতীয় পার্টি মহাসচিব বলেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রমাণ করেছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতিতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে হেরে বিএনপি বলেছে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। আবার ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ হেরে বলেছে, নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি।

তিনি বলেন, শুধু আনুপাতিক হারে নির্বাচন হলেই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব।

তিনি বলেন, আনুপাতিক হারে নির্বাচনে শুধু প্রতীক থাকবে কোনো প্রার্থী থাকবে না। তাই, এই নির্বাচনে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য হবার সুযোগ থাকে না। জাতীয় পার্টি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে দেশে আনুপাতিক হারে নির্বাচনপদ্ধতি প্রতিষ্ঠা করবে। বর্তমান পদ্ধতিতে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। ফেরেশতা নিয়োগ করলেও বর্তমান সিস্টেমের কারণে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না।

মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, জাতীয় পার্টিতে কোনো অনৈক্য নেই। জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপির নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি ঐক্যবদ্ধ।

তিনি বলেন, কিছু নেতা চলে গেলেও জাতীয় পার্টির ক্ষতি হবে না। জাতীয় পার্টি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন এবং লাখ লাখ সাপোর্টার গোলাম মোহাম্মদ কাদেরের ওপর আস্থা রাখে। দেশের সুশীলসমাজে জাতীয় পার্টি আস্থার অবস্থান সৃষ্টি করেছে।
তিনি বলেন, শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কৃত কেউ মামলা করলে জাতীয় পার্টির কোনো সমস্যা হবে না। জাতীয় পার্টি আদালতের ওপর আস্থাশীল। আমরা আশা করছি, উচ্চ আদালতে আমরা ন্যায়বিচার পাব। তিনি বলেন, বহিষ্কৃতদের মধ্যে যারা ক্ষমারযোগ্য অপরাধ করেছে তারা ক্ষমা চাইলে পার্টি চেয়ারম্যান বিবেচনা করবেন। কিন্তু যারা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করেছে, তাদের ক্ষমা করার প্রশ্নই আসে না।

পার্টির মহাসচিব বলেন, গেল ১০ বছরে ৬ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে, দুর্নীতি হয়েছে ৫ লাখ কোটি টাকার, শেয়ারবাজারে লুট হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা। অন্যসব মিলিয়ে ২৮ লাখ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। তিনি বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। তা ছাড়া, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন করতে হবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কারণে, গণমাধ্যম কর্মীরা প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে পারে না। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করা যায় না।

সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভরায়, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, শফিকুল ইসলাম সেন্টু, রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, সৈয়দ দিদার বখত, জহিরুল ইসলাম জহির, জহিরুল আলম রুবেল ভাইস চেয়ারম্যান মো. আরিফুর রহমান খান, জাহাঙ্গীর আলম পাঠান, যুগ্ম মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু, মো. বেলাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হেলাল উদ্দিন। উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য নাজমা আখতার এমপি, মোস্তফা আল মাহমুদ, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. নুরুল আজহার শামীম, অধ্যাপক আবুল হোসেন, মোহাম্মদ আলী, লাকি আখতার, নাজনীন সুলতানা, মাহবুবুর রহমান লিপটন, মমতাজ উদ্দিন, মনির আহমেদ প্রমুখ।

জাতীয় পার্টির প্রেম দেশের সাধারণ মানুষের সঙ্গে: চুন্নু

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:২৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

জাতীয় পার্টি মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু এমপি বলেছেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সব সময় সংবিধান সমুন্নত রেখেছিলেন। গণমানুষের ওপর আস্থা আর গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর শান্তিপূর্ণ উপায়ে রাষ্ট্রক্ষমতা হস্তান্তর করেছেন। সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় মওদুদ আহমদের জায়গায় প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদকে উপ-রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়ে তার কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। কিন্তু বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমেদ জাতীয় পার্টির সঙ্গে অবিচার করেছিলেন। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে সব রাজনৈতিক অধিকার থেকে জাতীয় পার্টিকে বঞ্চিত করেন তিনি। কিন্তু দেশ ও মানুষের ভালোবাসায় সেই নির্বাচনেও জাতীয় পার্টি ৩৫টি আসনে নির্বাচিত হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে জেলে থেকেই পাঁচটি করে আসনে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ইতিহাস বলে- সেনাশাসক থেকে রাজনীতিতে এসে সবাই নির্বাসিত হয়েছেন অথবা ফাঁসির কাষ্ঠে জীবন দিয়েছেন। কিন্তু ব্যতিক্রম হচ্ছেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তিনি ক্ষমতা হস্তান্তরের পর থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। মানুষের ভালোবাসায় আমৃত্যু রাজনীতির প্রাণকেন্দ্রে ছিলেন। তাই তার জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা প্রতির্ষ্ঠিত করেছে। জেলে থেকে নির্বাচন করলেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতেন এরশাদ। 

মঙ্গলবার জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানীস্থ কার্যালয় মিলনায়তনে জাতীয় পার্টি আয়োজিত সংবিধান সংরক্ষণ দিবসের আলোচনায় সভাপতির বক্তৃতায় মো. মুজিবুল হক চুন্নু এমপি এসব কথা বলেন। 

এসময় তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ বা বিএনপির সাথে আর নয়। বড় কোনো দলের সঙ্গে জাতীয় পার্টি প্রেম করবে না। জাতীয় পার্টির প্রেম দেশের সাধারণ মানুষের সাথে। আওয়ামী লীগ আর বিএনপির নীতিগত অনেক অমিল আছে। অনেক ইস্যুর কারণে তারা এক টেবিলে বসতে পারে না। কিন্তু ক্ষমতায় গেলে তাদের মধ্যে চরিত্রগত কোনো অমিল নেই। ক্ষমতায় গিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দুর্নীতি, দুঃশাসন, চাঁদাবাজি এবং টেন্ডারবাজি আর দলীয়করণের মাধ্যমে দেশের শান্তি শেষ করেছে। দেশের মানুষ তাই আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। দুটি দলের ওপর দেশের মানুষ বিরক্ত হয়ে আছে।  

জাতীয় পার্টি মহাসচিব বলেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রমাণ করেছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতিতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে হেরে বিএনপি বলেছে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। আবার ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ হেরে বলেছে, নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। 

তিনি বলেন, শুধু আনুপাতিক হারে নির্বাচন হলেই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব। 

তিনি বলেন, আনুপাতিক হারে নির্বাচনে শুধু প্রতীক থাকবে কোনো প্রার্থী থাকবে না। তাই, এই নির্বাচনে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য হবার সুযোগ থাকে না। জাতীয় পার্টি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে দেশে আনুপাতিক হারে নির্বাচনপদ্ধতি প্রতিষ্ঠা করবে। বর্তমান পদ্ধতিতে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। ফেরেশতা নিয়োগ করলেও বর্তমান সিস্টেমের কারণে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। 

মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, জাতীয় পার্টিতে কোনো অনৈক্য নেই। জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপির নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি ঐক্যবদ্ধ। 

তিনি বলেন, কিছু নেতা চলে গেলেও জাতীয় পার্টির ক্ষতি হবে না। জাতীয় পার্টি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন এবং লাখ লাখ সাপোর্টার গোলাম মোহাম্মদ কাদেরের ওপর আস্থা রাখে। দেশের সুশীলসমাজে জাতীয় পার্টি আস্থার অবস্থান সৃষ্টি করেছে। 
তিনি বলেন, শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কৃত কেউ মামলা করলে জাতীয় পার্টির কোনো সমস্যা হবে না। জাতীয় পার্টি আদালতের ওপর আস্থাশীল। আমরা আশা করছি, উচ্চ আদালতে আমরা ন্যায়বিচার পাব। তিনি বলেন, বহিষ্কৃতদের মধ্যে যারা ক্ষমারযোগ্য অপরাধ করেছে তারা ক্ষমা চাইলে পার্টি চেয়ারম্যান বিবেচনা করবেন। কিন্তু যারা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করেছে, তাদের ক্ষমা করার প্রশ্নই আসে না। 

পার্টির মহাসচিব বলেন, গেল ১০ বছরে ৬ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে, দুর্নীতি হয়েছে ৫ লাখ কোটি টাকার, শেয়ারবাজারে লুট হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা। অন্যসব মিলিয়ে ২৮ লাখ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। তিনি বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। তা ছাড়া, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন করতে হবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কারণে, গণমাধ্যম কর্মীরা প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে পারে না। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করা যায় না। 

সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভরায়, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, শফিকুল ইসলাম সেন্টু, রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, সৈয়দ দিদার বখত, জহিরুল ইসলাম জহির, জহিরুল আলম রুবেল ভাইস চেয়ারম্যান মো. আরিফুর রহমান খান, জাহাঙ্গীর আলম পাঠান, যুগ্ম মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু, মো. বেলাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হেলাল উদ্দিন। উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য নাজমা আখতার এমপি, মোস্তফা আল মাহমুদ, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. নুরুল আজহার শামীম, অধ্যাপক আবুল হোসেন, মোহাম্মদ আলী, লাকি আখতার, নাজনীন সুলতানা, মাহবুবুর রহমান লিপটন, মমতাজ উদ্দিন, মনির আহমেদ প্রমুখ। 
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন