নয়াপল্টনের ঘটনার জন্য বিএনপিই দায়ী: তথ্যমন্ত্রী
jugantor
নয়াপল্টনের ঘটনার জন্য বিএনপিই দায়ী: তথ্যমন্ত্রী

  সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক  

০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ২২:২১:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

নয়াপল্টনে বুধবারের ঘটনার জন্য বিএনপিই দায়ী বলেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

ড. হাছান বলেন, আমরা বহু আগে থেকেই বলছিলাম যে, বিএনপি সমাবেশ নয়, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়। বিএনপি সমাবেশের ডাক দিয়েছে ১০ ডিসেম্বর অথচ ৭ ডিসেম্বরেই নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে পুলিশের ওপর হামলা করেছে। মঙ্গলবার রাতে বিআরটিসি বাসসহ অন্য গাড়িতে বিভিন্ন স্থানে তারা আগুন দিয়েছে। বিএনপি কার্যালয়ের ভেতরে অবিস্ফোরিত ১৫টি ককটেল, ২ লাখ পানির বোতল, ১৬০ বস্তা চাল, রান্না করা খিচুড়ি, হাঁড়ি-পাতিল এবং দুই লাখ নগদ টাকাও পেয়েছে পুলিশ।

সম্প্র্রচারমন্ত্রী বলেন, দুপুর থেকেই বিএনপি নেতাকর্মীরা নয়াপল্টনে জমায়েত হতে থাকে এবং যখন সেখানে একটি রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়, তখন অন্তত একটি লেন চালুর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ তাদের বারবার অনুরোধ জানায়। কিন্তু সেই অনুরোধ তারা উপেক্ষা করে। এরপর মতিঝিল-রমনা এলাকার ডেপুটি কমিশনার হায়াৎ সেখানে গিয়ে আবারও অনুরোধ জানান। তখন তাকে পেছন থেকে লাঠি দিয়ে আঘাত হানা হয় এবং তার বডিগার্ডকে দায়ের কোপ দেয়া হয়। সেখান থেকেই শুরু এবং এরপর পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। ৮ পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি হওয়াসহ সর্বমোট ৩৫ পুলিশ আহত হয়। তখন পুলিশ বাধ্য হয়ে টিয়ারগ্যাস ছোড়ে।

তিনি বলেন, বিএনপি সবসময় বলে এসেছে যে তারা ১০ লাখ মানুষের সমাবেশ ঘটাবে। নয়াপল্টন অফিসের সামনে ১০-২০ হাজার মানুষ ধরে। তারা যাতে ১০ লাখ মানুষের সমাবেশ ঘটিয়ে বড় সমাবেশ যাতে করতে পারে, সেজন্য তাদেরকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তারা সেখানে যেতে অনীহা প্রকাশ করলে মিরপুরের পল্লবী মাঠ, কালশী মাঠ, যেখানে বিএনপি ইতঃপূর্বে সমাবেশ করেছে অথবা ইজতেমার মাঠ, বাণিজ্য মেলার মাঠ এগুলো তাদের ব্যবহার করার জন্য বলা হয়। কিন্তু তারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অসৎ উদ্দেশ্যে নয়াপল্টনেই সমাবেশ করবে বলে ঘোষণা দেয়।

১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস নিয়ে প্রশ্নের জবাবে সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান বলেন, বিএনপির মানবাধিকার লঙ্ঘনের চিত্রগুলো আমরা বিশ্ব সম্প্র্রদায়ের কাছে পাঠাবো। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে তারা যে চরমভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। ২০১৩-১৪-১৫ সালে অগ্নিসন্ত্রাস করেছে এবং এখন বাস-ট্রাকে আগুন দিয়ে আবার মানুষের অধিকার হরণ করছে, সেগুলো আমরা বিশ্ব সম্প্রদায়কে জানাব।

নয়াপল্টনের ঘটনার জন্য বিএনপিই দায়ী: তথ্যমন্ত্রী

 সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক 
০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:২১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নয়াপল্টনে বুধবারের ঘটনার জন্য বিএনপিই দায়ী বলেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। 

ড. হাছান বলেন, আমরা বহু আগে থেকেই বলছিলাম যে, বিএনপি সমাবেশ নয়, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়। বিএনপি সমাবেশের ডাক দিয়েছে ১০ ডিসেম্বর অথচ ৭ ডিসেম্বরেই নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে পুলিশের ওপর হামলা করেছে। মঙ্গলবার রাতে বিআরটিসি বাসসহ অন্য গাড়িতে বিভিন্ন স্থানে তারা আগুন দিয়েছে। বিএনপি কার্যালয়ের ভেতরে অবিস্ফোরিত ১৫টি ককটেল, ২ লাখ পানির বোতল, ১৬০ বস্তা চাল, রান্না করা খিচুড়ি, হাঁড়ি-পাতিল এবং দুই লাখ নগদ টাকাও পেয়েছে পুলিশ।

সম্প্র্রচারমন্ত্রী বলেন, দুপুর থেকেই বিএনপি নেতাকর্মীরা নয়াপল্টনে জমায়েত হতে থাকে এবং যখন সেখানে একটি রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়, তখন অন্তত একটি লেন চালুর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ তাদের বারবার অনুরোধ জানায়। কিন্তু সেই অনুরোধ তারা উপেক্ষা করে। এরপর মতিঝিল-রমনা এলাকার ডেপুটি কমিশনার হায়াৎ সেখানে গিয়ে আবারও অনুরোধ জানান। তখন তাকে পেছন থেকে লাঠি দিয়ে আঘাত হানা হয় এবং তার বডিগার্ডকে দায়ের কোপ দেয়া হয়। সেখান থেকেই শুরু এবং এরপর পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। ৮ পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি হওয়াসহ সর্বমোট ৩৫ পুলিশ আহত হয়। তখন পুলিশ বাধ্য হয়ে টিয়ারগ্যাস ছোড়ে। 

তিনি বলেন, বিএনপি সবসময় বলে এসেছে যে তারা ১০ লাখ মানুষের সমাবেশ ঘটাবে। নয়াপল্টন অফিসের সামনে ১০-২০ হাজার মানুষ ধরে। তারা যাতে ১০ লাখ মানুষের সমাবেশ ঘটিয়ে বড় সমাবেশ যাতে করতে পারে,  সেজন্য তাদেরকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তারা সেখানে যেতে অনীহা প্রকাশ করলে মিরপুরের পল্লবী মাঠ, কালশী মাঠ, যেখানে বিএনপি ইতঃপূর্বে সমাবেশ করেছে অথবা ইজতেমার মাঠ, বাণিজ্য মেলার মাঠ এগুলো তাদের ব্যবহার করার জন্য বলা হয়। কিন্তু তারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অসৎ উদ্দেশ্যে নয়াপল্টনেই সমাবেশ করবে বলে ঘোষণা দেয়।

১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস নিয়ে প্রশ্নের জবাবে সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান বলেন, বিএনপির মানবাধিকার লঙ্ঘনের চিত্রগুলো আমরা বিশ্ব সম্প্র্রদায়ের কাছে পাঠাবো। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার  নেতৃত্বে তারা যে চরমভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। ২০১৩-১৪-১৫ সালে অগ্নিসন্ত্রাস করেছে এবং এখন বাস-ট্রাকে আগুন দিয়ে আবার মানুষের অধিকার হরণ করছে, সেগুলো আমরা বিশ্ব সম্প্রদায়কে জানাব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন