রাষ্ট্রদূতরা কেন এত বড় বড় কথা বলেন: কাদের
jugantor
রাষ্ট্রদূতরা কেন এত বড় বড় কথা বলেন: কাদের

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ১৪:০৫:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

দেশের উদ্ভূত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে কূটনীতিকদের তৎপরতার বিষয়ে আওয়ামী সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কারও হস্তক্ষেপ শেখ হাসিনা শুনবেন না, তিনি আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করেন না।

শুক্রবার আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ২২তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষ্যে দলের অভ্যর্থনা উপকমিটির সভায় তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, দূতাবাসের রাষ্ট্রদূতরা এত বড় বড় কথা যে বলেন, সম্পর্কটা নষ্ট করবেন না। আপনাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব চাই। আমাদের অতীতের অনেক বেদনা আছে— ১৯৭১, '৭৫-এ৷ তার পরও আমরা বন্ধুত্ব চাই। কিন্তু এভাবে করলে বন্ধুত্বে ফাটল ধরবে, এতে কারও লাভ হবে না। সবারই লেনদেন আমাদের আছে। অহেতুক কেন এসব কথা বলছেন?

সবাইকে নিজের চেহারাটা আগে আয়নায় দেখতে পরামর্শ দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রতিদিনই মাস শুটিং (গুলি) হচ্ছে, সপ্তাহে অন্তত দুটা। একেকটাতে পাঁচ-দশজন (নিহত)। ১৯টি শিশু মাস শুটিংয়ে মারা গেছে। পুলিশ সেখানে সিকিউরিটি দেয়নি, দিলে এ ঘটনা ঘটত না। আমাদের আদালতপাড়া নিয়ে কথা বলেন, আপনাদের ওখানে কী হলো?

নির্বাচনে জালিয়াতি শুধু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বলা হয় না, এ শব্দটি আমেরিকার জন্য ব্যবহার হচ্ছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, পাঁচজন লোক মারা গেছে, কংগ্রেস আক্রান্ত, ন্যানসি পেলোসি কীভাবে লুকিয়ে ছিলেন। এই দৃশ্য আমরা দেখেছি।

জার্মানির উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সেখানে অভ্যুত্থানের ক্যু করা চক্রান্ত করছে। কারই ভেতরের খবর সুখকর নয়।

যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, সেখানে তিনবার প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন হলো। আমরা তো সে তুলনায় ভালো আছি। আপনাদের এত কিছু হচ্ছে আমরা তো ইন্টারফেয়ার করি না। ব্রিটেনে দুজন এমপি আততায়ীর হাতে নিহত হয়েছেন। আমাদের এত বছর আছে, এ রকম ঘটনা ঘটেনি। সবাই নিজের চেহারা আয়নাতে দেখে অন্যকে নিয়ে কথা বলেন।

রাষ্ট্রদূতরা কেন এত বড় বড় কথা বলেন: কাদের

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:০৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দেশের উদ্ভূত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে কূটনীতিকদের তৎপরতার বিষয়ে আওয়ামী সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কারও হস্তক্ষেপ শেখ হাসিনা শুনবেন না, তিনি আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করেন না।

শুক্রবার আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ২২তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষ্যে দলের অভ্যর্থনা উপকমিটির সভায় তিনি এ তথ্য জানান। 

তিনি বলেন, দূতাবাসের রাষ্ট্রদূতরা এত বড় বড় কথা যে বলেন, সম্পর্কটা নষ্ট করবেন না। আপনাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব চাই। আমাদের অতীতের অনেক বেদনা আছে— ১৯৭১, '৭৫-এ৷ তার পরও আমরা বন্ধুত্ব চাই। কিন্তু এভাবে করলে বন্ধুত্বে ফাটল ধরবে, এতে কারও লাভ হবে না। সবারই লেনদেন আমাদের আছে। অহেতুক কেন এসব কথা বলছেন?

সবাইকে নিজের চেহারাটা আগে আয়নায় দেখতে পরামর্শ দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রতিদিনই মাস শুটিং (গুলি) হচ্ছে, সপ্তাহে অন্তত দুটা। একেকটাতে পাঁচ-দশজন (নিহত)। ১৯টি শিশু মাস শুটিংয়ে মারা গেছে। পুলিশ সেখানে সিকিউরিটি দেয়নি, দিলে এ ঘটনা ঘটত না। আমাদের আদালতপাড়া নিয়ে কথা বলেন, আপনাদের ওখানে কী হলো?

নির্বাচনে জালিয়াতি শুধু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বলা হয় না, এ শব্দটি আমেরিকার জন্য ব্যবহার হচ্ছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, পাঁচজন লোক মারা গেছে, কংগ্রেস আক্রান্ত, ন্যানসি পেলোসি কীভাবে লুকিয়ে ছিলেন। এই দৃশ্য আমরা দেখেছি।

জার্মানির উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সেখানে অভ্যুত্থানের ক্যু করা চক্রান্ত করছে। কারই ভেতরের খবর সুখকর নয়।

যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, সেখানে তিনবার প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন হলো। আমরা তো সে তুলনায় ভালো আছি। আপনাদের এত কিছু হচ্ছে আমরা তো ইন্টারফেয়ার করি না। ব্রিটেনে দুজন এমপি আততায়ীর হাতে নিহত হয়েছেন। আমাদের এত বছর আছে, এ রকম ঘটনা ঘটেনি। সবাই নিজের চেহারা আয়নাতে দেখে অন্যকে নিয়ে কথা বলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন