বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান দুই দিনের রিমান্ডে

  কোর্ট রিপোর্টার ২৭ জুন ২০১৮, ২১:৩৬ | অনলাইন সংস্করণ

মেজর মিজানুর রহমান
বিএনপি নেতা মেজর মিজানুর রহমান। ছবি-সংগৃহীত

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অবসরপ্রাপ্ত মেজর মিজানুর রহমানসহ গ্রেফতার পাঁচজনের মধ্যে চারজনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।

মিজানুর রহমান ও শফিকুল ইসলামকে দুই দিন, মো. জিন্নাত ও মো. আসাদ আলীকে একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।

এছাড়া গ্রেফতার জুনায়েদ হোসেন জয় নামের এক আসামি কিশোর হওয়ায় তার বিষয়ে আদালত কোনো আদেশ দেয়নি। কিশোর আদালতে শুনানির দিন ধার্য করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলায় বুধবার আদালতে আসামিদের হাজির করে তদন্ত কর্মকর্তার রিমান্ড আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম মাজহারুল হক ওই আদেশ দেন বিচারক।

ধানমণ্ডি থানায় দায়ের করা ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উত্তরা জোনাল টিমের পরিদর্শক আরমান আলী আসামিদের প্রত্যেককে সাত দিন হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন।

অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা জনগণের বিভিন্ন শ্রেণিকে দৃশ্যমান, শ্রুতিনির্ভর ভুল ক্ষতিকর উপাত্ত উপস্থাপনপূর্বক উসকানি প্রদানকারী ও আইনশৃঙ্খলার অবনতিসহ জনমনে ভীতি ছড়িয়ে নিজেদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সফলকারী দলের সক্রিয় সদস্য। গ্রেফতার মিজানুর রহমান নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে নানা পরিকল্পনা করেছিলেন। আশুলিয়ায় শিমুলিয়া ইউনিয়নে বিএনপি নেতাকর্মীদের নিয়ে এ পরিকল্পনা করা হয় যে তারা একদল আওয়ামী লীগের সমর্থক সাজবেন। আদালতে দাখিল করা ওই আবেদনের বিপরীতে আসামিদের রিমান্ড বাতিল চেয়ে আবেদন শুনানি করেন সানাউল্লাহ মিয়া, সৈয়দ গাজী শাহ আলম প্রমুখ।

বিএনপি নেতা মিজানের আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় গ্রেফতার মিজানসহ অন্যদের আদালতে হাজির করে পুলিশ সাত দিন রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করে। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে আদালতের কাছে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত মিজানকে দুই দিন রিমান্ডে নেয়ার অনুমতি দিয়েছেন।

এর আগে, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) মিজানুর রহমান মিজানকে সোমবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে তার গুলশানের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

২৫ জুন সামাজিক মাধ্যম ইউটিউবে ‘কন্সপিরেসি লিক’ নামক একটি চ্যানেলে মেজর মিজানের কথোপকথনের দুটি অডিও প্রকাশ করা হয়েছে।

যাতে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে তাকে নাশকতার ষড়যন্ত্রের কথা বলতে শোনা গেছে।

যদিও ‘কন্সপিরেসি লিক’নামের ইউটিউব চ্যানেলটি ২৫ তারিখেই তৈরি করা হয়েছে এবং সেখানে এ দুটি ক্লিপ ছাড়া আর কোনো ভিডিও নেই। ২৫ তারিখ রাতে ভিডিওটি আপ করা হলেও সবার জন্য ভিডিওটি উন্মুক্ত করা হয় মঙ্গলবার সকালে।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, মেজর মিজান গাজীপুর সিটি নির্বাচন নিয়ে আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়ন যুবদলের নেতা সাইফুল ইসলামের সঙ্গে নাশকতার পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন।

ওই পরিকল্পনা অনুযায়ী, আজ নির্বাচনের দিন বিএনপির তিনজন লোককে আওয়ামী লীগের ব্যাচ পরে নাশকতা করার কথা ছিল।

তবে নির্বাচনের আগের রাতই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জালে আটকা পড়ে যান মিজান।

ঘটনাপ্রবাহ : গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ২০১৮

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter