অভিভাবকদের প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আহ্বান

অবরোধের নামে শিক্ষার্থীরা যেন রাস্তায় নামতে না পারে

প্রকাশ : ০১ আগস্ট ২০১৮, ১৯:০৭ | অনলাইন সংস্করণ

  যুগান্তর রিপোর্ট

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। ফাইল ছবি

অবরোধের নামে শিক্ষার্থীরা যাতে রাস্তায় নামতে না পারে সেই বিষয়ে ভূমিকা রাখার জন্য অভিভাবকদের আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। 

তিনি বলেন, বাস দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনায় ঘৃণা ও ধিক্কার জানাই। এমন ঘটনা কেউ সমর্থন করে না। এটি নিঃসন্দেহে বড় অপরাধ। কিন্তু এটাও বুঝতে হবে যে, দুর্ঘটনা ঘটার পর থেকেই সময়ক্ষেপণ না করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে চলেছে সরকার। 

তিন বলেন, স্বল্প সময়ের মধ্যে আসামিদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে। অবৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ অপ্রাপ্তবয়স্ক চালকদের লাইসেন্স বাতিলের নির্দেশও দিয়েছে সরকার। 

বুধবার রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  

স্বাস্থ্য সচিব (স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ) মো. সিরাজুল হক খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সচিব (স্বাস্থ্য শিক্ষা) জি এম সালেহ উদ্দিন, অতিরিক্ত সচিব মো. হাবিবুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এনায়েত হোসেন, বাংলাদেশ ব্রেস্ট ফিডিং ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডা. এস কে রায় প্রমুখ। 

শিশুদের বুকের দুধ খাওয়ানোর আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, শিশুকে মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানোর হারের দিক দিয়েও পিছিয়ে নেই বাংলাদেশ। দু’বছর বয়স পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধপান করা শিশুর সংখ্যা বেড়ে ৮৭ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছেছে। 

তিনি বলেন, এক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়। প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে থাকা শ্রীলংকা ও কিউবায় এ হার যথাক্রমে ৮৮ ও ৮৭.৫ শতাংশ। মায়ের দুধের পরিবর্তে কৌটার বা বাজারের দুধ খেলে শিশুর স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়ে, শিশু অপুষ্টির শিকার হয়। সরকারি বেসরকারি উদ্যোগে এ শিক্ষাটি ব্যাপকভাবে প্রচার করতে হবে। 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এতে মানুষের মধ্যে পুষ্টি ধারণা বাড়বে এবং অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশু ও মায়ের সংখ্যা কমে আসবে। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী কোনো গুঁড়া দুধ, শিশুখাদ্য, বাণিজ্যকভাবে প্রস্তুতকৃত শিশুর পরিপূরক খাদ্য ও তা ব্যবহারের সরঞ্জামাদি নিবন্ধন ছাড়া আমদানি, স্থানীয়ভাবে উৎপাদন, বিক্রয় বা বিতরণ করা যাবে না। 

বিজ্ঞাপন মুদ্রণ, প্রদর্শন, প্রচার অথবা প্রকাশ করা যাবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।