‘বিশ্বের মধ্যে একজন সৎ ব্যক্তি শেখ হাসিনা’
jugantor
‘বিশ্বের মধ্যে একজন সৎ ব্যক্তি শেখ হাসিনা’

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৭ অক্টোবর ২০২০, ২১:১৯:৩৭  |  অনলাইন সংস্করণ

বঙ্গবন্ধু নাম যারা মুছে ফেলার চেষ্টা করছে, তারাই মূল ষড়যন্ত্রকারী। ইতিহাস প্রমাণ করেছে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলা যায় না। আজ ঘরে ঘরে বঙ্গবন্ধুর আর্দশ ধারণ করে কর্মী গড়ে উঠেছে। পেছনের রাস্তা দিয়ে ক্ষমতার আসার দরজা বন্ধ হয়ে গেছে। কোনো অপশক্তি যেন শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারা বাধাগ্রস্ত করতে না পারে সে জন্য সজাগ থাকতে হবে।

মঙ্গলবার বিকালে ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মৎস্যজীবী লীগের নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভায় আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ এসব কথা বলেন।

আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মো. সায়ীদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক লায়ন শেখ আজগর নস্করের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- কার্যকরী সভাপতি সাইফুল আলম মানিক, সহসভাপতি আবুল বাশার, আবদুল গফুর চোকদার, মুহাম্মদ আলম, গিয়াস খান, মোহাম্মদ ইউনুস, মো. নাছির উদ্দিন মানিক, মঞ্জুর কাদের মোহান, মমতাজ খানম, নাসরিন আক্তার, সাজ্জাদুল হক লিকু সিকদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলীম, রফিকুল ইসলাম খান, ফিরোজ আহম্মেদ তালুকদার প্রমুখ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. শফিউল আলম শফিক ও দফতর সম্পাদক এমএইচ এনামুল হক রাজু।

সুযোগসন্ধানী নেতাদের কাছ থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে ড. আবদুস সোবহান গোলাপ বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন লাখ কর্মী ছিল। তারা এখন কোথায়? খালেদা জিয়ার জন্য একটি আন্দোলন করতে পারেনি বিএনপি। যে দল ক্ষমতায় থাকে কিছু লোক সেই দলে যোগ দেয়, এদের থেকে সাবধান। ত্যাগী নেতারা কখনও সুবিধা নেয়ার জন্য সংগঠন করে না। তারা সবসময় ত্যাগ স্বীকার করে দলের জন্য কাজ করে। আর সুবিধাবাদীরা ক্ষমতাসীন দলে যোগ দেয় সুবিধা নেয়ার জন্য।

সাধারণ জনগণের প্রতি বিনয়ী আচরণ করার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, সব নেতাকর্মীদের সহনশীল ব্যবহার করতে হবে। কেউ যেন মনে কষ্ট না পায়। যাতে করে আগামী দিনে শেখ হাসিনা আবারও ক্ষমতায় আসতে পারেন। নিজেদের মধ্যে কোনো বিতর্ক সৃষ্টি করা যাবে না, এজন্য ত্যাগ স্বীকার করতে হবে।

গোলাপ বলেন, ২১ বছর ক্ষমতায় থেকে দেশের মানুষের জন্য কিছুই করেনি বিএনপি। ২১ বছরের উন্নয়ন আর শেখ হাসিনার বর্তমান ১১ বছরের উন্নয়ন আকাশ-পাতাল পার্থক্য। শেখ হাসিনা কোনো ভোগ-বিলাসের রাজনীতি করেন না, বিএনপি ভোগ-বিলাসে মগ্ন ছিল বলেই দেশের উন্নয়ন করতে পারেনি। বিশ্বের মধ্যে একজন সৎ ব্যক্তি হলেন শেখ হাসিনা।

বিএনপি কখনও আন্দোলনে বিশ্বাসী নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা আন্দোলন ডাক দিয়ে মাঠে থাকে না। তারা যড়যন্ত্রের রাজনীতি করে। খালেদা জিয়াকে জেল থেকে বের করার জন্য একটি আন্দোলন করতে পারেনি বিএনপি। আওয়ামী লীগ মানুষের জন্য রাজনীতি করে। দেশের জনগণের প্রিয় সংগঠন হল আওয়ামী লীগ। তাই বিএনপিকে প্রত্যাখান করেছে জনগণ।

মৎস্যজীবী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে গোলাপ বলেন, শেখ হাসিনা নিজে বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ সংগঠনটি গঠন করেছেন। এই সংগঠনের নেতাকর্মীরা তৃণমূল পর্যন্ত বিস্তৃত। শেখ হাসিনার শুভদৃষ্টি আছে বলেই এই সংগঠনের নতুন করে কমিটি করা হয়েছে। শেখ হাসিনা ছাড়া কাউকে বাহবা দেয়ার দরকার নেই।

‘বিশ্বের মধ্যে একজন সৎ ব্যক্তি শেখ হাসিনা’

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৯:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বঙ্গবন্ধু নাম যারা মুছে ফেলার চেষ্টা করছে, তারাই মূল ষড়যন্ত্রকারী।  ইতিহাস প্রমাণ করেছে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলা যায় না।  আজ ঘরে ঘরে বঙ্গবন্ধুর আর্দশ ধারণ করে কর্মী গড়ে উঠেছে।  পেছনের রাস্তা দিয়ে ক্ষমতার আসার দরজা বন্ধ হয়ে গেছে।  কোনো অপশক্তি যেন শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারা বাধাগ্রস্ত করতে না পারে সে জন্য সজাগ থাকতে হবে।

মঙ্গলবার বিকালে ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মৎস্যজীবী লীগের নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভায় আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ এসব কথা বলেন। 

আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মো. সায়ীদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক লায়ন শেখ আজগর নস্করের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- কার্যকরী সভাপতি সাইফুল আলম মানিক, সহসভাপতি আবুল বাশার, আবদুল গফুর চোকদার, মুহাম্মদ আলম, গিয়াস খান, মোহাম্মদ ইউনুস, মো. নাছির উদ্দিন মানিক, মঞ্জুর কাদের মোহান, মমতাজ খানম, নাসরিন আক্তার, সাজ্জাদুল হক লিকু সিকদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলীম, রফিকুল ইসলাম খান, ফিরোজ আহম্মেদ তালুকদার প্রমুখ। 

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. শফিউল আলম শফিক ও দফতর সম্পাদক এমএইচ এনামুল হক রাজু।

সুযোগসন্ধানী নেতাদের কাছ থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে ড. আবদুস সোবহান গোলাপ বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন লাখ কর্মী ছিল।  তারা এখন কোথায়? খালেদা জিয়ার জন্য একটি আন্দোলন করতে পারেনি বিএনপি।  যে দল ক্ষমতায় থাকে কিছু লোক সেই দলে যোগ দেয়, এদের থেকে সাবধান।  ত্যাগী নেতারা কখনও সুবিধা নেয়ার জন্য সংগঠন করে না। তারা সবসময় ত্যাগ স্বীকার করে দলের জন্য কাজ করে।  আর সুবিধাবাদীরা ক্ষমতাসীন দলে যোগ দেয় সুবিধা নেয়ার জন্য। 

সাধারণ জনগণের প্রতি বিনয়ী আচরণ করার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, সব নেতাকর্মীদের সহনশীল ব্যবহার করতে হবে।  কেউ যেন মনে কষ্ট না পায়।  যাতে করে আগামী দিনে শেখ হাসিনা আবারও ক্ষমতায় আসতে পারেন।  নিজেদের মধ্যে কোনো বিতর্ক সৃষ্টি করা যাবে না, এজন্য ত্যাগ স্বীকার করতে হবে।

গোলাপ বলেন, ২১ বছর ক্ষমতায় থেকে দেশের মানুষের জন্য কিছুই করেনি বিএনপি।  ২১ বছরের উন্নয়ন আর শেখ হাসিনার বর্তমান ১১ বছরের উন্নয়ন আকাশ-পাতাল পার্থক্য।  শেখ হাসিনা কোনো ভোগ-বিলাসের রাজনীতি করেন না, বিএনপি ভোগ-বিলাসে মগ্ন ছিল বলেই দেশের উন্নয়ন করতে পারেনি।  বিশ্বের মধ্যে একজন সৎ ব্যক্তি হলেন শেখ হাসিনা।

বিএনপি কখনও আন্দোলনে বিশ্বাসী নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা আন্দোলন ডাক দিয়ে মাঠে থাকে না।  তারা যড়যন্ত্রের রাজনীতি করে।  খালেদা জিয়াকে জেল থেকে বের করার জন্য একটি আন্দোলন করতে পারেনি বিএনপি।  আওয়ামী লীগ মানুষের জন্য রাজনীতি করে।  দেশের জনগণের প্রিয় সংগঠন হল আওয়ামী লীগ।  তাই বিএনপিকে প্রত্যাখান করেছে জনগণ। 

মৎস্যজীবী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে গোলাপ বলেন, শেখ হাসিনা নিজে বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ সংগঠনটি গঠন করেছেন।  এই সংগঠনের নেতাকর্মীরা তৃণমূল পর্যন্ত বিস্তৃত।  শেখ হাসিনার শুভদৃষ্টি আছে বলেই এই সংগঠনের নতুন করে কমিটি করা হয়েছে।  শেখ হাসিনা ছাড়া কাউকে বাহবা দেয়ার দরকার নেই।