জামায়াত-শিবির-হেফাজত এক হয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ইস্যুতে মাঠে নেমেছে: ওলামা লীগ
jugantor
জামায়াত-শিবির-হেফাজত এক হয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ইস্যুতে মাঠে নেমেছে: ওলামা লীগ

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৮ নভেম্বর ২০২০, ১৮:৫১:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে অবস্থান ধর্মের অপব্যাখা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগ।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ওলামা লীগের জাতীয় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এক মানববন্ধনে নেতারা এ মন্তব্য করেন।

বক্তারা বলেন, দেশে কোনো জঙ্গিবাদী-সাম্প্রদায়িক অপশক্তির জায়গা হবে না। লক্ষ্য করছি স্বাধীনতাবিরোধী একটি চক্র ইসলামের নাম ব্যবহার করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়ে ধর্মীয় উসকানির অপচেষ্টা করছে। ভাস্কর্য একটি জাতির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বহন করে। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতার বিরুদ্ধে তারা যে অবস্থান নিয়েছিল তা আবার পুনরায় তাদের অবস্থান স্পষ্ট করল।

ওলামা লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব মুফতি মাসুম বিল্লাহ নাফিয়ী বলেন, ৭১ সালে ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সবাই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে যেমনিভাবে স্বাধীনতা অর্জন করেছে, ঠিক তেমনিভাবে এখনও এই সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দিবে, ইনশাআল্লাহ। জামায়াত-শিবির ও হেফাজতে ইসলাম এক ও অভিন্ন হয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের ইস্যুতে মাঠে নেমেছে। এটি তাদের পূর্ব স্বভাব। তাদের পূর্ব পুরুষেরাও স্বাধীনতা চায়নি।

তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন তারা পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। স্বাধীনতার বিরুদ্ধে গঠন করেছিল আলবদর, আলসামস, আলরাজাকার ও শান্তি বাহিনীসহ বিভিন্ন সংগঠন। মুক্তিযুদ্ধকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য বিশ্বব্যাপী চালিয়েছিল নানা অপপ্রচারও। জাতির পিতার নেতৃত্বে মুজিবনগর সরকারের মাধ্যমে সব প্রতিকূলতাকে মোকাবেলা করে লাল-সবুজের বাংলাদেশের সৃষ্টি হয়েছে। সুতরাং সাম্প্রদায়িক অপতৎপরতা চালিয়ে ইসলাম ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে কোনো অপশক্তি বাঙালি জাতিকে আর বিভ্রান্ত করতে পারবে না।

মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন- ওলামা লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও মুখপাত্র ক্বারী মাওলানা আসাদুজ্জামান, যুগ্ম আহ্বায়ক হাফেজ মাওলানা আনোয়ার হোসেন জুয়েল, মুফতি আলিম বিজয় নগরী, মুফতি মোহাম্মদ আলমগীর হোসাইন, মাওলানা আবদুল কুদ্দুছ, মাওলানা আবদুর রহিম, মুফতি ইলিয়াস হোসেন ও সুফী আবদুল করিম প্রমুখ।

জামায়াত-শিবির-হেফাজত এক হয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ইস্যুতে মাঠে নেমেছে: ওলামা লীগ

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৮ নভেম্বর ২০২০, ০৬:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে অবস্থান ধর্মের অপব্যাখা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগ।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ওলামা লীগের জাতীয় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এক মানববন্ধনে নেতারা এ মন্তব্য করেন। 

বক্তারা বলেন, দেশে কোনো জঙ্গিবাদী-সাম্প্রদায়িক অপশক্তির জায়গা হবে না। লক্ষ্য করছি স্বাধীনতাবিরোধী একটি চক্র ইসলামের নাম ব্যবহার করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিয়ে ধর্মীয় উসকানির অপচেষ্টা করছে। ভাস্কর্য একটি জাতির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বহন করে। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতার বিরুদ্ধে তারা যে অবস্থান নিয়েছিল তা আবার পুনরায় তাদের অবস্থান স্পষ্ট করল।

ওলামা লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব মুফতি মাসুম বিল্লাহ নাফিয়ী বলেন, ৭১ সালে ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সবাই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে যেমনিভাবে স্বাধীনতা অর্জন করেছে, ঠিক তেমনিভাবে এখনও এই সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দিবে, ইনশাআল্লাহ।  জামায়াত-শিবির ও হেফাজতে ইসলাম এক ও অভিন্ন হয়ে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের ইস্যুতে মাঠে নেমেছে। এটি তাদের পূর্ব স্বভাব। তাদের পূর্ব পুরুষেরাও স্বাধীনতা চায়নি। 

তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন তারা পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। স্বাধীনতার বিরুদ্ধে গঠন করেছিল আলবদর, আলসামস, আলরাজাকার ও শান্তি বাহিনীসহ বিভিন্ন সংগঠন। মুক্তিযুদ্ধকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য বিশ্বব্যাপী চালিয়েছিল নানা অপপ্রচারও। জাতির পিতার নেতৃত্বে মুজিবনগর সরকারের মাধ্যমে সব প্রতিকূলতাকে মোকাবেলা করে লাল-সবুজের বাংলাদেশের সৃষ্টি হয়েছে। সুতরাং সাম্প্রদায়িক অপতৎপরতা চালিয়ে ইসলাম ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে কোনো অপশক্তি বাঙালি জাতিকে আর বিভ্রান্ত করতে পারবে না।

মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন- ওলামা লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও মুখপাত্র ক্বারী মাওলানা আসাদুজ্জামান, যুগ্ম আহ্বায়ক হাফেজ মাওলানা আনোয়ার হোসেন জুয়েল, মুফতি আলিম বিজয় নগরী, মুফতি মোহাম্মদ আলমগীর হোসাইন, মাওলানা আবদুল কুদ্দুছ, মাওলানা আবদুর রহিম, মুফতি ইলিয়াস হোসেন ও সুফী আবদুল করিম প্রমুখ।