প্রধানমন্ত্রী উৎসবের যে সুযোগ দিয়েছেন তার সদ্ব্যবহার করতে বললেন কাদের
jugantor
প্রধানমন্ত্রী উৎসবের যে সুযোগ দিয়েছেন তার সদ্ব্যবহার করতে বললেন কাদের

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৩ জুলাই ২০২১, ১৭:৪৮:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

সবাইকে মাস্ক পরার পাশাপাশি কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যেও উৎসবের যে সুযোগ করে দিয়েছেন তার সদ্ব্যবহার করা উচিত।

তিনি বলেন, কেউ যেন দায়িত্বহীনভাবে ফেরিঘাট, বাস টার্মিনাল, লঞ্চ টার্মিনাল এবং কুরবানির পশুরহাটে বাঁধভাঙা ভিড় সৃষ্টি না করে, সেদিকে সবাইকে কঠোর সতর্ক হতে হবে। তা না হলে ভয়ঙ্কর বিপর্যয় নেমে আসবে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।

ওবায়দুল কাদের মঙ্গলবার সকালে তার রাজধানীর সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ঠিকমত মাস্ক পরিধান করোনা সংক্রমণ থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার সবচেয়ে বড় সুরক্ষা। জনগণ ঠিকমতো মাস্ক পরলে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে লকডাউনের প্রয়োজন হয় না। স্বাস্থ্যবিধি না মেনে উদাসীনতা প্রদর্শন করলে লকডাউন অর্থহীন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, হাট-বাজারে বা চায়ের দোকানে জটলা তৈরি না করে সতর্কভাবে চলাফেরা এবং মাস্ক পরিধানের মধ্য দিয়ে প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। নিজের সুরক্ষার জন্য সতর্ক না হলে, উদাসীনতা দেখালে কেউ আমাদের সুরক্ষিত করতে পারবে না।

তিনি বলেন, করোনার সংক্রমণ এখন শহর থেকে গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে। একটা সময় অনেকে মনে করতেন গ্রামের মানুষের করোনা হবে না। এ ধারণা ভুল প্রমাণ করে সংক্রমণ এখন গ্রাম থেকে গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে।একসময় হয়তো হাসপাতালে বেড বাড়িয়েও রোগী সামাল দেওয়া যাবে না। সেই পরিস্থিতি মাথায় রেখে মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করার পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরাসহ অন্যান্য সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার তাগিদ দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

এ সময় করোনার বর্তমান পরিস্থিতিতে দলীয় রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেন ওবায়দুল কাদের। বলেন, এখন একমাত্র কর্মসূচি হচ্ছে অসহায় মানুষের পাশে থাকা।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবীসহ দলমত নির্বিশেষে সব রাজনৈতিক দলকে সচেতনতা বাড়ানো জন্য ক্যাম্পেইন পরিচালনার আহ্বান জানান।

করোনার এই সংকটকালে এবং ঈদুল আজহা উপলক্ষে অসহায়, দুস্থ এবং খেটে-খাওয়া মানুষের পাশে থাকা অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগের সব নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের।পাশাপাশি দলের দুখী, অসহায় এবং অসুস্থ কর্মীদেরও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে দলের সামর্থ্যবান ও জনপ্রতিনিধিদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী উৎসবের যে সুযোগ দিয়েছেন তার সদ্ব্যবহার করতে বললেন কাদের

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৩ জুলাই ২০২১, ০৫:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সবাইকে মাস্ক পরার পাশাপাশি কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যেও উৎসবের যে সুযোগ করে দিয়েছেন তার সদ্ব্যবহার করা উচিত।

তিনি বলেন, কেউ যেন দায়িত্বহীনভাবে ফেরিঘাট, বাস টার্মিনাল, লঞ্চ টার্মিনাল এবং কুরবানির পশুরহাটে বাঁধভাঙা ভিড় সৃষ্টি না করে, সেদিকে সবাইকে কঠোর সতর্ক হতে হবে। তা না হলে ভয়ঙ্কর বিপর্যয় নেমে আসবে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।

ওবায়দুল কাদের মঙ্গলবার সকালে তার রাজধানীর সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন। 

তিনি বলেন, ঠিকমত মাস্ক পরিধান করোনা সংক্রমণ থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার সবচেয়ে বড় সুরক্ষা। জনগণ ঠিকমতো মাস্ক পরলে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে লকডাউনের প্রয়োজন হয় না। স্বাস্থ্যবিধি না মেনে উদাসীনতা প্রদর্শন করলে লকডাউন অর্থহীন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, হাট-বাজারে বা চায়ের দোকানে জটলা তৈরি না করে সতর্কভাবে চলাফেরা এবং মাস্ক পরিধানের মধ্য দিয়ে প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। নিজের সুরক্ষার জন্য সতর্ক না হলে, উদাসীনতা দেখালে কেউ আমাদের সুরক্ষিত করতে পারবে না।

তিনি বলেন, করোনার সংক্রমণ এখন শহর থেকে গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে। একটা সময় অনেকে মনে করতেন গ্রামের মানুষের করোনা হবে না। এ ধারণা ভুল প্রমাণ করে সংক্রমণ এখন গ্রাম থেকে গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে।একসময় হয়তো হাসপাতালে বেড বাড়িয়েও রোগী সামাল দেওয়া যাবে না। সেই পরিস্থিতি মাথায় রেখে মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করার পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরাসহ অন্যান্য সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার তাগিদ দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

এ সময় করোনার বর্তমান পরিস্থিতিতে দলীয় রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেন ওবায়দুল কাদের। বলেন, এখন একমাত্র কর্মসূচি হচ্ছে অসহায় মানুষের পাশে থাকা।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবীসহ দলমত নির্বিশেষে সব রাজনৈতিক দলকে সচেতনতা বাড়ানো জন্য ক্যাম্পেইন পরিচালনার আহ্বান জানান। 

করোনার এই সংকটকালে এবং ঈদুল আজহা উপলক্ষে অসহায়, দুস্থ এবং খেটে-খাওয়া মানুষের পাশে থাকা অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগের সব নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের।পাশাপাশি দলের দুখী, অসহায় এবং অসুস্থ কর্মীদেরও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে দলের সামর্থ্যবান ও জনপ্রতিনিধিদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১