বিএনপির নিরপেক্ষ-তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি, যা বললেন রাজ্জাক
jugantor
বিএনপির নিরপেক্ষ-তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি, যা বললেন রাজ্জাক

  যুগান্তর প্রতিবেদন, টাঙ্গাইল  

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:৫১:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

এক যুগের বেশি ক্ষমতার বাইরে থাকা দেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি প্রতিনিয়তই দাবি জানিয়ে আসছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে হবে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে। বিএনপির এই দাবির প্রশ্নে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে দেশে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে। সংবিধান অনুযায়ী জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের অধীনেই এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধানের বাইরে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নিরপেক্ষ সরকার- এরকম কোনো কিছুই গঠিত হবে না।

শনিবার টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

জনবিচ্ছিন্ন বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে ভয় পায় বলে মন্তব্য করে ড. রাজ্জাক বলেন, জনবিচ্ছিন্ন বিএনপি নির্বাচনে আসে না বরং নির্বাচনকে ভয় পায়। তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে চোরাগলি পথে ক্ষমতায় আসতে নানান পায়তারা করছে। কিন্তু ক্ষমতায় আসতে হলে তাদেরকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে জনগণের ভোটে জয়ী হয়েই আসতে হবে।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেন, বাংলাদেশে কোনো নিরপেক্ষ সরকার হবে না। বাংলাদেশে কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না। বাংলাদেশে হবে সাংবিধানিক সরকার। সংবিধানের আলোকে আগামী দিনে নির্বাচন হবে এবং দায়িত্ব পালন করবে নির্বাচন কমিশন। যে নির্বাচন কমিশনের ওপরে কোনো সরকারের, কোনো প্রধানমন্ত্রীর, কোনো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভূমিকা থাকবে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোনো নিয়ন্ত্রণ সেখানে করতে পারবেন না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সামরিক বাহিনী সবকিছু স্বাধীনভাবে কাজ করবে এবং সুন্দর সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে কৃষিমন্ত্রী বলেন, আন্দোলনের ভয় আপনারা দেখাবেন না। কারণ আন্দোলন দেখে আমরা ভয় পাই না। ২০১৩ সালে মোকাবিলা করেছি। ২০১৬ সালেও করেছি। হেফাজতকে মোকাবিলা করেছি। ইনশাআল্লাহ, আগামী দিনে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনেক সক্ষমতা এখন। তারা অনেক সুশৃঙ্খল, তারা অনেক বড় বড় দায়িত্ব পালন করেছে। তারা জঙ্গিদেরকে মোকাবিলা করে সারা পৃথিবীতে প্রশংসা অর্জন করেছে। কাজেই আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সম্পূর্ণ সহায়তা করা এবং সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের ব্যবস্থা করে দেওয়া। রাজনৈতিকভাবে যদি কোনো আন্দোলন আসে তাহলে আমরা সেই আন্দোলকে মোকাবিলা করব।

তিনি আরও বলেন, জিয়ার কবর নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। আমরা শুনেছি, অনেক বিএনপি নেতারা বলেছেন, প্রেসিডেন্ট এরশাদও বলেছেন, যে লাশটি এসেছিল সে লাশটি নাকি একজন সেনা কর্মকর্তার। তবে সেটি জিয়ার কি না- তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলাম এমপি, মো. ছানোয়ার হোসেন এমপি, জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান এমপি, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীরসহ জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের অন্যান্য নেতারা।

বিএনপির নিরপেক্ষ-তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি, যা বললেন রাজ্জাক

 যুগান্তর প্রতিবেদন, টাঙ্গাইল 
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

এক যুগের বেশি ক্ষমতার বাইরে থাকা দেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি প্রতিনিয়তই দাবি জানিয়ে আসছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে হবে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে। বিএনপির এই দাবির প্রশ্নে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে দেশে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে। সংবিধান অনুযায়ী জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের অধীনেই এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধানের বাইরে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নিরপেক্ষ সরকার- এরকম কোনো কিছুই গঠিত হবে না।

শনিবার টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

জনবিচ্ছিন্ন বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে ভয় পায় বলে মন্তব্য করে ড. রাজ্জাক বলেন, জনবিচ্ছিন্ন বিএনপি নির্বাচনে আসে না বরং নির্বাচনকে ভয় পায়। তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে চোরাগলি পথে ক্ষমতায় আসতে নানান পায়তারা করছে। কিন্তু ক্ষমতায় আসতে হলে তাদেরকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে জনগণের ভোটে জয়ী হয়েই আসতে হবে। 

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেন, বাংলাদেশে কোনো নিরপেক্ষ সরকার হবে না। বাংলাদেশে কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না। বাংলাদেশে হবে সাংবিধানিক সরকার। সংবিধানের আলোকে আগামী দিনে নির্বাচন হবে এবং দায়িত্ব পালন করবে নির্বাচন কমিশন। যে নির্বাচন কমিশনের ওপরে কোনো সরকারের, কোনো প্রধানমন্ত্রীর, কোনো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভূমিকা থাকবে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোনো নিয়ন্ত্রণ সেখানে করতে পারবেন না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সামরিক বাহিনী সবকিছু স্বাধীনভাবে কাজ করবে এবং সুন্দর সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। 

বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে কৃষিমন্ত্রী বলেন, আন্দোলনের ভয় আপনারা দেখাবেন না। কারণ আন্দোলন দেখে আমরা ভয় পাই না। ২০১৩ সালে মোকাবিলা করেছি। ২০১৬ সালেও করেছি। হেফাজতকে মোকাবিলা করেছি। ইনশাআল্লাহ, আগামী দিনে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনেক সক্ষমতা এখন। তারা অনেক সুশৃঙ্খল, তারা অনেক বড় বড় দায়িত্ব পালন করেছে। তারা জঙ্গিদেরকে মোকাবিলা করে সারা পৃথিবীতে প্রশংসা অর্জন করেছে। কাজেই আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সম্পূর্ণ সহায়তা করা এবং সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের ব্যবস্থা করে দেওয়া। রাজনৈতিকভাবে যদি কোনো আন্দোলন আসে তাহলে আমরা সেই আন্দোলকে মোকাবিলা করব।

তিনি আরও বলেন, জিয়ার কবর নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। আমরা শুনেছি, অনেক বিএনপি নেতারা বলেছেন, প্রেসিডেন্ট এরশাদও বলেছেন, যে লাশটি এসেছিল সে লাশটি নাকি একজন সেনা কর্মকর্তার। তবে সেটি জিয়ার কি না- তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। 

এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলাম এমপি, মো. ছানোয়ার হোসেন এমপি, জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান এমপি, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীরসহ জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের অন্যান্য নেতারা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর