কুয়েট অধ্যাপকের মৃত্যু নিয়ে যেসব প্রশ্ন ড. হাছান মাহমুদের
jugantor
কুয়েট অধ্যাপকের মৃত্যু নিয়ে যেসব প্রশ্ন ড. হাছান মাহমুদের

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ১৮:১০:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

কুয়েট অধ্যাপকের মৃত্যু নিয়ে যেসব প্রশ্ন ড. হাছান মাহমুদের

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক মো. সেলিম হোসেনের মৃত্যুর বিষয়ে প্রশ্ন তুলে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বাকবিতণ্ডার পর সবাই স্ট্রোক করে মারা যায় কিনা।একইসঙ্গে তার মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, সেটি নিশ্চিত হওয়ার আগে একটি পক্ষকে দায়ী করা কতটা যৌক্তিক- সেই প্রশ্নও তিনি তুলেছেন।

রোববার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে এক ব্রিফিংয়ে কুয়েট শিক্ষক সেলিম হোসেনের মৃত্যু নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী পালটা এসব প্রশ্ন তোলেন।

জানা গেছে, কুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদমান নাহিয়ান সেজানের নেতৃত্বে একদল শিক্ষার্থী গত মঙ্গলবার অধ্যাপক সেলিমের সঙ্গে দেখা করেন। এরপর ওই শিক্ষক বাসায় ফিরে মারা যান। অভিযোগ উঠেছে, সেজানসহ ওই শিক্ষার্থীরা অধ্যাপক সেলিমকে লাঞ্ছিত করেছিলেন, যা তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। এই অভিযোগ ছাত্রলীগ নেতা সেজান অস্বীকার করলেও তাকেসহ ৯ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

কুয়েট শিক্ষক সেলিমের মৃত্যুকে অত্যন্ত অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন। আমি মনে করি, এর সুষ্ঠু তদন্ত হবে। তদন্তে নিশ্চয়ই বেরিয়ে আসবে তার কোনো রোগ ছিল কিনা, হার্ট ডিজিজ ছিল কিনা বা অন্য কোনো রোগ ছিল কিনা।

তিনি বলেন, ‘যে অভিযোগ এসেছে, তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়েছে। এরপর তিনি বাসায় গিয়ে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকে মারা গেছেন। সেটি তদন্তে বেরিয়ে আসবে হার্ট অ্যাটাক না স্ট্রোক। ’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অভিযোগ যেহেতু এসেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কয়েকজন ছাত্রকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে। যদি কেউ দায়ী হয়, তদন্তে যদি সেটি বেরিয়ে আসে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই সরকার আইন অনুযায়ী যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কিন্তু কারো যদি বাকবিতণ্ডার পর হার্ট অ্যাটাকে বা স্ট্রোকে মৃত্যু হয়, সে জন্য তদন্ত হওয়ার আগে ডাক্তারি পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে উদঘাটিত হওয়ার আগে, সেই বাকবিতণ্ডাকেই দায়ী করা- সেটি কতটুকু যৌক্তিক সেই প্রশ্নও থেকে যায়। ’

‘বাকবিতণ্ডা নানাজনের সঙ্গে হয় এবং সবাই কি এরপরে স্ট্রোকে মারা যায়? তাতো নয়। তার অন্যান্য রোগ ছিল কিনা, কী কারণে আসলে হয়েছে। সত্যি সত্যি যদি তদন্তে বেরিয়ে আসে তার ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি হওয়ার কারণে সেটি হয়েছে, তাহলে অবশ্যই দোষীদের যথোপযুক্ত শাস্তি হবে। কিন্তু সেটি হওয়ার আগে একটি পক্ষকে দায়ী করা হচ্ছে সেটি কতটুকু যৌক্তিক, সেই প্রশ্নও অনেকে করেছেন বলে উল্লেখ করেন ড. হাছান।’

কুয়েট অধ্যাপকের মৃত্যু নিয়ে যেসব প্রশ্ন ড. হাছান মাহমুদের

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কুয়েট অধ্যাপকের মৃত্যু নিয়ে যেসব প্রশ্ন ড. হাছান মাহমুদের
কুয়েট অধ্যাপক মো. সেলিম হোসেন। ফাইল ছবি

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক মো. সেলিম হোসেনের মৃত্যুর বিষয়ে প্রশ্ন তুলে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বাকবিতণ্ডার পর সবাই স্ট্রোক করে মারা যায় কিনা।একইসঙ্গে তার মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, সেটি নিশ্চিত হওয়ার আগে একটি পক্ষকে দায়ী করা কতটা যৌক্তিক- সেই প্রশ্নও তিনি তুলেছেন।

রোববার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে এক ব্রিফিংয়ে কুয়েট শিক্ষক সেলিম হোসেনের মৃত্যু নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী পালটা এসব প্রশ্ন তোলেন।

জানা গেছে, কুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদমান নাহিয়ান সেজানের নেতৃত্বে একদল শিক্ষার্থী গত মঙ্গলবার অধ্যাপক সেলিমের সঙ্গে দেখা করেন। এরপর ওই শিক্ষক বাসায় ফিরে মারা যান। অভিযোগ উঠেছে, সেজানসহ ওই শিক্ষার্থীরা অধ্যাপক সেলিমকে লাঞ্ছিত করেছিলেন, যা তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। এই অভিযোগ ছাত্রলীগ নেতা সেজান অস্বীকার করলেও তাকেসহ ৯ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

কুয়েট শিক্ষক সেলিমের মৃত্যুকে অত্যন্ত অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন। আমি মনে করি, এর সুষ্ঠু তদন্ত হবে। তদন্তে নিশ্চয়ই বেরিয়ে আসবে তার কোনো রোগ ছিল কিনা, হার্ট ডিজিজ ছিল কিনা বা অন্য কোনো রোগ ছিল কিনা। 

তিনি বলেন, ‘যে অভিযোগ এসেছে, তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়েছে। এরপর তিনি বাসায় গিয়ে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকে মারা গেছেন। সেটি তদন্তে বেরিয়ে আসবে হার্ট অ্যাটাক না স্ট্রোক। ’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অভিযোগ যেহেতু এসেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কয়েকজন ছাত্রকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে। যদি কেউ দায়ী হয়, তদন্তে যদি সেটি বেরিয়ে আসে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই সরকার আইন অনুযায়ী যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কিন্তু কারো যদি বাকবিতণ্ডার পর হার্ট অ্যাটাকে বা স্ট্রোকে মৃত্যু হয়, সে জন্য তদন্ত হওয়ার আগে ডাক্তারি পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে উদঘাটিত হওয়ার আগে, সেই বাকবিতণ্ডাকেই দায়ী করা- সেটি কতটুকু যৌক্তিক সেই প্রশ্নও থেকে যায়। ’

‘বাকবিতণ্ডা নানাজনের সঙ্গে হয় এবং সবাই কি এরপরে স্ট্রোকে মারা যায়? তাতো নয়। তার অন্যান্য রোগ ছিল কিনা, কী কারণে আসলে হয়েছে। সত্যি সত্যি যদি তদন্তে বেরিয়ে আসে তার ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি হওয়ার কারণে সেটি হয়েছে, তাহলে অবশ্যই দোষীদের যথোপযুক্ত শাস্তি হবে। কিন্তু সেটি হওয়ার আগে একটি পক্ষকে দায়ী করা হচ্ছে সেটি কতটুকু যৌক্তিক, সেই প্রশ্নও অনেকে করেছেন বলে উল্লেখ করেন ড. হাছান।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন