‘আমি গেলাম সহানুভূতি দেখাতে, অপমান করে ফেরত দিয়েছে আমাকে’
jugantor
‘আমি গেলাম সহানুভূতি দেখাতে, অপমান করে ফেরত দিয়েছে আমাকে’

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ২০:১৮:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

‘আমি গেলাম সহানুভূতি দেখাতে, অপমান করে ফেরত দিয়েছে আমাকে’

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, খালেদা জিয়ার ছেলে কোকো মারা গেলো, আমি গেলাম সহানুভূতি দেখাতে। কিন্তু আমাকে বাসায় ঢুকতে দিল না।অপমান করে ফেরত দিয়েছে আমাকে।

বুধবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে আওয়ামী যুবলীগের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি হঠাৎ করে যাইনি। আমার এখান থেকে আমার মিলিটারি সেক্রেটারি যোগাযোগ করেছে। এডিসি যোগাযোগ করেছে। সময় নির্দিষ্ট করা হয়েছে। আমি সময় মতো গেছি। আমার এখান থেকে এসএসএফ গেছে, সেখানে তারা দেখেছে কোথায় যাব। আমি যখন রওনা হয়ে গেছি, গুলশান রোডে ঢুকছি তখন শুনলাম ওই বাড়ির মেইন গেট খুলবে না, আমার গাড়ি ঢুকতে দেবে না। তা আমি বললাম- এতদূর যখন চলে আসছি ফিরে আসব কেন? পাশে নিশ্চয়ই পকেট গেট আছে, সেখান দিয়ে যাব।

‘যখনই আমার গাড়িটা বাড়ির সামনে থেমেছে আমার যে এসএসএফ অফিসারটা ভেতরে ছিল, সে আমাকে ভেতরে নিতে জাস্ট বাইরে এসে দাঁড়িয়েছে, সঙ্গে সঙ্গে দরজাটা বন্ধ করে তালা দিয়ে দেয় তারা। আমি গাড়ি থেকে নেমে বেকুব হয়ে গেলাম, আমি আর ঢুকতে পারি না। আমি গেছি একটা সন্তানহারা মাকে সহানুভূতি দেখাতে। আর সেখানে এইভাবে অপমান করে ফেরত দিয়েছে আমাকে।’

‘আমি গেলাম সহানুভূতি দেখাতে, অপমান করে ফেরত দিয়েছে আমাকে’

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:১৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
‘আমি গেলাম সহানুভূতি দেখাতে, অপমান করে ফেরত দিয়েছে আমাকে’
খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে তার গুলশান কার্যালয়ে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকতে না পেরে ফিরে যান (গাড়িতে বসা) তিনি। ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, খালেদা জিয়ার ছেলে কোকো মারা গেলো, আমি গেলাম সহানুভূতি দেখাতে। কিন্তু আমাকে বাসায় ঢুকতে দিল না।অপমান করে ফেরত দিয়েছে আমাকে।

বুধবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে আওয়ামী যুবলীগের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি হঠাৎ করে যাইনি। আমার এখান থেকে আমার মিলিটারি সেক্রেটারি যোগাযোগ করেছে। এডিসি যোগাযোগ করেছে। সময় নির্দিষ্ট করা হয়েছে। আমি সময় মতো গেছি। আমার এখান থেকে এসএসএফ গেছে, সেখানে তারা দেখেছে কোথায় যাব। আমি যখন রওনা হয়ে গেছি, গুলশান রোডে ঢুকছি তখন শুনলাম ওই বাড়ির মেইন গেট খুলবে না, আমার গাড়ি ঢুকতে দেবে না। তা আমি বললাম- এতদূর যখন চলে আসছি ফিরে আসব কেন? পাশে নিশ্চয়ই পকেট গেট আছে, সেখান দিয়ে যাব। 

‘যখনই আমার গাড়িটা বাড়ির সামনে থেমেছে আমার যে এসএসএফ অফিসারটা ভেতরে ছিল, সে আমাকে ভেতরে নিতে জাস্ট বাইরে এসে দাঁড়িয়েছে, সঙ্গে সঙ্গে দরজাটা বন্ধ করে তালা দিয়ে দেয় তারা। আমি গাড়ি থেকে নেমে বেকুব হয়ে গেলাম, আমি আর ঢুকতে পারি না। আমি গেছি একটা সন্তানহারা মাকে সহানুভূতি দেখাতে। আর সেখানে এইভাবে অপমান করে ফেরত দিয়েছে আমাকে।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর