আলালকে ক্ষমা চাইতে বললেন ওবায়দুল কাদের
jugantor
আলালকে ক্ষমা চাইতে বললেন ওবায়দুল কাদের

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ১৮:৫৩:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

আলালকে ক্ষমা চাইতে বললেন ওবায়দুল কাদের

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে ক্ষমা চাইতে বলেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে অশ্লীল বক্তব্য প্রদানকারী অভিযুক্ত বিএনপি নেতাকে জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তা না হলে ধরে নেব, এটা বিএনপির দলীয় বক্তব্য। সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ তা রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করবে। আশা করছি, বিএনপি নেতাদের শুভবুদ্ধির উদয় হবে।’

বৃস্পতিবার গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ আহ্বান জানান।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, জিয়া পরিবারের সদস্যদের অনেক কীর্তি এদেশের মানুষ জানে। কিন্তু সেসব পরিবারের গণ্ডি পেরিয়ে রাজনীতির মাঠে আসুক তা আমরা চাই না। কিন্তু বিএনপি নেতারা আজ সে প্যান্ডোরার বাক্স উন্মুক্ত করতে উসকানি দিচ্ছেন স্পষ্টত।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি নেতারা এতটাই অন্ধ এবং ফরমায়েশ নির্ভর হয়ে গেছেন যে, দলের একজন নেতা মিথ্যাচার করল, অশালীন কথা বলল; অথচ সিনিয়র নেতারা তার পক্ষেই সাফাই গাইলেন। আবার তারা সরকারকে মানবিক হওয়ার সবক দেন।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক শিষ্টাচারে বিশ্বাসী। ঐতিহ্যগতভাবেই রাজনীতিতে বিনয়, সহমর্মিতা, পরমতসহিষ্ণুতা চর্চা করে। দলে কিংবা সরকারে কেউ শিষ্টাচারবহির্ভূত কাজ করলে তাকে ছাড় দেওয়া হয় না। একথা দেশরত্ন শেখ হাসিনা বারবার প্রমাণ করেছেন। যত বড় রাজনৈতিক পরিচয় হোক, অন্যায়, অনিয়ম কিংবা রাজনৈতিক শিষ্টাচার অথবা শৃঙ্খলাবহির্ভূত কাজ করলে দল কখনো তার পক্ষে দাঁড়ায় না।

আলালকে ক্ষমা চাইতে বললেন ওবায়দুল কাদের

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আলালকে ক্ষমা চাইতে বললেন ওবায়দুল কাদের
সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। ফাইল ছবি

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে ক্ষমা চাইতে বলেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে অশ্লীল বক্তব্য প্রদানকারী অভিযুক্ত বিএনপি নেতাকে জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তা না হলে ধরে নেব, এটা বিএনপির দলীয় বক্তব্য। সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ তা রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করবে। আশা করছি, বিএনপি নেতাদের শুভবুদ্ধির উদয় হবে।’ 

বৃস্পতিবার গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ আহ্বান জানান।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, জিয়া পরিবারের সদস্যদের অনেক কীর্তি এদেশের মানুষ জানে। কিন্তু সেসব পরিবারের গণ্ডি পেরিয়ে রাজনীতির মাঠে আসুক তা আমরা চাই না। কিন্তু বিএনপি নেতারা আজ সে প্যান্ডোরার বাক্স উন্মুক্ত করতে উসকানি দিচ্ছেন স্পষ্টত। 

তিনি বলেন, ‘বিএনপি নেতারা এতটাই অন্ধ এবং ফরমায়েশ নির্ভর হয়ে গেছেন যে, দলের একজন নেতা মিথ্যাচার করল, অশালীন কথা বলল; অথচ সিনিয়র নেতারা তার পক্ষেই সাফাই গাইলেন। আবার তারা সরকারকে মানবিক হওয়ার সবক দেন।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক শিষ্টাচারে বিশ্বাসী। ঐতিহ্যগতভাবেই রাজনীতিতে বিনয়, সহমর্মিতা, পরমতসহিষ্ণুতা চর্চা করে। দলে কিংবা সরকারে কেউ শিষ্টাচারবহির্ভূত কাজ করলে তাকে ছাড় দেওয়া হয় না। একথা দেশরত্ন শেখ হাসিনা বারবার প্রমাণ করেছেন। যত বড় রাজনৈতিক পরিচয় হোক, অন্যায়, অনিয়ম কিংবা রাজনৈতিক শিষ্টাচার অথবা শৃঙ্খলাবহির্ভূত কাজ করলে দল কখনো তার পক্ষে দাঁড়ায় না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর