আ.লীগের পালানোর ইতিহাস নেই: কাদের
jugantor
আ.লীগের পালানোর ইতিহাস নেই: কাদের

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১১ আগস্ট ২০২২, ২১:৫৬:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আপনারা (বিএনপি) প্রতিদিনই সরকারের পতন দেখতে পাচ্ছেন। প্রতিদিনই বলেন, সরকার পালিয়ে যাবে। কোথায় পালাব? আওয়ামী লীগের পালানোর ইতিহাস নেই, প্রয়োজনে জেলে যাব। আওয়ামী লীগ মাঠে নামলে বিএনপির আন্দোলন কর্পূরের মতো উবে যাবে।

বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির সঙ্গে সহযোগী সংগঠনের জরুরি সভায় বৃহস্পতিবার তিনি এসব কথা বলেন। তার সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আবদুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম ও আফজাল হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা ফরিদুন্নাহার লাইলী, বিপ্লব বড়ুয়া, সুজিত রায় নন্দী, আমিনুল ইসলাম আমিন প্রমুখ।

ওবায়দুল কাদেরের সূচনা বক্তব্যের পর রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ ও বাহাউদ্দিন নাছিম, মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, উত্তরের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান বক্তব্য দেন।

বিএনপিকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, পালাবার দল আপনারা। আপনাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কোথায়? জরুরি সরকারের কাছে মুচলেকা দিয়ে এখান থেকে পালিয়ে গেছেন। এখন আওয়ামী লীগের পালানোর কথা বলছেন। এ সময় দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, আপনারা সবাই প্রস্তুত আছেন? আছেন মাঠে? খেলা হবে, মোকাবিলা হবে।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিরোধী দলগুলোর কর্মসূচি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা তো গণতন্ত্রের বিষয়। আমরা তাদের বাধা দেব কেন? তবে তারা যদি এ আন্দোলনে সহিংসতার উপাদান যুক্ত করে, আগুন-সন্ত্রাস নিয়ে মাঠে নামে আমরা কি নীরব হয়ে বসে থাকব? আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কি আঙুল চুষবে? প্রতিরোধ করতে হবে। প্রতিবাদ করতে হবে। রাজপথে মোকাবিলা হবে।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটকে নির্বাচনি জোট হিসাবে আখ্যায়িত করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটি কৌশলগত জোট। এখানে আদর্শের কোনো বিষয় নেই। জোটের শরিকদের দলীয় কর্মসূচি দেওয়ার অধিকার আছে। তারা করতে চাইলে করবে।

এ সময় ওবায়দুল কাদের জানান, সিরিজ বোমা হামলা দিবসে ১৭ আগস্ট বিকাল ৪টায় তারা রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন চত্বরে সবাই মিলিত হবেন। কিছুক্ষণ সমাবেশ করার পর মিছিল সহকারে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ পর্যন্ত যাবেন। এ কর্মসূচি জেলা, উপজেলা, থানা ও ইউনিয়নেও পালন করা হবে।

আ.লীগের পালানোর ইতিহাস নেই: কাদের

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১১ আগস্ট ২০২২, ০৯:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আপনারা (বিএনপি) প্রতিদিনই সরকারের পতন দেখতে পাচ্ছেন। প্রতিদিনই বলেন, সরকার পালিয়ে যাবে। কোথায় পালাব? আওয়ামী লীগের পালানোর ইতিহাস নেই, প্রয়োজনে জেলে যাব। আওয়ামী লীগ মাঠে নামলে বিএনপির আন্দোলন কর্পূরের মতো উবে যাবে। 

বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির সঙ্গে সহযোগী সংগঠনের জরুরি সভায় বৃহস্পতিবার তিনি এসব কথা বলেন। তার সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আবদুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম ও আফজাল হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা ফরিদুন্নাহার লাইলী, বিপ্লব বড়ুয়া, সুজিত রায় নন্দী, আমিনুল ইসলাম আমিন প্রমুখ।

ওবায়দুল কাদেরের সূচনা বক্তব্যের পর রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ ও বাহাউদ্দিন নাছিম, মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, উত্তরের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান বক্তব্য দেন।

বিএনপিকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, পালাবার দল আপনারা। আপনাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কোথায়? জরুরি সরকারের কাছে মুচলেকা দিয়ে এখান থেকে পালিয়ে গেছেন। এখন আওয়ামী লীগের পালানোর কথা বলছেন। এ সময় দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, আপনারা সবাই প্রস্তুত আছেন? আছেন মাঠে? খেলা হবে, মোকাবিলা হবে। 

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিরোধী দলগুলোর কর্মসূচি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা তো গণতন্ত্রের বিষয়। আমরা তাদের বাধা দেব কেন? তবে তারা যদি এ আন্দোলনে সহিংসতার উপাদান যুক্ত করে, আগুন-সন্ত্রাস নিয়ে মাঠে নামে আমরা কি নীরব হয়ে বসে থাকব? আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কি আঙুল চুষবে? প্রতিরোধ করতে হবে। প্রতিবাদ করতে হবে। রাজপথে মোকাবিলা হবে।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটকে নির্বাচনি জোট হিসাবে আখ্যায়িত করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটি কৌশলগত জোট। এখানে আদর্শের কোনো বিষয় নেই। জোটের শরিকদের দলীয় কর্মসূচি দেওয়ার অধিকার আছে। তারা করতে চাইলে করবে। 

এ সময় ওবায়দুল কাদের জানান, সিরিজ বোমা হামলা দিবসে ১৭ আগস্ট বিকাল ৪টায় তারা রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন চত্বরে সবাই মিলিত হবেন। কিছুক্ষণ সমাবেশ করার পর মিছিল সহকারে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ পর্যন্ত যাবেন। এ কর্মসূচি জেলা, উপজেলা, থানা ও ইউনিয়নেও পালন করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন