‘খেলা হবে’ রাজনৈতিক স্লোগান হতে পারে না: তোফায়েল
jugantor
‘খেলা হবে’ রাজনৈতিক স্লোগান হতে পারে না: তোফায়েল

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ২১:৪৮:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এমপি বলেছেন, আমি একটা কথা বলে যাই ব্যক্তিগতভাবে, ক্ষমা করবেন আমাকে। এই যে আমরা আজকাল একটা স্লোগান বের করেছি, ‘খেলা হবে, খেলা হবে’। আমার দৃষ্টিতে এটা কোনো রাজনৈতিক স্লোগান নয়। এটা রাজনৈতিক স্লোগান হতে পারে না।

আওয়ামী লীগের এই প্রবীণ নেতা বলেন, পলিটিক্সে মারপিট হবে। পলিটিক্যালি আমার বক্তব্য আমি দেব। কী একটা কথা (খেলা হবে), শুনতেও ভালো শোনা যায় না। হয়তো আমার ওপর কেউ অসন্তুষ্ট হতে পারেন। কিন্তু আমার বিবেক বলে- এই স্লোগান এভাবে না দেওয়া উচিত।

শনিবার রাজধানীর ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহিদ শেখ ফজলুল হক মণির ৮৪তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় বিএনপি পল্টনে ছোট জায়গায় সমাবেশ করে বেশি লোক দেখাতে চায় বলেও মন্তব্য করেন তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন, আমাদের জীবনে যত বড় বড় সভা সবগুলো আমরা রেসকোর্স ময়দানে (সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে) করেছি। আজকে বিএনপি গোঁ ধরেছে, তারা পল্টনে সভা করবে। পল্টন মানে কী? বিএনপি অফিসের সামনে? সেখানে ১০-২০ হাজার লোক হলেই তো ভরে যায়। অর্থাৎ তারা চাচ্ছে যেন বলতে পারে- লাখ লাখ লোক হয়েছে। এই ‘ব্লাফ’ দেওয়ার জন্য তারা এটা করছে।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে। উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ব্যাহত করতে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে তারা (বিএনপি)। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকার পতনের হুমকি দিচ্ছেন উল্লে­খ করে তোফায়েল আহমেদ বলেন, সরকার পতন এত সহজ নয়। আওয়ামী লীগ তৃণমূলে বিস্তৃত দল। কেউ যাতে দেশ নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে, সে ব্যাপারে যুবলীগ সতর্ক থাকবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শেখ ফজলুল হক মণির স্মৃতিচারণ করে তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমি যতটুকু হয়েছি তার সবচেয়ে অবদান মণি ভাইয়ের। তিনি শুধু নেতা ছিলেন না, নেতা তৈরি করতেন। আমার সৌভাগ্য তার সঙ্গ পেয়েছিলাম। মণি ভাই ছিলেন আমার প্রিয় নেতা। আমি যখন বরিশালে বিএম কলেজে পড়তাম, তখন তিনি আমার হোস্টেলে গিয়েছিলেন। আমাকে বলেছিলেন, ‘তুমি আমার সঙ্গে ছাত্রলীগের রাজনীতি করো।’ তখন মণি ভাই ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তারপর থেকে আমার ছাত্রলীগে যাত্রা শুরু। তার সঙ্গে অনেক স্মৃতি। তাকে গ্রেফতার করার পরে ১৯৬৭ সালে মুক্তি পেয়েছিলেন। আমরা একসঙ্গে মুজিব বাহিনীতে ছিলাম।

যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সাংবাদিক নেতা মনজুরুল আহসান বুলবুল, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলসহ সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য দেন।

‘খেলা হবে’ রাজনৈতিক স্লোগান হতে পারে না: তোফায়েল

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০৯:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এমপি বলেছেন, আমি একটা কথা বলে যাই ব্যক্তিগতভাবে, ক্ষমা করবেন আমাকে। এই যে আমরা আজকাল একটা স্লোগান বের করেছি, ‘খেলা হবে, খেলা হবে’। আমার দৃষ্টিতে এটা কোনো রাজনৈতিক স্লোগান নয়। এটা রাজনৈতিক স্লোগান হতে পারে না। 

আওয়ামী লীগের এই প্রবীণ নেতা বলেন, পলিটিক্সে মারপিট হবে। পলিটিক্যালি আমার বক্তব্য আমি দেব। কী একটা কথা (খেলা হবে), শুনতেও ভালো শোনা যায় না। হয়তো আমার ওপর কেউ অসন্তুষ্ট হতে পারেন। কিন্তু আমার বিবেক বলে- এই স্লোগান এভাবে না দেওয়া উচিত।

শনিবার রাজধানীর ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহিদ শেখ ফজলুল হক মণির ৮৪তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

এ সময় বিএনপি পল্টনে ছোট জায়গায় সমাবেশ করে বেশি লোক দেখাতে চায় বলেও মন্তব্য করেন তোফায়েল আহমেদ। তিনি বলেন, আমাদের জীবনে যত বড় বড় সভা সবগুলো আমরা রেসকোর্স ময়দানে (সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে) করেছি। আজকে বিএনপি গোঁ ধরেছে, তারা পল্টনে সভা করবে। পল্টন মানে কী? বিএনপি অফিসের সামনে? সেখানে ১০-২০ হাজার লোক হলেই তো ভরে যায়। অর্থাৎ তারা চাচ্ছে যেন বলতে পারে- লাখ লাখ লোক হয়েছে। এই ‘ব্লাফ’ দেওয়ার জন্য তারা এটা করছে।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে। উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ব্যাহত করতে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে তারা (বিএনপি)। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকার পতনের হুমকি দিচ্ছেন উল্লে­খ করে তোফায়েল আহমেদ বলেন, সরকার পতন এত সহজ নয়। আওয়ামী লীগ তৃণমূলে বিস্তৃত দল। কেউ যাতে দেশ নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে, সে ব্যাপারে যুবলীগ সতর্ক থাকবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। 

শেখ ফজলুল হক মণির স্মৃতিচারণ করে তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমি যতটুকু হয়েছি তার সবচেয়ে অবদান মণি ভাইয়ের। তিনি শুধু নেতা ছিলেন না, নেতা তৈরি করতেন। আমার সৌভাগ্য তার সঙ্গ পেয়েছিলাম। মণি ভাই ছিলেন আমার প্রিয় নেতা। আমি যখন বরিশালে বিএম কলেজে পড়তাম, তখন তিনি আমার হোস্টেলে গিয়েছিলেন। আমাকে বলেছিলেন, ‘তুমি আমার সঙ্গে ছাত্রলীগের রাজনীতি করো।’ তখন মণি ভাই ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তারপর থেকে আমার ছাত্রলীগে যাত্রা শুরু। তার সঙ্গে অনেক স্মৃতি। তাকে গ্রেফতার করার পরে ১৯৬৭ সালে মুক্তি পেয়েছিলেন। আমরা একসঙ্গে মুজিব বাহিনীতে ছিলাম।

যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সাংবাদিক নেতা মনজুরুল আহসান বুলবুল, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলসহ সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য দেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর