‘সোহরাওয়ার্দীতে পাকিস্তানিরা আত্মসমর্পণ করেছিল, সেখানে যেতে বিএনপির অনীহা কেন’
jugantor
‘সোহরাওয়ার্দীতে পাকিস্তানিরা আত্মসমর্পণ করেছিল, সেখানে যেতে বিএনপির অনীহা কেন’

  সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক  

০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ২৩:০২:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সরকার কাউকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেবে না। আমাদের নেতাকর্মীদেরও কর্তব্য আছে। ১০ ডিসেম্বর কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালালে তারা দেশের মানুষকে নিয়ে তাদের প্রতিহত করবে। সরকার সারা দেশে বিএনপির সমাবেশে নিরাপত্তা দিয়েছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেও দেবে।

বিএনপির ঢাকার সমাবেশ নিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, পুলিশের সাথে আলোচনাকালে বিএনপি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান চেয়েছিল, বরাদ্দও হয়েছে। কিন্তু তারা এখন রাস্তার বদলে রাস্তা চেয়ে বেড়াচ্ছে। যে ময়দান থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ডাক দিয়েছেন, যে ময়দানে পাকিস্তানিরা আত্মসমর্পণ করেছিল, যেখানে তারাও অতীতে অনেক জনসভা করেছে, আমরা তো নিয়মিতভাবেই করি, সেখানে তাদের যেতে এত অস্বীকৃতি, অনীহা কেন। তারা শুধু রাস্তায় জনসভা করতে চায়, গাড়িঘোড়া ভাঙচুর করতে চায়, জনজীবনে বিপত্তি ঘটাতে চায়।

ড. হাছান বলেন, সমাবেশের জন্য মাঠের বিকল্প হিসাবে বিএনপি আরেকটা মাঠের কথা বলতে পারে। সোহরাওয়ার্দীতে না চাইলে তারা বাণিজ্যমেলার মাঠ বা আরও বড় বিশ্ব ইজতেমার মাঠ যেখানে ২০ লাখ মানুষ ধরে, না হলে কামরাঙ্গিরচরের মাঠেও যেতে পারে। তারা সেটা বলে না। বলে, এই রাস্তা না হয় ওই রাস্তা। মতিঝিলের রাস্তা যেখানে অনেক ব্যাংক, বিমা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে, সেটি কেন তাদের এত পছন্দ? এটির পেছনেও গভীর ষড়যন্ত্র, দুরভিসন্ধি আছে। প্রকৃতপক্ষে তারা কোনো জনসভা করতে চায় না। এটিকে ইস্যু বানাতে চায় এবং দেশে একটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টায় আছে তারা।

বিএনপি নেতা ইশরাক এবং রুহুল কবীর রিজভীর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, আগুনসন্ত্রাসীরা তো বিএনপির নেতাকর্মী। আগুনসন্ত্রাস করার জন্য বিএনপির নেতারাই নির্দেশ এবং অর্থ দিয়েছিল। সে সবের অডিও রেকর্ডও আমাদের কাছে আছে। আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা দিয়েছে, এখন পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। এখানে সরকারের কোনো হাত নেই।

বিএনপি নেতারা ঘনঘন বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করছেন- এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী হাছান বলেন, এ দেশের মালিক জনগণ। কূটনীতিকরা কাউকে ক্ষমতায় বসানোর ক্ষমতা রাখেন না। সুতরাং কূটনীতিকদের কাছে বারবার ছুটে গিয়ে বরং তারা নিজেদের দেউলিয়াত্ব প্রমাণ করছে।

এর আগে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরামের সঙ্গে কপ-২৭ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি বিষয়ে মতবিনিময় করেন মন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ফোরামের সভাপতি কাওসার রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক মাসুদ উল হক, সদস্য সাজু রহমান, হাবিব রহমান প্রমুখ সভায় অংশ নেন। পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মির্জা শওকত আলী মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

‘সোহরাওয়ার্দীতে পাকিস্তানিরা আত্মসমর্পণ করেছিল, সেখানে যেতে বিএনপির অনীহা কেন’

 সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক 
০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:০২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সরকার কাউকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেবে না। আমাদের নেতাকর্মীদেরও কর্তব্য আছে। ১০ ডিসেম্বর কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালালে তারা দেশের মানুষকে নিয়ে তাদের প্রতিহত করবে। সরকার সারা দেশে বিএনপির সমাবেশে নিরাপত্তা দিয়েছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেও দেবে। 

বিএনপির ঢাকার সমাবেশ নিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। 

মন্ত্রী বলেন, পুলিশের সাথে আলোচনাকালে বিএনপি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান চেয়েছিল, বরাদ্দও হয়েছে। কিন্তু তারা এখন রাস্তার বদলে রাস্তা চেয়ে বেড়াচ্ছে। যে ময়দান থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ডাক দিয়েছেন, যে ময়দানে পাকিস্তানিরা আত্মসমর্পণ করেছিল, যেখানে তারাও অতীতে অনেক জনসভা করেছে, আমরা তো নিয়মিতভাবেই করি, সেখানে তাদের যেতে এত অস্বীকৃতি, অনীহা কেন। তারা শুধু রাস্তায় জনসভা করতে চায়, গাড়িঘোড়া ভাঙচুর করতে চায়, জনজীবনে বিপত্তি ঘটাতে চায়। 

ড. হাছান বলেন, সমাবেশের জন্য মাঠের বিকল্প হিসাবে বিএনপি আরেকটা মাঠের কথা বলতে পারে। সোহরাওয়ার্দীতে না চাইলে তারা বাণিজ্যমেলার মাঠ বা আরও বড় বিশ্ব ইজতেমার মাঠ যেখানে ২০ লাখ মানুষ ধরে, না হলে কামরাঙ্গিরচরের মাঠেও যেতে পারে। তারা সেটা বলে না। বলে, এই রাস্তা না হয় ওই রাস্তা। মতিঝিলের রাস্তা যেখানে অনেক ব্যাংক, বিমা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে, সেটি কেন তাদের এত পছন্দ? এটির পেছনেও গভীর ষড়যন্ত্র, দুরভিসন্ধি আছে। প্রকৃতপক্ষে তারা কোনো জনসভা করতে চায় না। এটিকে ইস্যু বানাতে চায় এবং দেশে একটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টায় আছে তারা। 

বিএনপি নেতা ইশরাক এবং রুহুল কবীর রিজভীর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, আগুনসন্ত্রাসীরা তো বিএনপির নেতাকর্মী। আগুনসন্ত্রাস করার জন্য বিএনপির নেতারাই নির্দেশ এবং অর্থ দিয়েছিল। সে সবের অডিও রেকর্ডও আমাদের কাছে আছে। আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা দিয়েছে, এখন পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। এখানে সরকারের কোনো হাত নেই। 

বিএনপি নেতারা ঘনঘন বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করছেন- এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী হাছান বলেন, এ দেশের মালিক জনগণ। কূটনীতিকরা কাউকে ক্ষমতায় বসানোর ক্ষমতা রাখেন না। সুতরাং কূটনীতিকদের কাছে বারবার ছুটে গিয়ে বরং তারা নিজেদের দেউলিয়াত্ব প্রমাণ করছে। 

এর আগে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরামের সঙ্গে কপ-২৭ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি বিষয়ে মতবিনিময় করেন মন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ফোরামের সভাপতি কাওসার রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক মাসুদ উল হক, সদস্য সাজু রহমান, হাবিব রহমান প্রমুখ সভায় অংশ নেন। পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মির্জা শওকত আলী মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন