‘খালেদা জিয়ার সাজার স্থগিতাদেশ বাড়াতে আবেদনের সিদ্ধান্ত এখনও নেয়নি পরিবার’
jugantor
‘খালেদা জিয়ার সাজার স্থগিতাদেশ বাড়াতে আবেদনের সিদ্ধান্ত এখনও নেয়নি পরিবার’

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৮ আগস্ট ২০২০, ২৩:৩৩:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

‘খালেদা জিয়ার সাজার স্থগিতাদেশ বাড়াতে আবেদনের সিদ্ধান্ত এখনও নেয়নি পরিবার’

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের সময় বাড়াতে তার পরিবার এখনও সরকারের কাছে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ফখরুল বলেন, অতীতের মতো পরিবারের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেয়া হবে। যেহেতু তারা আগে আবেদন করে সরকারের সঙ্গে কথা বলে সাজা স্থগিত করেছিলেন। এখনও যেহেতু ম্যাডাম সুস্থ হননি। তিনি একেবারেই আগের অবস্থাতেই আছেন। সুতরাং সাজা স্থগিতের সময়টা বাড়ানো এখন জরুরি প্রয়োজন। সময় মতোই পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হতে পারে।

শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনাকালে তিনি এসব কথা বলেন।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসা যেটা চলছিল সেটাই চলছে। হাসপাতালের ডাক্তাররা যেটা চিকিৎসা দিয়েছিলেন সেটাকেই ফলোআপ করছেন এখন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকেরা। এখন যতটুকু সম্ভব লন্ডনের অবস্থানরত বড় ছেলে তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসাটা চলছে।

এর আগে পরিবারের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার ছোটভাই শামীম ইস্কান্দার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার বোনের শারীরিক অবস্থা জানিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য মুক্তি চেয়ে আবেদন করেন। সেই আবেদন বিবেচনায় নিয়ে গত ২৫ মার্চ সরকার তার নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়ার সাজা ৬ মাসের জন্য স্থগিত করে মুক্তি প্রদান করে। এই স্থগিতাদেশে বলা হয়েছিল যে, খালেদা জিয়া গুলশানের বাসায় থেকে চিকিৎসা নেবেন এবং তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না। সাজা স্থগিতাদেশের সেই মেয়াদ শেষ হবে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর।

২৫ মার্চ বিএসএমএমইউ’র কেবিন ব্লক থেকে মুক্ত হওয়ার পর থেকে গুলশানে ‘ফিরোজা’য় খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে। খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য তার ব্যক্তিগত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটা টিম রয়েছে। প্রতি সপ্তাহে তারা তার চিকিৎসার বিষয়টি পর্যালোচনা করেন বলে জানান চিকিৎসক টিমের সদস্য অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।

৭৫ বছর বয়সী খালেদা জিয়া হাতে ও পায়ের হাঁটুতে আর্থারাইটিসের ব্যথা, ডায়াবেটিক, চোখের সমস্যাসহ বার্ধক্যজনিত সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে নিজে হাঁটতে পারেন না, অন্যের সহযোগিতায় তাকে চলতে হয়। বাসাতে তিনি একান্তে সময় কাটাচ্ছেন। পরিবারের কয়েকজন সদস্য ছাড়া কাউকে বাসায় প্রবেশ করতে দেয়া হয় না।

দুই ঈদে অর্থাৎ ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহাতে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিয়ম করতে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সাক্ষাত করেন।

‘খালেদা জিয়ার সাজার স্থগিতাদেশ বাড়াতে আবেদনের সিদ্ধান্ত এখনও নেয়নি পরিবার’

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৮ আগস্ট ২০২০, ১১:৩৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
‘খালেদা জিয়ার সাজার স্থগিতাদেশ বাড়াতে আবেদনের সিদ্ধান্ত এখনও নেয়নি পরিবার’
খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের সময় বাড়াতে তার পরিবার এখনও সরকারের কাছে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ফখরুল বলেন, অতীতের মতো পরিবারের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেয়া হবে। যেহেতু তারা আগে আবেদন করে সরকারের সঙ্গে কথা বলে সাজা স্থগিত করেছিলেন। এখনও যেহেতু ম্যাডাম সুস্থ হননি। তিনি একেবারেই আগের অবস্থাতেই আছেন। সুতরাং সাজা স্থগিতের সময়টা বাড়ানো এখন জরুরি প্রয়োজন। সময় মতোই পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হতে পারে। 

শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনাকালে তিনি এসব কথা বলেন। 

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসা যেটা চলছিল সেটাই চলছে। হাসপাতালের ডাক্তাররা যেটা চিকিৎসা দিয়েছিলেন সেটাকেই ফলোআপ করছেন এখন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকেরা। এখন যতটুকু সম্ভব লন্ডনের অবস্থানরত বড় ছেলে তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসাটা চলছে।

এর আগে পরিবারের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার ছোটভাই শামীম ইস্কান্দার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার বোনের শারীরিক অবস্থা জানিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য মুক্তি চেয়ে আবেদন করেন। সেই আবেদন বিবেচনায় নিয়ে গত ২৫ মার্চ সরকার তার নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়ার সাজা ৬ মাসের জন্য স্থগিত করে মুক্তি প্রদান করে। এই স্থগিতাদেশে বলা হয়েছিল যে, খালেদা জিয়া গুলশানের বাসায় থেকে চিকিৎসা নেবেন এবং তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না। সাজা স্থগিতাদেশের সেই মেয়াদ শেষ হবে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর।

২৫ মার্চ বিএসএমএমইউ’র কেবিন ব্লক থেকে মুক্ত হওয়ার পর থেকে গুলশানে ‘ফিরোজা’য় খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে। খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য তার ব্যক্তিগত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটা টিম রয়েছে। প্রতি সপ্তাহে তারা তার চিকিৎসার বিষয়টি পর্যালোচনা করেন বলে জানান চিকিৎসক টিমের সদস্য অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।

৭৫ বছর বয়সী খালেদা জিয়া হাতে ও পায়ের হাঁটুতে আর্থারাইটিসের ব্যথা, ডায়াবেটিক, চোখের সমস্যাসহ বার্ধক্যজনিত সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে নিজে হাঁটতে পারেন না, অন্যের সহযোগিতায় তাকে চলতে হয়। বাসাতে তিনি একান্তে সময় কাটাচ্ছেন। পরিবারের কয়েকজন সদস্য ছাড়া কাউকে বাসায় প্রবেশ করতে দেয়া হয় না। 

দুই ঈদে অর্থাৎ ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহাতে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিয়ম করতে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সাক্ষাত করেন।

 

ঘটনাপ্রবাহ : খালেদা জিয়ার মুক্তি

আরও খবর