রিং পরানো হল রিজভীর হার্টে
jugantor
রিং পরানো হল রিজভীর হার্টে

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২১ নভেম্বর ২০২০, ২১:৩৫:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

রিং পরানো হল রিজভীর হার্টে

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর হৃদপিণ্ডে এনজিওপ্লাস্টি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার দুপুরে ধানমণ্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালে অধ্যাপক সোহরাবুজ্জামানের নেতৃত্বে অস্ত্রোপচার করা হয়।

বিএনপির সহ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম জানান, উনার হৃদযন্ত্রের একটা ব্লক ছিল। সেজন্য এনজিওপ্লাস্টি করে একটা রিং পরানো হয়েছে। সিসিইউতে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন।

১৩ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে শ্রমিক দলের মানববন্ধন শেষে দলীয় কার্যালয়ে যাওয়ার সময় রিজভীর হার্ট অ্যাটাক হয়। প্রথমে তাকে কাকরাইলের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে ধানমণ্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তার এনজিওগ্রাম করা হলে হার্টে ব্লক ধরা পড়ে। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় পরদিন

২৮ অক্টোবর রিজভীকে ল্যাবএইড হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। এরপর তিনি চিকিৎসকদের পরামর্শে রাজধানীর আদাবরের বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। ডা. রফিকুল ইসলাম ও ডা মনোয়ারুল কাদির বিটু বাসায় রিজভীর চিকিৎসার নিয়মিত খোঁজখবর রাখছিলেন। এরপর শারীরিক অবস্থা খারাপ হলে আবারও ১৭ নভেম্বর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

রুহুল কবির রিজভীর ব্যক্তিগত সহকারী আরিফুর রহমান তুষার বলেন, স্যার সুস্থতা কামনায় দলীয় নেতাকর্মীসহ দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

রিং পরানো হল রিজভীর হার্টে

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২১ নভেম্বর ২০২০, ০৯:৩৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
রিং পরানো হল রিজভীর হার্টে
ফাইল ছবি

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর হৃদপিণ্ডে এনজিওপ্লাস্টি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার দুপুরে ধানমণ্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালে অধ্যাপক সোহরাবুজ্জামানের নেতৃত্বে অস্ত্রোপচার করা হয়।

বিএনপির সহ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম জানান, উনার হৃদযন্ত্রের একটা ব্লক ছিল। সেজন্য এনজিওপ্লাস্টি করে একটা রিং পরানো হয়েছে। সিসিইউতে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন।

১৩ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে শ্রমিক দলের মানববন্ধন শেষে দলীয় কার্যালয়ে যাওয়ার সময় রিজভীর হার্ট অ্যাটাক হয়। প্রথমে তাকে কাকরাইলের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে ধানমণ্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তার এনজিওগ্রাম করা হলে হার্টে ব্লক ধরা পড়ে। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় পরদিন 

২৮ অক্টোবর রিজভীকে ল্যাবএইড হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। এরপর তিনি চিকিৎসকদের পরামর্শে রাজধানীর আদাবরের বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। ডা. রফিকুল ইসলাম ও ডা মনোয়ারুল কাদির বিটু বাসায় রিজভীর চিকিৎসার নিয়মিত খোঁজখবর রাখছিলেন। এরপর শারীরিক অবস্থা খারাপ হলে আবারও ১৭ নভেম্বর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

রুহুল কবির রিজভীর ব্যক্তিগত সহকারী আরিফুর রহমান তুষার বলেন, স্যার সুস্থতা কামনায় দলীয় নেতাকর্মীসহ দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

 
আরও খবর