বাংলাদেশে ধনী হওয়া দ্রুত গতিতে সম্ভব: খন্দকার মোশাররফ
jugantor
বাংলাদেশে ধনী হওয়া দ্রুত গতিতে সম্ভব: খন্দকার মোশাররফ

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২২ নভেম্বর ২০২০, ১৮:৫৩:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশে ধনী হওয়া দ্রুত গতিতে সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

রোববার গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিএনপির স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক খন্দকার মোশাররফের সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে ছিলেনকমিটির সদস্য সচিব বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম।

মুক্তিযুদ্ধের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৫০ বছর পরে গণতন্ত্রের আজকে কী অবস্থা? শুধু ব্যক্তি স্বার্থে, ক্ষমতায় থাকার স্বার্থে গণতন্ত্রের টুঁটি চেপে হত্যা করা হয়েছে। এটা এবার প্রথম না, যারা আছে ক্ষমতায় তারা বাকশাল প্রতিষ্ঠা করে আগেই কিন্তু গণতন্ত্র হত্যা করেছিল। আজকে যদি দেশের অর্থনৈতিক ইনডেক্সগুলো দেখা যায়, সারা পৃথিবীর হিসেবে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশ হচ্ছে সবচেয়ে বেশি বৈষম্যমূলক দেশ। এদেশে ধনী অনেক বেশি। এদেশে ধনী হওয়া দ্রুত গতিতে সম্ভব। এদেশে সম্পদের যে বিশাল বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে এই ১২ বছরের সরকারের সময়ে বিশেষভাবে, এটা জনগণ ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রত্যাশা ছিল না, প্রত্যাশা ছিল সাম্যের। এদেশের সম্পদের যার যার সামর্থ অনুযায়ী, যার যার ক্ষমতা অনুযায়ী, যার যার উপযুক্ত অনুযায়ী সমান অধিকার পাবে। সেটা আমরা এখনও অর্জন করতে পারিনি।

সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ বলেন, আমরা আমাদের ব্যক্তি, রাজনৈতিক স্বাধীনতার কথা বলছি- সেটা বর্তমানে ভূলুণ্ঠিত। আজকে মিডিয়া সত্য কথা বলতে পারে না। সত্য কথা বললে গুম হয়ে যায়, সত্য কথা বললে হত্যা করা হয়। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল আমরা যার যার কথা বলব এবং শোনার জন্য ধৈর্য থাকতে হবে- এই স্বাধীনতা আজকে নাই। এ পরিস্থিতি পরিবর্তন দরকার।

বাংলাদেশে ধনী হওয়া দ্রুত গতিতে সম্ভব: খন্দকার মোশাররফ

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২২ নভেম্বর ২০২০, ০৬:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশে ধনী হওয়া দ্রুত গতিতে সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। 

রোববার গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।  

বিএনপির স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক খন্দকার মোশাররফের সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন কমিটির সদস্য সচিব বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম।

মুক্তিযুদ্ধের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৫০ বছর পরে গণতন্ত্রের আজকে কী অবস্থা? শুধু ব্যক্তি স্বার্থে, ক্ষমতায় থাকার স্বার্থে গণতন্ত্রের টুঁটি চেপে হত্যা করা হয়েছে। এটা এবার প্রথম না, যারা আছে ক্ষমতায় তারা বাকশাল প্রতিষ্ঠা করে আগেই কিন্তু গণতন্ত্র হত্যা করেছিল। আজকে যদি দেশের অর্থনৈতিক ইনডেক্সগুলো দেখা যায়, সারা পৃথিবীর হিসেবে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশ হচ্ছে সবচেয়ে বেশি বৈষম্যমূলক দেশ। এদেশে ধনী অনেক বেশি। এদেশে ধনী হওয়া দ্রুত গতিতে সম্ভব। এদেশে সম্পদের যে বিশাল বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে এই ১২ বছরের সরকারের সময়ে বিশেষভাবে, এটা জনগণ ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রত্যাশা ছিল না, প্রত্যাশা ছিল সাম্যের। এদেশের সম্পদের যার যার সামর্থ অনুযায়ী, যার যার ক্ষমতা অনুযায়ী, যার যার উপযুক্ত অনুযায়ী সমান অধিকার পাবে। সেটা আমরা এখনও অর্জন করতে পারিনি।

সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ বলেন, আমরা আমাদের ব্যক্তি, রাজনৈতিক স্বাধীনতার কথা বলছি- সেটা বর্তমানে ভূলুণ্ঠিত। আজকে মিডিয়া সত্য কথা বলতে পারে না। সত্য কথা বললে গুম হয়ে যায়, সত্য কথা বললে হত্যা করা হয়। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল আমরা যার যার কথা বলব এবং শোনার জন্য ধৈর্য থাকতে হবে- এই স্বাধীনতা আজকে নাই। এ পরিস্থিতি পরিবর্তন দরকার।