সরকার দেশকে লাইফ সাপোর্টে নিয়ে গেছে: গয়েশ্বর
jugantor
সরকার দেশকে লাইফ সাপোর্টে নিয়ে গেছে: গয়েশ্বর

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৪ নভেম্বর ২০২০, ২০:৩০:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

সরকার দেশকে লাইফ সাপোর্টে নিয়ে গেছে: গয়েশ্বর

সরকার দেশকে লাইফ সাপোর্টে নিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, এখন ইনডিভিজুয়ালি কোন দল, কোন ব্যক্তি লাইফ সাপোর্টে আছে- এটা নির্ণয় করা তো খুব কঠিন। কারণ দেশটা টিকবে কিনা- সেটা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছে মানুষ। কে যে ভেন্টিলেশনে আছেন, কে যে নাই- এটা অনুধাবন বা উপলব্ধি করতে যদি পারতেন তাহলে অনেক আগেই মন্ত্রিসভা ছেড়ে দিতেন।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় এক দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৫৬তম জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীকে ঘিরে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে গয়েশ্বর বলেন, তিনি বাংলাদেশের একজন অবিসংবাদিত নেতা, তাকে ছোট করে ভাবার কোনো কারণ নাই। শেখ মুজিবুর রহমানের ৩৬৫ দিনের জন্মদিন পালন হচ্ছে মুজিব জন্মশতবার্ষিকীতে। ব্যাংক, বীমা, শিল্প, কলকারখানা মালিকরা বলতে পারবেন তাদের থেকে কত টাকা আদায় করা হয়েছে। কী পরিমাণ চাঁদাবাজি হয়েছে আর কী পরিমাণ রাষ্ট্রীয় টাকা খরচ হয়েছে তার তো হিসাব নাই। এগুলো যদি একখানে করা হয় একটা জন্মদিনের, তাহলে বাংলাদেশের এক বছরের বাজেটের টাকা হবে।

গয়েশ্বর বলেন, এই জন্মদিন পালন করতে গিয়ে অতি উৎসাহীরা শেখ মুজিবকে বাথরুমের মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছে। ওদের টিস্যুর মধ্যে শেখ মুজিবের ছবি ছাপাইছে। অথচ এই ব্যক্তিটির জীবনে যতটুকু অবদান আছে, সেই অবদানের জন্য বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, সংগ্রামের ইতিহাসে একটা বিরাট অংশ তিনি দখল করে আছেন।

বিএনপির নেতৃত্বের জন্মদিন পালনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমরা জিয়াউর রহমানের জন্মদিন পালন করি, খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালন করি, তারেক রহমানের জন্মদিন পালন করি- তার জন্য তো চাঁদা তুলতে হয় না। তার জন্য তো আমাদের সরকারের কাছে টাকা চাইতে হয় না। তার জন্য তো ‘করতেই হবে’ এ কথা বলতে হয় না।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, চিন্তা এবং দুশ্চিন্তা- দুটো জায়গার মধ্যে বিএনপি আছে, শহীদ জিয়া বীরোত্তম আছেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আছেন, তারেক রহমান আছেন। সাধারণ মানুষের চিন্তার মধ্যে আছে। আর এই স্বৈরাচারী সরকারের দুশ্চিন্তার মধ্যে আছে।

আরেক যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের উদ্দেশে বলেন, আয়নায় নিজের চেহারা দেখুন, নিজের দলের চেহারা দেখুন। আওয়ামী লীগ কি আছে?

কাজী মো. আমির খসরুর সভাপতিত্বে ও মাহবুব আলম বাদলের পরিচালনায় দোয়া মাহফিলে আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশীদ হাবিব ও শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আনোয়ার হোসেইন।

সরকার দেশকে লাইফ সাপোর্টে নিয়ে গেছে: গয়েশ্বর

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৮:৩০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সরকার দেশকে লাইফ সাপোর্টে নিয়ে গেছে: গয়েশ্বর
ফাইল ছবি

সরকার দেশকে লাইফ সাপোর্টে নিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, এখন ইনডিভিজুয়ালি কোন দল, কোন ব্যক্তি লাইফ সাপোর্টে আছে- এটা নির্ণয় করা তো খুব কঠিন। কারণ দেশটা টিকবে কিনা- সেটা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছে মানুষ। কে যে ভেন্টিলেশনে আছেন, কে যে নাই- এটা অনুধাবন বা উপলব্ধি করতে যদি পারতেন তাহলে অনেক আগেই মন্ত্রিসভা ছেড়ে দিতেন।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় এক দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৫৬তম জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীকে ঘিরে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে গয়েশ্বর বলেন, তিনি বাংলাদেশের একজন অবিসংবাদিত নেতা, তাকে ছোট করে ভাবার কোনো কারণ নাই। শেখ মুজিবুর রহমানের ৩৬৫ দিনের জন্মদিন পালন হচ্ছে মুজিব জন্মশতবার্ষিকীতে। ব্যাংক, বীমা, শিল্প, কলকারখানা মালিকরা বলতে পারবেন তাদের থেকে কত টাকা আদায় করা হয়েছে। কী পরিমাণ চাঁদাবাজি হয়েছে আর কী পরিমাণ রাষ্ট্রীয় টাকা খরচ হয়েছে তার তো হিসাব নাই। এগুলো যদি একখানে করা হয় একটা জন্মদিনের, তাহলে বাংলাদেশের এক বছরের বাজেটের টাকা হবে।

গয়েশ্বর বলেন, এই জন্মদিন পালন করতে গিয়ে অতি উৎসাহীরা শেখ মুজিবকে বাথরুমের মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছে। ওদের টিস্যুর মধ্যে শেখ মুজিবের ছবি ছাপাইছে। অথচ এই ব্যক্তিটির জীবনে যতটুকু অবদান আছে, সেই অবদানের জন্য বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, সংগ্রামের ইতিহাসে একটা বিরাট অংশ তিনি দখল করে আছেন। 

বিএনপির নেতৃত্বের জন্মদিন পালনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমরা জিয়াউর রহমানের জন্মদিন পালন করি, খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালন করি, তারেক রহমানের জন্মদিন পালন করি- তার জন্য তো চাঁদা তুলতে হয় না। তার জন্য তো আমাদের সরকারের কাছে টাকা চাইতে হয় না। তার জন্য তো ‘করতেই হবে’ এ কথা বলতে হয় না।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, চিন্তা এবং দুশ্চিন্তা- দুটো জায়গার মধ্যে বিএনপি আছে, শহীদ জিয়া বীরোত্তম আছেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আছেন, তারেক রহমান আছেন। সাধারণ মানুষের চিন্তার মধ্যে আছে। আর এই স্বৈরাচারী সরকারের দুশ্চিন্তার মধ্যে আছে।

আরেক যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের উদ্দেশে বলেন, আয়নায় নিজের চেহারা দেখুন, নিজের দলের চেহারা দেখুন। আওয়ামী লীগ কি আছে? 

কাজী মো. আমির খসরুর সভাপতিত্বে ও মাহবুব আলম বাদলের পরিচালনায় দোয়া মাহফিলে আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশীদ হাবিব ও শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আনোয়ার হোসেইন।