আন্দোলনে কৌশলী হতে বললেন গয়েশ্বর
jugantor
আন্দোলনে কৌশলী হতে বললেন গয়েশ্বর

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ২০:২৬:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

আন্দোলনে কৌশলী হতে বললেন গয়েশ্বর

মহামারীর এই সময়ে কৌশল অবলম্বন করে আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

তিনি বলেন, এই বিজয়ের মাসে আনন্দের পাশাপাশি অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে গণতন্ত্রের চেতনা বোধ থেকে আরেকটি গণতন্ত্রের যুদ্ধ করতে হবে। যে যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ‘হয় মরব না হলে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনব’- এই প্রতিজ্ঞা আমাদের করতে হবে।

শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলামসহ নেতাদের আরোগ্য কামনায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল।

গয়েশ্বর বলেন, একাত্তরে যারা আমাদের সঙ্গে যুদ্ধ করে মারা গেছেন সেই শহীদদের রক্তের ঋণ কি পরিশোধ করার দায়-দায়িত্ব আমাদের নাই? যদি থাকে তাহলে আমরা জীবন-জীবিকার জন্য রাস্তায় মরতে পারি। গণতন্ত্রের আন্দোলন সংগ্রাম থেকে করোনার কথা বলে আমরা পিছিয়ে যাব কেন? আমাদের কোনো না কোনো কৌশল অবলম্বন করে এগিয়ে যেতে হবে।

বিএনপিকে নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তাকে (ওবায়দুল কাদের) বলব, বিএনপি আন্দোলন করেছে অতীতে। আপনার মতো লোককে বিএনপির হাওলাত করে আনতে হবে না। আমাদের নেতা, প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যুদ্ধ করে গাজী হয়েছেন, শহীদ হন নাই। বিএনপির পরবর্তিকালে স্বৈরাচারবিরোধী আপসহীন নেতৃত্বের নাম অথবা গণতন্ত্রের অপর নাম বেগম খালেদা জিয়া, তার কর্মী আমরা। সুতরাং আন্দোলন-সংগ্রামে সফলতা আমাদের আছে। অতীত আমাদের ছিল, ভবিষ্যতেও আমরা সফল হব- এই গ্যারান্টি আমরা দিতে পারি।

গয়েশ্বর বলেন, কিছু বলছি না, কিছু করছি না- তার অর্থ কিন্তু ওবায়দুল কাদের সাহেবকে মুচলেকা দেই নাই আপনাদেরকে ক্ষমতায় চিরস্থায়ী রাখব। জনগণের ক্ষমতা জনগণের হাতে ফেরত আনব- এইটুকু প্রতিশ্রুতি আমি ব্যক্ত করতে চাই।

খালেদা জিয়া ‘গৃহবন্দি’ উল্লে­খ করে গয়েশ্বর বলেন, করোনা শুরুর সময়ে দেশনেত্রীকে রাতারাতি মুক্তি দেয়া হয়েছে। সুতরাং বিষয়টি বুঝতে হবে। অর্থাৎ তার চিকিৎসার দায়ভার শেখ হাসিনা নেয়ার সাহস করে নাই, ইচ্ছা প্রকাশ করে নাই। শেখ হাসিনা তাকে মুক্তি দেবে কেন? আইন আছে, আদালত আছে। আদালতে তিনি জামিন প্রাপ্য।

শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, কেন্দ্রীয় দফতরের চলতি দায়িত্বে থাকা সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ প্রমুখ।

আন্দোলনে কৌশলী হতে বললেন গয়েশ্বর

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:২৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আন্দোলনে কৌশলী হতে বললেন গয়েশ্বর
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। ফাইল ছবি

মহামারীর এই সময়ে কৌশল অবলম্বন করে আন্দোলনকে এগিয়ে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

তিনি বলেন, এই বিজয়ের মাসে আনন্দের পাশাপাশি অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে গণতন্ত্রের চেতনা বোধ থেকে আরেকটি গণতন্ত্রের যুদ্ধ করতে হবে। যে যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ‘হয় মরব না হলে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনব’- এই প্রতিজ্ঞা আমাদের করতে হবে।

শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলামসহ নেতাদের আরোগ্য কামনায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল। 

গয়েশ্বর বলেন, একাত্তরে যারা আমাদের সঙ্গে যুদ্ধ করে মারা গেছেন সেই শহীদদের রক্তের ঋণ কি পরিশোধ করার দায়-দায়িত্ব আমাদের নাই? যদি থাকে তাহলে আমরা জীবন-জীবিকার জন্য রাস্তায় মরতে পারি। গণতন্ত্রের আন্দোলন সংগ্রাম থেকে করোনার কথা বলে আমরা পিছিয়ে যাব কেন? আমাদের কোনো না কোনো কৌশল অবলম্বন করে এগিয়ে যেতে হবে।

বিএনপিকে নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তাকে (ওবায়দুল কাদের) বলব, বিএনপি আন্দোলন করেছে অতীতে। আপনার মতো লোককে বিএনপির হাওলাত করে আনতে হবে না। আমাদের নেতা, প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যুদ্ধ করে গাজী হয়েছেন, শহীদ হন নাই। বিএনপির পরবর্তিকালে স্বৈরাচারবিরোধী আপসহীন নেতৃত্বের নাম অথবা গণতন্ত্রের অপর নাম বেগম খালেদা জিয়া, তার কর্মী আমরা। সুতরাং আন্দোলন-সংগ্রামে সফলতা আমাদের আছে।  অতীত আমাদের ছিল, ভবিষ্যতেও আমরা সফল হব- এই গ্যারান্টি আমরা দিতে পারি। 

গয়েশ্বর বলেন, কিছু বলছি না, কিছু করছি না- তার অর্থ কিন্তু ওবায়দুল কাদের সাহেবকে মুচলেকা দেই নাই আপনাদেরকে ক্ষমতায় চিরস্থায়ী রাখব। জনগণের ক্ষমতা জনগণের হাতে ফেরত আনব- এইটুকু প্রতিশ্রুতি আমি ব্যক্ত করতে চাই।

খালেদা জিয়া ‘গৃহবন্দি’ উল্লে­খ করে গয়েশ্বর বলেন, করোনা শুরুর সময়ে দেশনেত্রীকে রাতারাতি মুক্তি দেয়া হয়েছে। সুতরাং বিষয়টি বুঝতে হবে। অর্থাৎ তার চিকিৎসার দায়ভার শেখ হাসিনা নেয়ার সাহস করে নাই, ইচ্ছা প্রকাশ করে নাই। শেখ হাসিনা তাকে মুক্তি দেবে কেন? আইন আছে, আদালত আছে। আদালতে তিনি জামিন প্রাপ্য। 

শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, কেন্দ্রীয় দফতরের চলতি দায়িত্বে থাকা সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ প্রমুখ।