‘তাদের পতন ঘণ্টা বেজে গেছে’
jugantor
‘তাদের পতন ঘণ্টা বেজে গেছে’

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৫ মার্চ ২০২১, ২২:৩৪:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

নির্যাতন-নিপীড়ন করে সরকারের শেষ রক্ষা হবে না। তাদের পতন ঘণ্টা বেজে গেছে। মানুষ রাস্তায় নামতে শুরু করেছে। তাদের পতন ঘটিয়ে ছাত্র-জনতা রাজপথ ছাড়বে।

রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় মশাল মিছিল শেষে শুক্রবার রাতে এক পথসভায় এসব কথা বলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

‘কারাগারে লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর প্রতিবাদে এবং দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে’ রিজভীর নেতৃত্বে এই মিছিল হয়।

মিছিলটি ধানমন্ডির শঙ্কর বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু করে ২৭ নম্বর সড়কে এসে শেষ হয়। ঢাকা মহানগর পশ্চিম শাখা ছাত্রদলের সভাপতি কামরুজ্জামান জুয়েলসহ বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী মিছিলে অংশ নেন।

পরে সংক্ষিপ্ত পথসভায় রুহুল কবির রিজভী বলেন, এই সরকারের কোনো জনপ্রিয়তা নেই। অবৈধভাবে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে একের পর এক কালো আইন রচনা করছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন একটি ভয়াবহ কালো আইন। এটা হচ্ছে বিরোধী রাজনৈতিক দল ও মতের মানুষকে দমন করার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। এই আইন বাতিল করতে হবে।

রিজভী বলেন, লেখক মুশতাককে যে নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে কার্টুনিস্ট কিশোরের বক্তব্যে তা প্রমাণিত হয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে কিভাবে কার্টুনিস্ট কিশোর ও লেখক মুশতাকের ওপর বর্বর নির্যাতন চালানো হয়েছে।

রিজভী বলেন, দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে অন্যায়ভাবে ভিত্তিহীন মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে। কারাগার থেকে মুক্ত হলেও তিনি এখন গৃহবন্দি। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে একের পর এক ভিত্তিহীন মামলা দেওয়া হচ্ছে। তিনি অবিলম্বে খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সব মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

‘তাদের পতন ঘণ্টা বেজে গেছে’

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৫ মার্চ ২০২১, ১০:৩৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নির্যাতন-নিপীড়ন করে সরকারের শেষ রক্ষা হবে না। তাদের পতন ঘণ্টা বেজে গেছে। মানুষ রাস্তায় নামতে শুরু করেছে। তাদের পতন ঘটিয়ে ছাত্র-জনতা রাজপথ ছাড়বে। 

রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় মশাল মিছিল শেষে শুক্রবার রাতে এক পথসভায় এসব কথা বলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

‘কারাগারে লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর প্রতিবাদে এবং দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে’ রিজভীর নেতৃত্বে এই মিছিল হয়। 

মিছিলটি ধানমন্ডির শঙ্কর বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু করে ২৭ নম্বর সড়কে এসে শেষ হয়। ঢাকা মহানগর পশ্চিম শাখা ছাত্রদলের সভাপতি কামরুজ্জামান জুয়েলসহ বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী মিছিলে অংশ নেন। 

পরে সংক্ষিপ্ত পথসভায় রুহুল কবির রিজভী বলেন, এই সরকারের কোনো জনপ্রিয়তা নেই। অবৈধভাবে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে একের পর এক কালো আইন রচনা করছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন একটি ভয়াবহ কালো আইন। এটা হচ্ছে বিরোধী রাজনৈতিক দল ও মতের মানুষকে দমন করার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। এই আইন বাতিল করতে হবে। 

রিজভী বলেন, লেখক মুশতাককে যে নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে কার্টুনিস্ট কিশোরের বক্তব্যে তা প্রমাণিত হয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে কিভাবে কার্টুনিস্ট কিশোর ও লেখক মুশতাকের ওপর বর্বর নির্যাতন চালানো হয়েছে। 

রিজভী বলেন, দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে অন্যায়ভাবে ভিত্তিহীন মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে। কারাগার থেকে মুক্ত হলেও তিনি এখন গৃহবন্দি। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে একের পর এক ভিত্তিহীন মামলা দেওয়া হচ্ছে। তিনি অবিলম্বে খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সব মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন