আওয়ামী লীগের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না: খন্দকার
jugantor
আওয়ামী লীগের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না: খন্দকার

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৭ জুলাই ২০২১, ২২:০৫:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

সরকার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে বলে অভিযোগ করেছেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন।তিনি বলেন, গত ১২ বছর যারা ফ্যাসিবাদী কায়দায় ক্ষমতায় টিকে আছে, শুধু ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করার জন্য তারা এদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং স্বাধীনতার ৫০ বছরের ইতিহাসকে সম্পূর্ণভাবে বিকৃত করে জনগণকে ও এই প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করছে।

বুধবার বিকালে এক ভার্চুয়াল আলোচনায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এ অভিযোগ করে বলেন, আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের তাদের ত্যাগ, তাদের সাহসিকতাকে আমরা বার বার শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করতে চাই এবং তাদের সেই প্রেরণা নিয়ে আমরা একটি সুখী সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক, স্বনির্ভর, স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়তে চাই- এটাই হোক আমাদের শপথ।

খন্দকার মোশাররফ বলেন, আমরা যখন প্রকৃত ইতিহাসের কথা বলি তখন আওয়ামী লীগের কাছ থেকে বিরূপ প্রতিক্রিয়া আসে। কারণ তাদের গায়ে জ্বালা ধরে যায়। যদি মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্ম জানে, যদি ৫০ বছরের স্বাধীনতার ইতিহাস জানে আওয়ামী লীগের এদেশে রাজনীতি করার কোনো ক্ষেত্র থাকবে না। আওয়ামী লীগের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। সেজন্য তারা মুক্তিযুদ্ধে ইতিহাসকে বিকৃত করছে।

তিনি বলেন, বিএনপি যেহেতু মুক্তিযুদ্ধের ঘোষকের দল, মুক্তিযোদ্ধাদের দল, যেহেতু গণতন্ত্রের পক্ষে দল, যেহেতু আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা এদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন, আমাদের নেত্রী দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছেন। সেজন্য বিএনপির এটা দায়িত্ব প্রকৃত ইতিহাসকে সামনে তুলে এনে নতুন ভবিষ্যত সৃষ্টি করার জন্য আজকের প্রজন্মকে পথ দেখানো।

জেডফোর্সের কমান্ডার জিয়াউর রহমানসহ এই বিগ্রেডের সব সেনা কর্মকর্তা, সৈনিক, মুক্তিযোদ্ধাসহ দেশের জন্য জীবন উৎসর্গকারীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান খন্দকার মোশাররফ।

জেড ফোর্সের অন্যান্য সেনা কর্মকর্তা অলি আহমেদ, সাদেক হোসেন খোকা, আবদুল হালিম, হুমায়ুন হাই, মইনুল হোসেন চৌধুরী, জিয়াউদ্দিন, সাফায়েত জামিল, আবু জাফর মো. আমিনুল হক, বজলুল গনি পাটোয়ারি, মাহবুবুর রহমান, হাফিজ উদ্দিন, আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, শমসের মবিন চৌধুরী, মহসিন উদ্দিন আহমেদ, আশরাফুল আলম, আনোয়ার হোসেন, আকবর হোসেন, মহসিন উদ্দিন, এসআইএম নুরুন্নবী খান, খালিকুজ্জামান চৌধুরী, মোদাচ্ছের হোসেন খান, মাহবুবুল আলম, ওয়াকার হাসান প্রমুখের নামও স্মরণ করেন খন্দকার মোশাররফ।

তিনি ক্ষমতাসীন দলের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, আজকে যারা ক্ষমতায় গায়ের জোরে আছেন, ফ্যাসিবাদী কায়দায় দেশ চালাচ্ছেন আরও ক্ষমতায় থাকার জন্য ইতিহাসকে বিকৃত করছেন। জিয়াউর রহমানকে পাকিস্তানের চর বলছেন, তিনি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না বলেছেন। যদি তাই হয় এই জেড ফোর্সের কমান্ডার জিয়াউর রহমানের অধীনে যারা বিভিন্ন পদকে ভূষিত হয়েছিলেন, তারাও কি পাকিস্তানের চর ছিল কি না- তা এই সরকারকে জনগণের কাছে পরিষ্কারভাবে বলতে হবে।

এই ব্যক্তিরাসহ জেড ফোর্স, এস ফোর্স, কে ফোর্সে যারা সাহসিকতার সঙ্গে ভূমিকা রেখে দেশকে মুক্ত করেছেন এবং পরবর্তিকালে বিভিন্ন সম্মানে ভূষিত হয়েছেন তারা কি কেউ মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। যদি তাই হয় তাহলে আমরা বলব, যারা আজকে জিয়া্উর রহমানকে মুক্তিযোদ্ধা মানতে রাজি নন, স্বাধীনতার ঘোষক মানতে রাজি নন, প্রথম রি-বোল্টকারী হিসেবে মানতে রাজি নন, জেড ফোর্সের কমান্ডার হিসেবে মানতে রাজি নন তারা এই সব মুক্তিযোদ্ধাদের অস্বীকার করছেন, মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করছেন। এটা যতই চেষ্টা করা হোক না কেন ইতিহাস মেনে নেবে না। হয়ত সরকারে থেকে রচনা লেখা যায় কিন্তু ইতিহাস লেখা যাবে না।

বিএনপির স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মাননা কমিটির উদ্যোগে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর জেড ফোর্স গঠন উপলক্ষে এই আলোচনা হয়। ১৯৭১ সালের ৭ জুলাই মুক্তিবাহিনীর প্রথম সামরিক ব্রিগেড জেড ফোর্স গঠন করা হয়। এই পদাতিক ব্রিগেডের নেতৃত্বে দেন এক নাম্বার সেক্টার কমান্ডার জিয়াউর রহমান বীর উত্তম। জিয়াকে ব্রিগেড কমান্ডারের দায়িত্ব প্রদানের সঙ্গে সঙ্গে তাকে লে. কর্নেল পদে পদোন্নতি দিয়ে ১১ সেক্টরেরও অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়।

জেড ফোর্সের অন্যতম সেনা কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেন, জিয়াউর রহমানকে আমরা সবাই একজন মহান রাষ্ট্রপতিরূপে জানি, তিনি যে কত কৌশলী সমরনায়ক ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধের সামরিক অঙ্গনে তিনি যে একজন তেজদীপ্ত একজন কমান্ডার ছিলেন। আজকে বিনা ভোটের এই সরকারের কারণে ক্রমাগতভাবে সেই ইতিহাস বিকৃত হয়েছে। আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি আমার কমান্ডার শহিদ জিয়াউর রহমানকে।

তিনি বলেন, জেড ফোর্স ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রথম ব্রিগেড। কিন্তু এটি ছিল একটি পূর্ণাঙ্গ ব্রিগেড। অন্য দুইটি যে ব্রিগেড ছিল কে ফোর্স এবং এস ফোর্স সেখানে দুইটি করে পদাতিক ব্যাটেলিয়ন ছিল। কিন্তু জেড ফোর্সে তিনটি পদাতিক ব্যাটেলিয়ন ছিল। এই জেড ফোর্স ছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শক্তিশালী একটি ব্রিগেড যারা রণাঙ্গনে অনেক গৌরব দীপ্ত ভূমিকা রেখেছে। জেড ফোর্স স্বাধীনতা যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি সাহসিকতা পদক অর্জন করেছে এই ফোর্স এবং আত্মদানে ও শহিদের সংখ্যাও সবচাইতে বেশি এই জেড ফোর্সে।

দলের স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী মুক্তিযোদ্ধা সন্মাননা কমিটির আহ্বায়ক মেজর (অব.) ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর বীর উত্তমের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল জয়নাল আবেদীনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আব্দুস সালাম, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান অবসপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাদেক আহমেদ খান প্র্রমুখ বক্তব্য দেন।

আওয়ামী লীগের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না: খন্দকার

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৭ জুলাই ২০২১, ১০:০৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সরকার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে বলে অভিযোগ করেছেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন।তিনি বলেন, গত ১২ বছর যারা ফ্যাসিবাদী কায়দায় ক্ষমতায় টিকে আছে, শুধু ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করার জন্য তারা এদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং স্বাধীনতার ৫০ বছরের ইতিহাসকে সম্পূর্ণভাবে বিকৃত করে জনগণকে ও এই প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করছে।

বুধবার বিকালে এক ভার্চুয়াল আলোচনায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এ অভিযোগ করে বলেন, আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের তাদের ত্যাগ, তাদের সাহসিকতাকে আমরা বার বার শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করতে চাই এবং তাদের সেই প্রেরণা নিয়ে আমরা একটি সুখী সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক, স্বনির্ভর, স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়তে চাই- এটাই হোক আমাদের শপথ।

খন্দকার মোশাররফ বলেন, আমরা যখন প্রকৃত ইতিহাসের কথা বলি তখন আওয়ামী লীগের কাছ থেকে বিরূপ প্রতিক্রিয়া আসে। কারণ তাদের গায়ে জ্বালা ধরে যায়। যদি মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্ম জানে, যদি ৫০ বছরের স্বাধীনতার ইতিহাস জানে আওয়ামী লীগের এদেশে রাজনীতি করার কোনো ক্ষেত্র থাকবে না। আওয়ামী লীগের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। সেজন্য তারা মুক্তিযুদ্ধে ইতিহাসকে বিকৃত করছে।

তিনি বলেন, বিএনপি যেহেতু মুক্তিযুদ্ধের ঘোষকের দল, মুক্তিযোদ্ধাদের দল, যেহেতু গণতন্ত্রের পক্ষে দল, যেহেতু আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা এদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন, আমাদের নেত্রী দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছেন। সেজন্য বিএনপির এটা দায়িত্ব প্রকৃত ইতিহাসকে সামনে তুলে এনে নতুন ভবিষ্যত সৃষ্টি করার জন্য আজকের প্রজন্মকে পথ দেখানো।

জেডফোর্সের কমান্ডার জিয়াউর রহমানসহ এই বিগ্রেডের সব সেনা কর্মকর্তা, সৈনিক, মুক্তিযোদ্ধাসহ দেশের জন্য জীবন উৎসর্গকারীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান খন্দকার মোশাররফ।

জেড ফোর্সের অন্যান্য সেনা কর্মকর্তা অলি আহমেদ, সাদেক হোসেন খোকা, আবদুল হালিম, হুমায়ুন হাই, মইনুল হোসেন চৌধুরী, জিয়াউদ্দিন, সাফায়েত জামিল, আবু জাফর মো. আমিনুল হক, বজলুল গনি পাটোয়ারি, মাহবুবুর রহমান, হাফিজ উদ্দিন, আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, শমসের মবিন চৌধুরী, মহসিন উদ্দিন আহমেদ, আশরাফুল আলম, আনোয়ার হোসেন, আকবর হোসেন, মহসিন উদ্দিন, এসআইএম নুরুন্নবী খান, খালিকুজ্জামান চৌধুরী, মোদাচ্ছের হোসেন খান, মাহবুবুল আলম, ওয়াকার হাসান প্রমুখের নামও স্মরণ করেন খন্দকার মোশাররফ।

তিনি ক্ষমতাসীন দলের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, আজকে যারা ক্ষমতায় গায়ের জোরে আছেন, ফ্যাসিবাদী কায়দায় দেশ চালাচ্ছেন আরও ক্ষমতায় থাকার জন্য ইতিহাসকে বিকৃত করছেন। জিয়াউর রহমানকে পাকিস্তানের চর বলছেন, তিনি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না বলেছেন। যদি তাই হয় এই জেড ফোর্সের কমান্ডার জিয়াউর রহমানের অধীনে যারা বিভিন্ন পদকে ভূষিত হয়েছিলেন, তারাও কি পাকিস্তানের চর ছিল কি না- তা এই সরকারকে জনগণের কাছে পরিষ্কারভাবে বলতে হবে।

এই ব্যক্তিরাসহ জেড ফোর্স, এস ফোর্স, কে ফোর্সে যারা সাহসিকতার সঙ্গে ভূমিকা রেখে দেশকে মুক্ত করেছেন এবং পরবর্তিকালে বিভিন্ন সম্মানে ভূষিত হয়েছেন তারা কি কেউ মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। যদি তাই হয় তাহলে আমরা বলব, যারা আজকে জিয়া্উর রহমানকে মুক্তিযোদ্ধা মানতে রাজি নন, স্বাধীনতার ঘোষক মানতে রাজি নন, প্রথম রি-বোল্টকারী হিসেবে মানতে রাজি নন, জেড ফোর্সের কমান্ডার হিসেবে মানতে রাজি নন তারা এই সব মুক্তিযোদ্ধাদের অস্বীকার করছেন, মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করছেন। এটা যতই চেষ্টা করা হোক না কেন ইতিহাস মেনে নেবে না। হয়ত সরকারে থেকে রচনা লেখা যায় কিন্তু ইতিহাস লেখা যাবে না।

বিএনপির স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মাননা কমিটির উদ্যোগে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর জেড ফোর্স গঠন উপলক্ষে এই আলোচনা হয়। ১৯৭১ সালের ৭ জুলাই মুক্তিবাহিনীর প্রথম সামরিক ব্রিগেড জেড ফোর্স গঠন করা হয়। এই পদাতিক ব্রিগেডের নেতৃত্বে দেন এক নাম্বার সেক্টার কমান্ডার জিয়াউর রহমান বীর উত্তম। জিয়াকে ব্রিগেড কমান্ডারের দায়িত্ব প্রদানের সঙ্গে সঙ্গে তাকে লে. কর্নেল পদে পদোন্নতি দিয়ে ১১ সেক্টরেরও অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়।

জেড ফোর্সের অন্যতম সেনা কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম বলেন, জিয়াউর রহমানকে আমরা সবাই একজন মহান রাষ্ট্রপতিরূপে জানি, তিনি যে কত কৌশলী সমরনায়ক ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধের সামরিক অঙ্গনে তিনি যে একজন তেজদীপ্ত একজন কমান্ডার ছিলেন। আজকে বিনা ভোটের এই সরকারের কারণে ক্রমাগতভাবে সেই ইতিহাস বিকৃত হয়েছে। আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি আমার কমান্ডার শহিদ জিয়াউর রহমানকে।

তিনি বলেন, জেড ফোর্স ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রথম ব্রিগেড। কিন্তু এটি ছিল একটি পূর্ণাঙ্গ ব্রিগেড। অন্য দুইটি যে ব্রিগেড ছিল কে ফোর্স এবং এস ফোর্স সেখানে দুইটি করে পদাতিক ব্যাটেলিয়ন ছিল। কিন্তু জেড ফোর্সে তিনটি পদাতিক ব্যাটেলিয়ন ছিল। এই জেড ফোর্স ছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শক্তিশালী একটি ব্রিগেড যারা রণাঙ্গনে অনেক গৌরব দীপ্ত ভূমিকা রেখেছে। জেড ফোর্স স্বাধীনতা যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি সাহসিকতা পদক অর্জন করেছে এই ফোর্স এবং আত্মদানে ও শহিদের সংখ্যাও সবচাইতে বেশি এই জেড ফোর্সে।

দলের স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী মুক্তিযোদ্ধা সন্মাননা কমিটির আহ্বায়ক মেজর (অব.) ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর বীর উত্তমের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল জয়নাল আবেদীনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আব্দুস সালাম, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান অবসপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাদেক আহমেদ খান প্র্রমুখ বক্তব্য দেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন