জামিনে কারামুক্ত ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক, বের হয়েই ফেসবুক স্ট্যাটাস
jugantor
জামিনে কারামুক্ত ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক, বের হয়েই ফেসবুক স্ট্যাটাস

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২০ অক্টোবর ২০২১, ১৯:২৭:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

দুই মাস কারাভোগের পর জামিনে মুক্ত হয়েছেন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল।বুধবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।

মুক্তির পর কারাগারের গেটে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী জুয়েলকে ফুল দিয়ে বরণ করেন।

বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেন ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর পূর্বের সাবেক সহসভাপতি মারজুক আহমেদ।

মুক্তি পেয়েই ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল তার ফেসবুকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে স্ট্যাটাস দেন।স্ট্যাটাসে লিখেন, ‘মুক্তি মুক্তি মুক্তি চাই, আমার মায়ের মুক্তি চাই’; ‘তারেক ভাইয়ের ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’।

গত ২৩ আগস্ট যাত্রাবাড়ীর কাজলা থেকে সাইফ মাহমুদ জুয়েলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়।

জুয়েল সংগঠনের নেতাকর্মীদের কাছে খুবই জনপ্রিয় একজন নেতা। বিভিন্ন কর্মসূচির মিছিলে সামনে থেকে স্লোগান দেন ‘ক্লিন ইমেজের’এই নেতা। এজন্য নেতাকর্মীদের কাছে তিনি ‘স্লোগান মাস্টার’ হিসেবেও পরিচিত।

জামিনে কারামুক্ত ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক, বের হয়েই ফেসবুক স্ট্যাটাস

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২০ অক্টোবর ২০২১, ০৭:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দুই মাস কারাভোগের পর জামিনে মুক্ত হয়েছেন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল।বুধবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান।

মুক্তির পর কারাগারের গেটে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী জুয়েলকে ফুল দিয়ে বরণ করেন।

বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেন ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর পূর্বের সাবেক সহসভাপতি মারজুক আহমেদ। 

মুক্তি পেয়েই ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল তার ফেসবুকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে স্ট্যাটাস দেন।স্ট্যাটাসে লিখেন, ‘মুক্তি মুক্তি মুক্তি চাই, আমার মায়ের মুক্তি চাই’; ‘তারেক ভাইয়ের ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’।

গত ২৩ আগস্ট যাত্রাবাড়ীর কাজলা থেকে সাইফ মাহমুদ জুয়েলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়।

জুয়েল সংগঠনের নেতাকর্মীদের কাছে খুবই জনপ্রিয় একজন নেতা। বিভিন্ন কর্মসূচির মিছিলে সামনে থেকে স্লোগান দেন ‘ক্লিন ইমেজের’ এই নেতা। এজন্য নেতাকর্মীদের কাছে তিনি ‘স্লোগান মাস্টার’ হিসেবেও পরিচিত।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন