কেন খালেদা জিয়াকে বিদেশ নিতে হবে, ব্যাখ্যা দিলেন ফখরুল
jugantor
কেন খালেদা জিয়াকে বিদেশ নিতে হবে, ব্যাখ্যা দিলেন ফখরুল

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৭ নভেম্বর ২০২১, ১৭:১৫:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কেন বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিতে হবে তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, কেন আমরা দেশনেত্রীর বাইরে চিকিৎসার কথা বলছি, কী কারণে- তা আমাদের সবারই জানা উচিত। দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার যে অসুখ তা প্রধানত পরিপাকতন্ত্রের। কোন জায়গায় তার রক্তপাত হচ্ছে- এটাকে বের করার জন্য আমাদের দেশের শ্রেষ্ঠ ডাক্তাররা গত কয়েকদিন ধরে চিকিৎসার যে পদ্ধতি আছে সেই অনুযায়ী বিভিন্ন রকম কাজ করেছেন। কিন্তু একটা জায়গায় এসে তারা আর এগুতে পারছেন না। কারণ আর সেই ধরনের কোনো টেকনোলজি দেশে নেই, যে টেকনোলজি দিয়ে সেখানে পৌঁছাতে পারেন। যে কারণে চিকিৎসকরা বার বার বলছেন, দেশনেত্রীকে একটি এডভান্স সেন্টারে নেওয়া দরকার। যেখানে এ ডিভাইসগুলো আছে, টেকনোলজি আছে, যন্ত্রপাতিগুলো আছে, যেখানে গেলে তার সঠিক যে রোগ সেই রোগের জায়গাটা তারা ধরতে পারবেন।

ফখরুল বলেন, দেশনেত্রী অনেক অসুস্থ। এখন তার জীবনকে হুমকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে, পরিপাকতন্ত্রের যেখান থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছে সেটা বন্ধ করা।

শনিবার রাজধানীর রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) ডা. মিলন দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

৯০’র ডাকসু ও সর্বদলীয় ছাত্রঐক্যের উদ্যোগে এ আলোচনা সভায় আমান উল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে ও ফজলুল হক মিলনের পরিচালনায় আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ৯০’র ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমান, খায়রুল কবির খোকন, জহির উদ্দিন স্বপন, নাজিম উদ্দিন আলম, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল প্রমুখ।

দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা-মন্ত্রীরা অনেকে অনেক কথা বলেছেন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, তারা বিদ্রুপ করতেও দ্বিধা করেন না, এরা এত অমানুষ।

এ সময় বিএনপি মহাসচিব বলেন, ডা. মিলন একজন সক্রিয় রাজনৈতিক কর্মী ছিলেন। তিনি তার কাজের মধ্য দিয়ে, সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বছরের পর বছর, যুগ যুগ ধরে আমাদের মাঝে বেঁচে আছেন। এ জন্য তিনি একটা সত্যিকারের পরিবর্তনে একটি স্ফুলিংয়ের সূচনা হয়েছিল তার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে। এই স্ফুলিংটাই সমগ্র বাংলাদেশকে জানিয়ে তুলে ছিল।

নব্বইর প্রেক্ষাপট আর আজকের প্রেক্ষাপট এক নয় উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, স্বৈরাচারের চেয়ে ফ্যাসিবাদের পার্থক্য বিশাল। সেদিন একটি অংশের বিরুদ্ধে লড়তে হয়েছে, আজকে লড়তে হচ্ছে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে। এখন গুলি করে পুলিশ, গুলি করছে রাষ্ট্র- বাংলাদেশকে সুপরিকল্পিতভাবে বিরাজনীতিকরণ করার জন্য, রাজনীতিকে সরিয়ে ফেলার জন্য। বাংলাদেশকে সুপরিকল্পিকভাবে একটি ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্র করা শুরু হয়েছে ওয়ান-ইলেভেন থেকে। সেই চক্রান্তের কারণে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া মৃত্যুর প্রহর গুনছেন।

কেন খালেদা জিয়াকে বিদেশ নিতে হবে, ব্যাখ্যা দিলেন ফখরুল

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৫:১৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কেন বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিতে হবে তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

তিনি বলেন, কেন আমরা দেশনেত্রীর বাইরে চিকিৎসার কথা বলছি, কী কারণে- তা আমাদের সবারই জানা উচিত। দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার যে অসুখ তা প্রধানত পরিপাকতন্ত্রের। কোন জায়গায় তার রক্তপাত হচ্ছে- এটাকে বের করার জন্য আমাদের দেশের শ্রেষ্ঠ ডাক্তাররা গত কয়েকদিন ধরে চিকিৎসার যে পদ্ধতি আছে সেই অনুযায়ী বিভিন্ন রকম কাজ করেছেন। কিন্তু একটা জায়গায় এসে তারা আর এগুতে পারছেন না। কারণ আর সেই ধরনের কোনো টেকনোলজি দেশে নেই, যে টেকনোলজি দিয়ে সেখানে পৌঁছাতে পারেন। যে কারণে চিকিৎসকরা বার বার বলছেন, দেশনেত্রীকে একটি এডভান্স সেন্টারে নেওয়া দরকার। যেখানে এ ডিভাইসগুলো আছে, টেকনোলজি আছে, যন্ত্রপাতিগুলো আছে, যেখানে গেলে তার সঠিক যে রোগ সেই রোগের জায়গাটা তারা ধরতে পারবেন।

ফখরুল বলেন, দেশনেত্রী অনেক অসুস্থ। এখন তার জীবনকে হুমকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে, পরিপাকতন্ত্রের যেখান থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছে সেটা বন্ধ করা। 

শনিবার রাজধানীর রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) ডা. মিলন দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। 

৯০’র ডাকসু ও সর্বদলীয় ছাত্রঐক্যের উদ্যোগে এ আলোচনা সভায় আমান উল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে ও ফজলুল হক মিলনের পরিচালনায় আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ৯০’র ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমান, খায়রুল কবির খোকন, জহির উদ্দিন স্বপন, নাজিম উদ্দিন আলম, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল প্রমুখ।

দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা-মন্ত্রীরা অনেকে অনেক কথা বলেছেন উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, তারা বিদ্রুপ করতেও দ্বিধা করেন না, এরা এত অমানুষ। 

এ সময় বিএনপি মহাসচিব বলেন, ডা. মিলন একজন সক্রিয় রাজনৈতিক কর্মী ছিলেন। তিনি তার কাজের মধ্য দিয়ে, সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বছরের পর বছর, যুগ যুগ ধরে আমাদের মাঝে বেঁচে আছেন। এ জন্য তিনি একটা সত্যিকারের পরিবর্তনে একটি স্ফুলিংয়ের সূচনা হয়েছিল তার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে। এই স্ফুলিংটাই সমগ্র বাংলাদেশকে জানিয়ে তুলে ছিল। 

নব্বইর প্রেক্ষাপট আর আজকের প্রেক্ষাপট এক নয় উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, স্বৈরাচারের চেয়ে ফ্যাসিবাদের পার্থক্য বিশাল। সেদিন একটি অংশের বিরুদ্ধে লড়তে হয়েছে, আজকে লড়তে হচ্ছে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে। এখন গুলি করে পুলিশ, গুলি করছে রাষ্ট্র- বাংলাদেশকে সুপরিকল্পিতভাবে বিরাজনীতিকরণ করার জন্য, রাজনীতিকে সরিয়ে ফেলার জন্য। বাংলাদেশকে সুপরিকল্পিকভাবে একটি ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্র করা শুরু হয়েছে ওয়ান-ইলেভেন থেকে। সেই চক্রান্তের কারণে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া মৃত্যুর প্রহর গুনছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন