স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা নিহতের প্রতিবাদে দুই দিনের কর্মসূচি বিএনপির
jugantor
স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা নিহতের প্রতিবাদে দুই দিনের কর্মসূচি বিএনপির

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

৩১ জুলাই ২০২২, ২০:১১:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলায় ‘পুলিশের হামলায়’ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আব্দুর রহিম নিহত হওয়ায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আন্দোলন দমাতে নিষ্ঠুরতার পথ বেছে নিয়েছে সরকার। শান্তিপূর্ণ সমাবেশের ওপর পুলিশি হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনার মধ্য দিয়ে সরকারের ফ্যাসিবাদী চরিত্রের মুখোশ উম্মোচন হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা, বিনা ভোটে সরকার গঠন করা এবং জনগণের ন্যায্য দাবিগুলো পদদলিত করর হীনপ্রচেষ্টা প্রস্ফুটিত হয়েছে।’

রহিমকে হত্যা ও ভোলার সমাবেশে পুলিশি হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি।

আগামীকাল (সোমবার) সকাল সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টন বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ও দেশের সব মহানগর এবং জেলা সদরে কালো ব্যাচ ধারণ ও গায়েবি জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। তার পরদিন মঙ্গলবার ঢাকাসহ সব জেলা এবং মহানগর পর্যায়ে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার বিকালে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন মির্জা ফখরুল। এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে সোমবার ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণসহ সব জেলা ও মহানগরে বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিদ্যুতের লোডশেডিংসহ জনদুর্ভোগের বিষয়ে একটা সমাবেশের ওপর পুলিশ গুলি করে হত্যা করেছে। এটা একটা বড় ধরনের ঘটনা। এরসঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। জনসাধারণকে এরকম হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া, প্রতিবাদ জানানোর আহবান জানাচ্ছি।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিদ্যুতের দাবিতে এই বিক্ষোভ হয়েছে। এটা জনগণের দাবি। এটা সরকারের পরিবর্তনের কোনো আন্দোলন বা কর্মসূচি ছিল না। সেটাকেই তারা সহ্য করতে পারছে না। সেখানে তারা বিনা উসকানিতে গুলি করেছে, আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে, হত্যা করেছে।’

স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা নিহতের প্রতিবাদে দুই দিনের কর্মসূচি বিএনপির

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
৩১ জুলাই ২০২২, ০৮:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলায় ‘পুলিশের হামলায়’ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আব্দুর রহিম নিহত হওয়ায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আন্দোলন দমাতে নিষ্ঠুরতার পথ বেছে নিয়েছে সরকার। শান্তিপূর্ণ সমাবেশের ওপর পুলিশি হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনার মধ্য দিয়ে সরকারের ফ্যাসিবাদী চরিত্রের মুখোশ উম্মোচন হয়েছে। 

তিনি বলেন, ‘একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা, বিনা ভোটে সরকার গঠন করা এবং জনগণের ন্যায্য দাবিগুলো পদদলিত করর হীনপ্রচেষ্টা প্রস্ফুটিত হয়েছে।’

রহিমকে হত্যা ও ভোলার সমাবেশে পুলিশি হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি। 

আগামীকাল (সোমবার) সকাল সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টন বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ও দেশের সব মহানগর এবং জেলা সদরে কালো ব্যাচ ধারণ ও গায়েবি জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। তার পরদিন মঙ্গলবার ঢাকাসহ সব জেলা এবং মহানগর পর্যায়ে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। 

রোববার বিকালে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন মির্জা ফখরুল। এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে সোমবার ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণসহ সব জেলা ও মহানগরে বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। 

সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিদ্যুতের লোডশেডিংসহ জনদুর্ভোগের বিষয়ে একটা সমাবেশের ওপর পুলিশ গুলি করে হত্যা করেছে। এটা একটা বড় ধরনের ঘটনা। এরসঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। জনসাধারণকে এরকম হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া, প্রতিবাদ জানানোর আহবান জানাচ্ছি।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিদ্যুতের দাবিতে এই বিক্ষোভ হয়েছে। এটা জনগণের দাবি। এটা সরকারের পরিবর্তনের কোনো আন্দোলন বা কর্মসূচি ছিল না। সেটাকেই তারা সহ্য করতে পারছে না। সেখানে তারা বিনা উসকানিতে গুলি করেছে, আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে, হত্যা করেছে।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন