চিকিৎসকদের সুরক্ষা দিতে না পারলে পুরো চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে: রওশন

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৭ এপ্রিল ২০২০, ২০:০০:০৬ | অনলাইন সংস্করণ

রওশন এরশাদ। ফাইল ছবি

চিকিৎসকদের সুরক্ষা দিতে না পারলে পুরো চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে বলে মন্তব্য করেছেন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ।

তিনি বলেন, ইতিমধ্যে একজন চিকিৎসক মারা গেছেন। আল্লাহ তাকে জান্নাতবাসী করুন। আরও অনেক চিকিৎসক আক্রান্ত হয়েছেন। এই অবস্থায় তাদের সুরক্ষা দিতে না পারলে পুরো চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে। তাই অবিলম্বে চিকিৎসকদের পিপিইসহ সব ধরণের সমস্যার সমাধানের দাবি জানাই। করোনার সময় যারা এমন ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করছেন দেশের স্বার্থে সরকার তাদের এবং পরিবারের পাশে থাকবে এই প্রত্যাশা করি।

শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে রওশন এরশাদ এসব কথা বলেন।

রওশন বলেন, বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বের মানুষ প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে ভয়াবহ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। সমগ্র বিশ্ব এক অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে চলছে। নতুন আক্রান্ত আর মৃত্যুর মিছিল বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। লকডাউন, আইসোলেশন, সেলফ কোয়ারেন্টিনে সম্পূর্ণরূপে থমকে পড়েছে স্বাভাবিক জনজীবন। প্রতিটি দেশ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব হতে পরিত্রাণ পেতে অন্য দেশ থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে। ভয়ঙ্কর এক কঠিন পরিস্থিতিতে উপনীত হয়েছি আমরাসহ বিশ্ববাসী। এমন অবস্থা দেশের মানুষ কখনও দেখেনি।

তিনি বলেন, চিকিৎসকসহ করোনা নিয়ে যারা কাজ করছেন তারা বলছেন, এখনও এর কোনো প্রতিষেধক বের হয়নি। তাই সংক্রমণ এড়ানোর অন্যতম উপায় হল নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা। সবাই সচেতন হলে এ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। দেশবাসীকে বলব, সরকারের নির্দেশনা পুরোপুরি মেনে চলুন। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত থাকুন।

রওশন এরশাদ বলেন, তবে আমরা শুরু থেকেই লক্ষ্য করেছি করোনায় আক্রান্তদের সেবা দিতে গিয়ে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রয়োজনীয় টেস্ট কিট, পিপিইসহ সুরক্ষা সরঞ্জাম পেতে সমস্যায় পড়তে হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা করা হলেও এখনও প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল বলে গণমাধ্যমে খবর এসেছে। ফলে ঝুঁকি বাড়ছে।

রওশন এরশাদ বলেন, এই মহামারীর মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সারা দেশে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা কাজ করছেন। এছাড়াও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, স্থানীয় প্রশাসন নিরলসভাবে মানুষকে ঘরে রাখতে ও সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করছেন। গণমাধ্যম কর্মীরাও প্রতি মুহূর্তের খবর জানাতে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছেন। আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

আরও
আরও খবর

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত