শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার যৌক্তিকতা নেই: জিএম কাদের
jugantor
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার যৌক্তিকতা নেই: জিএম কাদের

  সংসদ রিপোর্টার  

১৯ নভেম্বর ২০২০, ২২:৪৩:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বন্ধ রাখার যৌক্তিকতা নেই: সংসদে জিএম কাদের

সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, অফিস-আদালত, মিলকারখানা, দোকানপাট, যানবাহন, হাটবাজার কোনো কিছুই বন্ধ রাখা হচ্ছে না। শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বন্ধ রাখার যৌক্তিকতা দেখি না। আমি মনে করি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া উচিত।

বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদের দশম অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে বিরোধীদলীয় উপনেতা এ কথা বলেন।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে জিএম কাদের বলেন, কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবে গত মার্চ থেকে অদ্যাবধি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ এবং অটো পাস সিস্টেম চালু করা হয়েছে। কিন্তু আমরা যখন দেখছি যে অফিস-আদালত, মিলকারখানা, দোকানপাট, যানবাহন, হাটবাজার কোনোকিছুই বন্ধ রাখা হচ্ছে না। যানবাহনে সবখানে আমরা একসঙ্গেই ঘোরাফেরা করছি। শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বন্ধ রাখার যৌক্তিকতা দেখি না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া উচিত।

তিনি বলেন, শিক্ষার মতো মৌলিক গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম বন্ধ রাখার নামে ব্যাহত করা হচ্ছে দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ। এটা কখনোই মঙ্গলজনক নয়। পরীক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রেখে সবাইকে অটো পাস দেয়া, এতে মেধাবী ছাত্রদের প্রতি অবিচার করা হচ্ছে। কাজেই বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত যে যারা অনুপস্থিত থাকতে চায়, তাদের সেই সুযোগ দেয়া উচিত।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার যৌক্তিকতা নেই: জিএম কাদের

 সংসদ রিপোর্টার 
১৯ নভেম্বর ২০২০, ১০:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বন্ধ রাখার যৌক্তিকতা নেই: সংসদে জিএম কাদের
ফাইল ছবি

সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, অফিস-আদালত, মিলকারখানা, দোকানপাট, যানবাহন, হাটবাজার কোনো কিছুই বন্ধ রাখা হচ্ছে না। শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বন্ধ রাখার যৌক্তিকতা দেখি না। আমি মনে করি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া উচিত। 

বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদের দশম অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে বিরোধীদলীয় উপনেতা এ কথা বলেন।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে জিএম কাদের বলেন, কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবে গত মার্চ থেকে অদ্যাবধি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ এবং অটো পাস সিস্টেম চালু করা হয়েছে। কিন্তু আমরা যখন দেখছি যে অফিস-আদালত, মিলকারখানা, দোকানপাট, যানবাহন, হাটবাজার কোনোকিছুই বন্ধ রাখা হচ্ছে না। যানবাহনে সবখানে আমরা একসঙ্গেই ঘোরাফেরা করছি। শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বন্ধ রাখার যৌক্তিকতা দেখি না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া উচিত।

তিনি বলেন, শিক্ষার মতো মৌলিক গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম বন্ধ রাখার নামে ব্যাহত করা হচ্ছে দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ। এটা কখনোই মঙ্গলজনক নয়। পরীক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রেখে সবাইকে অটো পাস দেয়া, এতে মেধাবী ছাত্রদের প্রতি অবিচার করা হচ্ছে। কাজেই বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত যে যারা অনুপস্থিত থাকতে চায়, তাদের সেই সুযোগ দেয়া উচিত।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস