সরকারি চাকরির আবেদন ফি সর্বোচ্চ ১০০ টাকা করার দাবি
jugantor
সরকারি চাকরির আবেদন ফি সর্বোচ্চ ১০০ টাকা করার দাবি

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০২ ডিসেম্বর ২০২০, ২১:৫৮:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

বিসিএসসহ সব সরকারি চাকরির আবেদন ফি সর্বোচ্চ ১০০ টাকা করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে জাতীয় ছাত্র সমাজ। একইসঙ্গে সব চাকরির পরীক্ষা বিভাগীয় পর্যায়ে সম্পন্ন করারও দাবি জানিয়েছে।

বুধবার রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান সংগঠনটির নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি ইব্রাহীম খান জুয়েলের উপস্থিতিতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাধারণ সম্পাদক মো. আল মামুন।

ইব্রাহীম খান জুয়েল বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বপ্নের চাকরির জন্য সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নিয়ে চাকরির ফি প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। সরকারি চাকরিতে সব গ্রেডের চাকরি প্রার্থীদের আবেদন ফি অনধিক ১০০ টাকা নির্ধারণ করা না হলে দেশের বৃহৎ বেকার জনগোষ্ঠীকে সঙ্গে নিয়ে তীব্র আন্দোলন কর্মসূচি দেয়া হবে। তিনি বলেন, বিশ্বের আর কোথাও কোনো দেশেই চাকরিতে আবেদনের অসহনীয় ফি নেয়া হয় না। বরং উন্নত দেশগুলোতে বেকার ভাতা দেয়া হয়।

লিখিত বক্তব্যে আল মামুন জানান, করোনা পরিস্থিতিতে জনজীবন যেখানে বিপর্যস্ত ঠিক সেই মূহূর্তে বেকারদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে বিসিএসসহ সব চাকরির আবেদন ফি অসহনীয় করায় আমরা মর্মাহত। বিসিএসসহ সব সরকারি চাকরির আবেদন ফি অনধিক ১০০ টাকা করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান। সব চাকরির পরীক্ষা বিভাগীয় পর্যায়ে সম্পন্ন করারও দাবি জানান।

তিনি বলেন, করোনা মহামারীর প্রভাবে অর্থনৈতিক বিপর্যয়, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও বেকারত্বের ব্যাপক বৃদ্ধির কারণে জনজীবন যেখানে বিপর্যস্ত ঠিক তখনই ৩০ নভেম্বর প্রকাশিত ৪২ ও ৪৩তম বিএসএসে আবেদন ফি নির্ধারিত হয়েছে ৭০০ টাকা। এটা সত্যিই আমাদের জন্য অসহনীয় একটি বিষয়। সারা বিশ্বে কর্মসংস্থানহীন বেকারদের খারাপ অবস্থা বিবেচনা করে বেকার ভাতা দেয়া হয়। আমাদের দেশে ঠিক তার উল্টো। বেকারদের কাছ থেকে চাকরির আবেদন ফির নামে রাজস্ব আয়ের অপচেষ্টা মাত্র। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি না করে এবং আগের শূন্য পদগুলোতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করে নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোতে নিয়োগ প্রক্রিয়ার জন্য আলাদা বরাদ্দ/বাজেট রাখার জন্য আহ্বানও জানান জাতীয় ছাত্র সমাজের নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি শাহ ইমরান রিপন, সহসভাপতি মারুফ ইসলাম তালুকদার প্রিন্স, শাহরিয়ার রাসেল, দফতর সম্পাদক রুহুল আমিন গাজী বিপ্লব, এনজিও বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর সদস্য সচিব মো. মোস্তফা সুমন, কেন্দ্রীয় সদস্য সামিউল সোহাগ প্রমুখ।

সরকারি চাকরির আবেদন ফি সর্বোচ্চ ১০০ টাকা করার দাবি

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৯:৫৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বিসিএসসহ সব সরকারি চাকরির আবেদন ফি সর্বোচ্চ ১০০ টাকা করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে জাতীয় ছাত্র সমাজ। একইসঙ্গে সব চাকরির পরীক্ষা বিভাগীয় পর্যায়ে সম্পন্ন করারও দাবি জানিয়েছে। 

বুধবার রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান সংগঠনটির নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি ইব্রাহীম খান জুয়েলের উপস্থিতিতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাধারণ সম্পাদক মো. আল মামুন।

ইব্রাহীম খান জুয়েল বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বপ্নের চাকরির জন্য সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নিয়ে চাকরির ফি প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে। সরকারি চাকরিতে সব গ্রেডের চাকরি প্রার্থীদের আবেদন ফি অনধিক ১০০ টাকা নির্ধারণ করা না হলে দেশের বৃহৎ বেকার জনগোষ্ঠীকে সঙ্গে নিয়ে তীব্র আন্দোলন কর্মসূচি দেয়া হবে। তিনি বলেন, বিশ্বের আর কোথাও কোনো দেশেই চাকরিতে আবেদনের অসহনীয় ফি নেয়া হয় না। বরং উন্নত দেশগুলোতে বেকার ভাতা দেয়া হয়।

লিখিত বক্তব্যে আল মামুন জানান, করোনা পরিস্থিতিতে জনজীবন যেখানে বিপর্যস্ত ঠিক সেই মূহূর্তে বেকারদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে বিসিএসসহ সব চাকরির আবেদন ফি অসহনীয় করায় আমরা মর্মাহত। বিসিএসসহ সব সরকারি চাকরির আবেদন ফি অনধিক ১০০ টাকা করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান। সব চাকরির পরীক্ষা বিভাগীয় পর্যায়ে সম্পন্ন করারও দাবি জানান। 

তিনি বলেন, করোনা মহামারীর প্রভাবে অর্থনৈতিক বিপর্যয়, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও বেকারত্বের ব্যাপক বৃদ্ধির কারণে জনজীবন যেখানে বিপর্যস্ত ঠিক তখনই ৩০ নভেম্বর প্রকাশিত ৪২ ও ৪৩তম বিএসএসে আবেদন ফি নির্ধারিত হয়েছে ৭০০ টাকা। এটা সত্যিই আমাদের জন্য অসহনীয় একটি বিষয়। সারা বিশ্বে কর্মসংস্থানহীন বেকারদের খারাপ অবস্থা বিবেচনা করে বেকার ভাতা দেয়া হয়। আমাদের দেশে ঠিক তার উল্টো। বেকারদের কাছ থেকে চাকরির আবেদন ফির নামে রাজস্ব আয়ের অপচেষ্টা মাত্র। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি না করে এবং আগের শূন্য পদগুলোতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করে নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোতে নিয়োগ প্রক্রিয়ার জন্য আলাদা বরাদ্দ/বাজেট রাখার জন্য আহ্বানও জানান জাতীয় ছাত্র সমাজের নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় ছাত্র সমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি শাহ ইমরান রিপন, সহসভাপতি মারুফ ইসলাম তালুকদার প্রিন্স, শাহরিয়ার রাসেল, দফতর সম্পাদক রুহুল আমিন গাজী বিপ্লব, এনজিও বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর সদস্য সচিব মো. মোস্তফা সুমন, কেন্দ্রীয় সদস্য সামিউল সোহাগ প্রমুখ।