‘নিরপেক্ষ তদন্তে নূর হোসেন হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করতে হবে’
jugantor
‘নিরপেক্ষ তদন্তে নূর হোসেন হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করতে হবে’

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১০ নভেম্বর ২০২১, ২১:০৮:৪৭  |  অনলাইন সংস্করণ

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি বলেছেন, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নূর হোসেন হত্যার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন করতে হবে। কেন নূর হোসেন হত্যার পোস্টমর্টেম রিপোর্ট প্রকাশ হলো না, হত্যায় মামলা হলো না তা আজ দেশের মানুষ জানতে চায়। ১৯৯১ সালের পর সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নামে অসংখ্য মামলা হয়েছে। কিন্তু নূর হোসেন হত্যার মামলা হলো না কেন?

তিনি বলেন, এখন মনে হচ্ছে জাতীয় পার্টির দুর্নাম করতেই ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নূর হোসেনকে হত্যা করা হয়েছে। তার বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তিনি বলেন, নূর হোসেন বুকে ও পিঠে যে স্লোগান লিখেছিলেন আজ আমরাও সেই স্লোগান দিচ্ছি। আমরাও বলছি, স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক। আমরা নূর হোসেন হত্যার বিচার চাই।

বুধবার জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সরকার দেশের মানুষের কষ্ট বোঝে না বলেই অযৌক্তিকভাবে তেলের দাম বাড়িয়েছে। আবার পরিবহণ সেক্টরের সঙ্গে নাটকের মাধ্যমে ধর্মঘট ডেকে সড়ক ও নৌপথের ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে। গণপরিবহণে যে পরিমাণ ভাড়া বাড়ানো হয়েছে তার প্রায় দ্বিগুণ আদায় করা হচ্ছে । কিন্তু দেখার কেউ নেই। দেশের মানুষ অসহনীয় কষ্টে আছে। তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে প্রতিটি পণ্যের দাম বেড়ে যাবে, মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়বে।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রতিদিনই ওঠানামা করে। দাম কমলে তো দেশে তেলের দাম কমানো হয় না। করোনাকালে অনেক কমদামে তেল কিনে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যবসা করেছে সরকার। এখন ভর্তুকি দিয়ে হলেও দাম কমাতে হবে। তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লেও জাতীয় পার্টির আমলে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ কখনোই দাম বাড়াতেন না। তিনি সব সময় ভর্তুকি দিয়ে তেলের দাম মানুষের সামনে সহনীয় পর্যায়ে রেখেছেন। বর্তমান বাস্তবতায় দাম বাড়ানো হচ্ছে গণবিরোধী সিদ্ধান্ত।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বর সামরিক আইন তুলে দিয়ে পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ গণতন্ত্রের দ্বার উন্মোচন করেন। ১৯৯১-এর পর দুটি দল গণতন্ত্রের নামে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। তারা গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা করেনি। গণতন্ত্রের কথা বলে জনগণের সঙ্গে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি তা তারা রক্ষা করেনি। তিনি বলেন, করোনাকালে প্রমাণ হয়েছে আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা কতটা নাজুক। পর্যাপ্ত টেস্টের ব্যবস্থাও ছিল না। যে সবজি কৃষক ৫ থেকে ৭ টাকা দরে বিক্রি করে, তা রাজধানীতে ৭০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হয়। ঘাটে ঘাটে চাঁদাবাজি আর সিন্ডিকেটের কারণে দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাচ্ছে। চাঁদাবাজ আর দলবাজের দৌরাত্ম্যে দেশের মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু এমপি বলেন, দেশে গণতন্ত্র নেই। দেশের মানুষকে গণতন্ত্রের প্রকৃত স্বাদ ফিরিয়ে দিতেই জাতীয় পার্টির রাজনীতি। তিনি বলেন সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে বিচার বিভাগ প্রচ্ছন্নভাবে সরকারের অধীনে। সংবিধান অনুযায়ী আইন না করায় নির্বাচন কমিশনও গঠন হয় রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে। বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী দেশে গণতন্ত্র চর্চা হয় না, একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়। আমরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করব। আগামী নির্বাচনে তিনশ আসনে মনোনয়ন দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমরা পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আদর্শ ও স্বপ্ন নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে যাব। দেশের মানুষ জাতীয় পার্টির দিকে তাকিয়ে আছে।

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি বলেন, দেশের মানুষ জাতীয় পার্টির শাসনামল আবার ফিরে পেতে চায়। জনগণ আজও এরশাদের শাসনামলের কথা মনে করে। তার উন্নয়নের প্রশংসা করে। মানুষ জাতীয় পার্টির শাসনামলে সুখে-শান্তিতে ছিলেন। সে সময় হত্যা-খুন-ধর্ষণ-অপহরণ ছিল না। লুটপাট ছিল না। আর এখন মানুষের জীবনের দাম নেই। সর্বত্র চলছে অরাজকতা। সন্ত্রাস, দুর্নীতি, লুটপাট, অর্থ পাচার। দ্রব্যমূল্যের সিমাহীন ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ দিশেহারা। পরিবহণ খাতে চলছে চরম নৈরাজ্য। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এ অরাজকতা ও নৈরাজ্য কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না।

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি বলেন, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর পরই হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ গণতন্ত্রের জন্য সবচেয়ে বেশি কাজ করেছেন। তিনি বলেন, গণমানুষের ভলোবাসা নিয়ে আগামী দিনে জাতীয় পার্টি দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে।

সভায় প্রেসিডিয়াম সদস্য মীর আব্দুস সবুর আসুদ, রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, নাজমা আখতার এমপি, উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য রওশন আরা মান্নান এমপি, সেলিম উদ্দিন, হেনা খান পন্নি, ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম ওমর বক্তব্য রাখেন। উপস্থিত ছিলেন- প্রেসিডিয়াম সদস্য শফিকুল ইসলাম সেন্টু, উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য শেরিফা কাদের এমপি, ড. নুরুল আজহার শামীম, মনিরুল ইসলাম মিলন, ড. গোলাম মোস্তফা, ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তফা আল মাহমুদ, আমিনুল ইসলাম ঝন্টু, যুগ্ম মহাসচিব মো. জসীম উদ্দিন ভূঁইয়া, ইকবাল হোসেন তাপস, সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন মঞ্জু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হেলাল উদ্দিন, আনিস উর রহমান খোকন, কেন্দ্রীয় নেতা ডা. সেলিমা খান, শেখ মো. শান্ত, তাসলিমা আকবর রুনা, আলমগীর কবির মজুমদার, মোমেনা বেগম, আব্দুস সাত্তার, সীমানা আমির প্রমুখ।

‘নিরপেক্ষ তদন্তে নূর হোসেন হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করতে হবে’

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১০ নভেম্বর ২০২১, ০৯:০৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি বলেছেন, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নূর হোসেন হত্যার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন করতে হবে। কেন নূর হোসেন হত্যার পোস্টমর্টেম রিপোর্ট প্রকাশ হলো না, হত্যায় মামলা হলো না তা আজ দেশের মানুষ জানতে চায়। ১৯৯১ সালের পর সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নামে অসংখ্য মামলা হয়েছে। কিন্তু নূর হোসেন হত্যার মামলা হলো না কেন? 

তিনি বলেন, এখন মনে হচ্ছে জাতীয় পার্টির দুর্নাম করতেই ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নূর হোসেনকে হত্যা করা হয়েছে। তার বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তিনি বলেন, নূর হোসেন বুকে ও পিঠে যে স্লোগান লিখেছিলেন আজ আমরাও সেই স্লোগান দিচ্ছি। আমরাও বলছি, স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক। আমরা নূর হোসেন হত্যার বিচার চাই।

বুধবার জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা এসব কথা বলেন। 

তিনি বলেন, সরকার দেশের মানুষের কষ্ট বোঝে না বলেই অযৌক্তিকভাবে তেলের দাম বাড়িয়েছে। আবার পরিবহণ সেক্টরের সঙ্গে নাটকের মাধ্যমে ধর্মঘট ডেকে সড়ক ও নৌপথের ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে। গণপরিবহণে যে পরিমাণ ভাড়া বাড়ানো হয়েছে তার প্রায় দ্বিগুণ আদায় করা হচ্ছে । কিন্তু দেখার কেউ নেই। দেশের মানুষ অসহনীয় কষ্টে আছে। তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে প্রতিটি পণ্যের দাম বেড়ে যাবে, মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়বে।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রতিদিনই ওঠানামা করে। দাম কমলে তো দেশে তেলের দাম কমানো হয় না। করোনাকালে অনেক কমদামে তেল কিনে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যবসা করেছে সরকার। এখন ভর্তুকি দিয়ে হলেও দাম কমাতে হবে। তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়লেও জাতীয় পার্টির আমলে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ কখনোই দাম বাড়াতেন না। তিনি সব সময় ভর্তুকি দিয়ে তেলের দাম মানুষের সামনে সহনীয় পর্যায়ে রেখেছেন। বর্তমান বাস্তবতায় দাম বাড়ানো হচ্ছে গণবিরোধী সিদ্ধান্ত। 

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বর সামরিক আইন তুলে দিয়ে পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ গণতন্ত্রের দ্বার উন্মোচন করেন। ১৯৯১-এর পর দুটি দল গণতন্ত্রের নামে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। তারা গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা করেনি। গণতন্ত্রের কথা বলে জনগণের সঙ্গে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি তা তারা রক্ষা করেনি। তিনি বলেন, করোনাকালে প্রমাণ হয়েছে আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা কতটা নাজুক। পর্যাপ্ত টেস্টের ব্যবস্থাও ছিল না। যে সবজি কৃষক ৫ থেকে ৭ টাকা দরে বিক্রি করে, তা রাজধানীতে ৭০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হয়। ঘাটে ঘাটে চাঁদাবাজি আর সিন্ডিকেটের কারণে দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাচ্ছে। চাঁদাবাজ আর দলবাজের দৌরাত্ম্যে দেশের মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে। 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু এমপি বলেন, দেশে গণতন্ত্র নেই। দেশের মানুষকে গণতন্ত্রের প্রকৃত স্বাদ ফিরিয়ে দিতেই জাতীয় পার্টির রাজনীতি। তিনি বলেন সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে বিচার বিভাগ প্রচ্ছন্নভাবে সরকারের অধীনে। সংবিধান অনুযায়ী আইন না করায় নির্বাচন কমিশনও গঠন হয় রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে। বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী দেশে গণতন্ত্র চর্চা হয় না, একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়। আমরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করব। আগামী নির্বাচনে তিনশ আসনে মনোনয়ন দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমরা পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আদর্শ ও স্বপ্ন নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে যাব। দেশের মানুষ জাতীয় পার্টির দিকে তাকিয়ে আছে।

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি বলেন, দেশের মানুষ জাতীয় পার্টির শাসনামল আবার ফিরে পেতে চায়। জনগণ আজও এরশাদের শাসনামলের কথা মনে করে। তার উন্নয়নের প্রশংসা করে। মানুষ জাতীয় পার্টির শাসনামলে সুখে-শান্তিতে ছিলেন। সে সময় হত্যা-খুন-ধর্ষণ-অপহরণ ছিল না। লুটপাট ছিল না। আর এখন মানুষের জীবনের দাম নেই। সর্বত্র চলছে অরাজকতা। সন্ত্রাস, দুর্নীতি, লুটপাট, অর্থ পাচার। দ্রব্যমূল্যের সিমাহীন ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ দিশেহারা। পরিবহণ খাতে চলছে চরম নৈরাজ্য। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এ অরাজকতা ও নৈরাজ্য কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না। 

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি বলেন, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর পরই হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ গণতন্ত্রের জন্য সবচেয়ে বেশি কাজ করেছেন। তিনি বলেন, গণমানুষের ভলোবাসা নিয়ে আগামী দিনে জাতীয় পার্টি দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে।

সভায় প্রেসিডিয়াম সদস্য মীর আব্দুস সবুর আসুদ, রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, নাজমা আখতার এমপি, উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য রওশন আরা মান্নান এমপি, সেলিম উদ্দিন, হেনা খান পন্নি, ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম ওমর বক্তব্য রাখেন। উপস্থিত ছিলেন- প্রেসিডিয়াম সদস্য শফিকুল ইসলাম সেন্টু, উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য শেরিফা কাদের এমপি, ড. নুরুল আজহার শামীম, মনিরুল ইসলাম মিলন, ড. গোলাম মোস্তফা, ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তফা আল মাহমুদ, আমিনুল ইসলাম ঝন্টু, যুগ্ম মহাসচিব মো. জসীম উদ্দিন ভূঁইয়া, ইকবাল হোসেন তাপস, সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন মঞ্জু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হেলাল উদ্দিন, আনিস উর রহমান খোকন, কেন্দ্রীয় নেতা ডা. সেলিমা খান, শেখ মো. শান্ত, তাসলিমা আকবর রুনা, আলমগীর কবির মজুমদার, মোমেনা বেগম, আব্দুস সাত্তার, সীমানা আমির প্রমুখ। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন