সরকারকে অবিলম্বে কারফিউ জারি করতে বলেছে এলডিপি
jugantor
সরকারকে অবিলম্বে কারফিউ জারি করতে বলেছে এলডিপি

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২০ মে ২০২০, ১৯:৫০:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

সরকারকে অবিলম্বে কারফিউ জারি করতে বলেছে এলডিপি

সরকারের ব্যর্থতায় বিপর্যয়কর করোনা পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ করে অবিলম্বে লকডাউন কার্যকর করতে প্রয়োজনে কারফিউ জারি করার আহ্বান জানিয়েছে এলডিপি (একাংশ)।

দলটির সভাপতি আবদুল করিম আব্বাসী ও মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম বুৃধবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, করোনা সঙ্কটকালে আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মানুষ গ্রামমুখী হয়েছে, যা অত্যন্ত বিপর্যয়কর পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। এক্ষেত্রে অবিলম্বে লকডাউন কার্যকর করতে প্রয়োজনে কারফিউ জারি করাই হতে পারে সমাধান।

বিবৃতিতে তারা বলেন, সরকার এ বিপর্যয় প্রতিরোধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। সরকারের এই ব্যর্থতা মানুষের জীবন-জীবিকায় হুমকি ডেকে আনবে।

তারা আরও বলেন, করোনার সংক্রমণ এখন নিয়ন্ত্রণহীন। সরকার করোনা মোকাবেলায় সবদিক থেকে ব্যর্থ। সরকারি হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ ও ভেন্টিলেটর ব্যবস্থা অপ্রতুল। ৯০ ভাগ হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেনের ব্যবস্থা নেই। হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়নি। নিম্নমানের মাস্ক সরবরাহ করে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের বিপদে ফেলে দিয়েছে সরকার। এখন তারা রোগীদের চিকিৎসা দিতে ভয় পাচ্ছে।

বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, করোনার এই ভয়াবহ সঙ্কটকালেও সরকারের নিপীড়ন থেমে নেই। ত্রাণের অনিয়ম, চাল চুরি ও করোনা নিয়ে সমালোচনা করায় এই পর্যন্ত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গণমাধ্যমকর্মীসহ ৪১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বেশ কয়েকজন সম্পাদক ও সাংবাদিকের নামে ডিজিটাল আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। যা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও সরকারের প্রতিহিংসামূলক চরিত্রের নগ্ন প্রকাশ।

সরকারকে অবিলম্বে কারফিউ জারি করতে বলেছে এলডিপি

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২০ মে ২০২০, ০৭:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সরকারকে অবিলম্বে কারফিউ জারি করতে বলেছে এলডিপি
করোনার প্রতীকী ছবি

সরকারের ব্যর্থতায় বিপর্যয়কর করোনা পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ করে অবিলম্বে লকডাউন কার্যকর করতে প্রয়োজনে কারফিউ জারি করার আহ্বান জানিয়েছে এলডিপি (একাংশ)।

দলটির সভাপতি আবদুল করিম আব্বাসী ও মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম বুৃধবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, করোনা সঙ্কটকালে আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মানুষ গ্রামমুখী হয়েছে, যা অত্যন্ত বিপর্যয়কর পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। এক্ষেত্রে অবিলম্বে লকডাউন কার্যকর করতে প্রয়োজনে কারফিউ জারি করাই হতে পারে সমাধান।

বিবৃতিতে তারা বলেন, সরকার এ বিপর্যয় প্রতিরোধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। সরকারের এই ব্যর্থতা মানুষের জীবন-জীবিকায় হুমকি ডেকে আনবে।

তারা আরও বলেন, করোনার সংক্রমণ এখন নিয়ন্ত্রণহীন। সরকার করোনা মোকাবেলায় সবদিক থেকে ব্যর্থ। সরকারি হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ ও ভেন্টিলেটর ব্যবস্থা অপ্রতুল। ৯০ ভাগ হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেনের ব্যবস্থা নেই। হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়নি। নিম্নমানের মাস্ক সরবরাহ করে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের বিপদে ফেলে দিয়েছে সরকার। এখন তারা রোগীদের চিকিৎসা দিতে ভয় পাচ্ছে।

বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, করোনার এই ভয়াবহ সঙ্কটকালেও সরকারের নিপীড়ন থেমে নেই। ত্রাণের অনিয়ম, চাল চুরি ও করোনা নিয়ে সমালোচনা করায় এই পর্যন্ত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গণমাধ্যমকর্মীসহ ৪১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বেশ কয়েকজন সম্পাদক ও সাংবাদিকের নামে ডিজিটাল আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। যা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও সরকারের প্রতিহিংসামূলক চরিত্রের নগ্ন প্রকাশ।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস