গণতন্ত্রের প্রতি সরকারের ন্যূনতম আস্থা নেই: জাফরুল্লাহ চৌধুরী
jugantor
গণতন্ত্রের প্রতি সরকারের ন্যূনতম আস্থা নেই: জাফরুল্লাহ চৌধুরী

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৩ জুলাই ২০২১, ১৮:৫৩:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, গণতন্ত্রের প্রতি সরকারের ন্যূনতম আস্থা নেই।যদি আস্থা থাকতে তাহলে একজন সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদ, বিরোধীদলীয় রাজনীতিবিদ কিংবা সাংবাদিক অথবা বুদ্ধিজীবীদের সমন্বয়ে এই (রূপগঞ্জের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা) তদন্ত কমিটি গঠন করত। যারা নিরপেক্ষভাবে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিতেন।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে অবস্থিত গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সজীব গ্রুপের অঙ্গ-প্রতিষ্ঠান হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শ্রমিক হত্যা এবং সামগ্রিক করোনা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে এ ‘নাগরিক সংবাদ সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত হয়।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের গণমাধ্যম উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টুর পরিচালনায় ও ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর, মুক্তিযোদ্ধা ইসতিয়াক আজিজ উলফাত।

উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলনের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য জুলহাসনাইন বাবু, ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, রূপগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডের দায় আমলাদের।মন্ত্রণালয়ের ফ্যাক্টরি পরিদর্শক যে বিভাগ আছে তারা কী করেছে? তাদের তো উচিত ছিল ওই ফ্যাক্টরিতে সব নিয়ম মানা হয়েছে কি না, তাদের লাইসেন্স আছে কি না এবং ফায়ার এক্সিট আছে কি না, সর্বপরি ফ্যাক্টরি চালানোর অনুমোদন আছে কি না- এসব দেখা।

তিনি বলেন, সব থেকে মজার ব্যাপার হলো এই অগ্নিকাণ্ডে যাদের অবহেলায় হয়েছে এবং যারা এসব হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে পরোক্ষভাবে দায়ী তাদেরই জয়েন সেক্রেটারিকে (যুগ্ম সচিব) এই ঘটনার তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে। এই তদন্ত কমিটির থেকে আমরা কী আশা করতে পারি?

গণতন্ত্রের প্রতি সরকারের ন্যূনতম আস্থা নেই: জাফরুল্লাহ চৌধুরী

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৩ জুলাই ২০২১, ০৬:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, গণতন্ত্রের প্রতি সরকারের ন্যূনতম আস্থা নেই।যদি আস্থা থাকতে তাহলে একজন সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদ, বিরোধীদলীয় রাজনীতিবিদ কিংবা সাংবাদিক অথবা বুদ্ধিজীবীদের সমন্বয়ে এই (রূপগঞ্জের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা) তদন্ত কমিটি গঠন করত। যারা নিরপেক্ষভাবে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিতেন।

মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে অবস্থিত গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। 

সজীব গ্রুপের অঙ্গ-প্রতিষ্ঠান হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শ্রমিক হত্যা এবং সামগ্রিক করোনা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে এ ‘নাগরিক সংবাদ সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত হয়।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের গণমাধ্যম উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টুর পরিচালনায় ও ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর, মুক্তিযোদ্ধা ইসতিয়াক আজিজ উলফাত।

উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলনের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য জুলহাসনাইন বাবু, ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, রূপগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডের দায় আমলাদের।মন্ত্রণালয়ের ফ্যাক্টরি পরিদর্শক যে বিভাগ আছে তারা কী করেছে? তাদের তো উচিত ছিল ওই ফ্যাক্টরিতে সব নিয়ম মানা হয়েছে কি না, তাদের লাইসেন্স আছে কি না এবং ফায়ার এক্সিট আছে কি না, সর্বপরি ফ্যাক্টরি চালানোর অনুমোদন আছে কি না- এসব দেখা।

তিনি বলেন, সব থেকে মজার ব্যাপার হলো এই অগ্নিকাণ্ডে যাদের অবহেলায় হয়েছে এবং যারা এসব হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে পরোক্ষভাবে দায়ী তাদেরই জয়েন সেক্রেটারিকে (যুগ্ম সচিব) এই ঘটনার তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে। এই তদন্ত কমিটির থেকে আমরা কী আশা করতে পারি? 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : রূপগঞ্জে কারখানায় আগুন