সরকারের কঠোর সমালোচনা করে যা বললেন ভিপি নুর
jugantor
সরকারের কঠোর সমালোচনা করে যা বললেন ভিপি নুর

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৬ জুলাই ২০২২, ১৬:৩৩:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

সরকারের কঠোর সমালোচনা করে গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, ‘সরকারের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি, সরকারি দলের নেতাকর্মীদের দুর্নীতি ও লুটপাটে দেশ এখন খাদের কিনারায়।উন্নয়নের মুলা ঝুলিয়ে সরকার এখন মানুষের হাতে হারিকেন ধরিয়ে দিয়েছে।এখন আরেকটা বাঁশ ধরিয়ে দেওয়ার পালা।’

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে যুব অধিকার পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত ‘দুর্নীতিবিরোধী’ বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

নুর বলেন, ‘সরকারের গোঁজামিলের উন্নয়নের ফুলঝুরি ও ভাঁওতাবাজির এখন জনগণের সামনে দৃশ্যমান। সরকার দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে দেশে প্রয়োজনের তুলনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন বেশি হচ্ছে, ভবিষ্যতে বিদেশে রপ্তানি করবে।অথচ এখন দেশেই বিদ্যুতের হাহাকার।পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সরকার ২৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম, দেশে প্রয়োজন ১৫ হাজার মেগাওয়াট। তাহলে সংকট কেন? কুইক রেন্টালের নামে দলীয় নেতাকর্মীদের কুইক দুর্নীতি ও লুটপাটের সুযোগ দিতে প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়া হচ্ছে। সরকারের ভাঁওতাবাজি আর গোঁজামিলের হিসাবে জনগণের উন্নয়ন হয়নি, হয়েছে মাফিয়া লুটেরাদের।গত ১০ বছরে ৭০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘সরকার সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।কক্সবাজারের রামু থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর, সুনামগঞ্জের শাল্লা, নড়াইলের মতো ঘটনাগুলো বার বার ঘটলেও একটা ঘটনারও সুষ্ঠু তদন্ত হয়নি।ঘটনাগুলোর সঠিক তদন্তও করলে হয়ত এর পেছনে অন্য রহস্য বের হয়ে আসবে।তাই সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনাগুলো তদন্ত বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করছি।’

গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান বলেন, ‘শতভাগ বিদ্যুতের নামে বিদ্যুতের ফেরিওয়ালা সরকার মানুষের হাতে শতভাগ হারিকেন ধরিয়ে দিয়েছে। কুইক রেন্টালের নামে কুইক দুর্নীতি করে বিদ্যুৎ খাতকে ধ্বংস করা হয়েছে। ভারতের আদানি গ্রুপের সাথে বিদ্যুৎ আমদানির ২৫ বছরের চুক্তি হয়েছে, বিদ্যুৎ নেন আর না নেন প্রতিবছর ৪ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হবে।এভাবে ক্যাপাসিটি চার্জের নামে লুটপাট চলছে।

বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলামের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন, গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু হানিফ, সাদ্দাম হোসেন, শাকিলউজ্জামান, যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুজ জাহের, তারেক রহমান, সহকারী আহ্বায়ক খায়রুল কবীর, যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মুনতাজুল ইসলাম, সহ-সভাপতি আবু তৈয়ব, রাসেল মুন, বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মনজুর মোরশেদ মামুন, সাধারণ সম্পাদক নাদিম হাসান, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন, সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

সরকারের কঠোর সমালোচনা করে যা বললেন ভিপি নুর

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৬ জুলাই ২০২২, ০৪:৩৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সরকারের কঠোর সমালোচনা করে গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, ‘সরকারের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি, সরকারি দলের নেতাকর্মীদের দুর্নীতি ও লুটপাটে দেশ এখন খাদের কিনারায়।উন্নয়নের মুলা ঝুলিয়ে সরকার এখন মানুষের হাতে হারিকেন ধরিয়ে দিয়েছে।এখন আরেকটা বাঁশ ধরিয়ে দেওয়ার পালা।’

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে যুব অধিকার পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত ‘দুর্নীতিবিরোধী’ বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। 

নুর বলেন, ‘সরকারের গোঁজামিলের উন্নয়নের ফুলঝুরি ও ভাঁওতাবাজির এখন জনগণের সামনে দৃশ্যমান। সরকার দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে দেশে প্রয়োজনের তুলনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন বেশি হচ্ছে, ভবিষ্যতে বিদেশে রপ্তানি করবে।অথচ এখন দেশেই বিদ্যুতের হাহাকার।পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সরকার ২৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম, দেশে প্রয়োজন ১৫ হাজার মেগাওয়াট। তাহলে সংকট কেন? কুইক রেন্টালের নামে দলীয় নেতাকর্মীদের কুইক দুর্নীতি ও লুটপাটের সুযোগ দিতে প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়া হচ্ছে। সরকারের ভাঁওতাবাজি আর গোঁজামিলের হিসাবে জনগণের উন্নয়ন হয়নি, হয়েছে মাফিয়া লুটেরাদের।গত ১০ বছরে ৭০ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়া হয়েছে।’ 

তিনি বলেন, ‘সরকার সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে।কক্সবাজারের রামু থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর, সুনামগঞ্জের শাল্লা, নড়াইলের মতো ঘটনাগুলো বার বার ঘটলেও একটা ঘটনারও সুষ্ঠু তদন্ত হয়নি।ঘটনাগুলোর সঠিক তদন্তও করলে হয়ত এর পেছনে অন্য রহস্য বের হয়ে আসবে।তাই সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনাগুলো তদন্ত বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করছি।’

গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান বলেন, ‘শতভাগ বিদ্যুতের নামে বিদ্যুতের ফেরিওয়ালা সরকার মানুষের হাতে শতভাগ হারিকেন ধরিয়ে দিয়েছে। কুইক রেন্টালের নামে কুইক দুর্নীতি করে বিদ্যুৎ খাতকে ধ্বংস করা হয়েছে। ভারতের আদানি গ্রুপের সাথে বিদ্যুৎ আমদানির ২৫ বছরের চুক্তি হয়েছে, বিদ্যুৎ নেন আর না নেন প্রতিবছর ৪ হাজার কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হবে।এভাবে ক্যাপাসিটি চার্জের নামে লুটপাট চলছে।

বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলামের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন, গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু হানিফ, সাদ্দাম হোসেন, শাকিলউজ্জামান, যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুজ জাহের, তারেক রহমান, সহকারী আহ্বায়ক খায়রুল কবীর, যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মুনতাজুল ইসলাম, সহ-সভাপতি আবু তৈয়ব, রাসেল মুন, বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মনজুর মোরশেদ মামুন, সাধারণ সম্পাদক নাদিম হাসান, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন, সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন