‘বিএনপির নেতৃত্বে আন্দোলনে নামছে এলডিপি নাগরিক ঐক্য জামায়াত’
jugantor
‘বিএনপির নেতৃত্বে আন্দোলনে নামছে এলডিপি নাগরিক ঐক্য জামায়াত’

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৮:১৭:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

আওয়ামী লীগ সরকারকে হটাতে বিএনপির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের চেষ্টা চলছে। এ সংক্রান্ত আলোচনা শেষ পর্যায়ে রয়েছে। যেকোনো দিন বিএনপি আন্দোলনের রূপরেখা দেবে। এ আন্দোলনে মাঠে নামবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), নাগরিক ঐক্য ও জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে এলডিপির উদ্যোগে ‘দেশের সার্বিক পরিস্থিতি’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এই তিন দলের নেতারা এসব কথা বলেন।

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বলেন, বিএনপির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের একটা চেষ্টা চলছে। এ সংক্রান্ত আলোচনা শেষ পর্যায়ে রয়েছে। কীভাবে আন্দোলন হবে, তার রূপরেখা যেকোনো দিন জাতির সামনে বিএনপি দেবে। সেই রূপরেখার সঙ্গে আমরা একমত।

অলি আহমদ বলেন, ‘বুধবার সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের কোনো প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি প্রধানমন্ত্রী। তিনি যে আশা নিয়ে ভারত গিয়েছিলেন- তা প্রতিফলিত হয়নি। এখন ভূরাজনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নাকি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। নির্বাচন নয়, জান বাঁচানোর প্রস্তুতি নিন। পৃথিবীতে যত স্বৈরাচার ছিল তাদের করুণ পরিণতি হয়েছে, এখানেও এদের হবে।’

অলি বলেন, ‘যেসব অফিসাররা এই সরকারকে টিকিয়ে রাখার জন্য কাজ করেছে, তাদের তালিকা করছি আমরা। তাদেরকে আগে জেলে দিতে হবে। যারা পেনশনে গেছে তাদের পেনশন বাজেয়াপ্ত করতে হবে। কারণ তারা জাতীয় শত্রু।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিগত সরকারের বিরুদ্ধে এই সরকার অনেক দুর্নীতির কথা বলেছিল। কিন্তু গত ১৩ বছরে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ছাড়া আর কোনো মামলা করতে পারেনি। যত দুর্নীতি হয়েছে গত ১৩ বছরের হয়েছে।মেগা প্রকল্পগুলো হাতে নিয়েছিল এই দুর্নীতি করার জন্য।’

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ভারত গেছেন ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে।এবার ভারত শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় থাকার নিশ্চয়তা দেয়নি। এবারের সফরের পর আওয়ামী লীগ বুঝেছে তাদের সঙ্গে পৃথিবীর কেউ নেই।তিনি কিছুই আনতে পারেননি ভারত থেকে।’

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে দেশের বিরোধী দলগুলোর মধ্যে একটি ঐক্য হয়েছে। ঐক্যটি হলো এ সরকারের অধীন তারা নির্বাচনে যাবে না। আমরা যারা যারা ঐক্য গড়ে তুলব, তারা প্রথম দফায় একবার কথা বলেছি। দ্বিতীয় দফায় কথা বলব।ঐক্য হওয়ার পর ঐক্যবদ্ধভাবে রাস্তায় নামব, এই আশায় বসে আছি।

মান্না বলেন, ১৪ বছর ধরে একা একা আন্দোলন করে কোনোফল আসেনি। তাই সবাইকে নিয়ে আন্দোলনে যেতে হবে। এখনই সময় আন্দোলন করার। সময় বুঝে আন্দোলনে নামতে হবে। এজন্য হিম্মত থাকতে হবে।

জামায়াতে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, ‘অতীতে কোনদলের কী ভূমিকা ছিল, এটা পর্যালোচনা করি না। বর্তমান দুঃশাসনের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য সবাইঐক্যবদ্ধভাবে সংগ্রামে নেমে পড়ব, এটাই আমাদের অঙ্গীকার। দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক ঐক্য আরও সুদৃঢ় করতে হবে। যোগাযোগ আরও বাড়াতে হবে। সম্মিলিত সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এই সরকারের পতন ঘটাব।’

এলডিপির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন- জাগপার সহসভাপতি রাশেদ প্রধানসহ এলডিপি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।

‘বিএনপির নেতৃত্বে আন্দোলনে নামছে এলডিপি নাগরিক ঐক্য জামায়াত’

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৬:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

আওয়ামী লীগ সরকারকে হটাতে বিএনপির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের চেষ্টা চলছে। এ সংক্রান্ত আলোচনা শেষ পর্যায়ে রয়েছে। যেকোনো দিন বিএনপি আন্দোলনের রূপরেখা দেবে। এ আন্দোলনে মাঠে নামবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), নাগরিক ঐক্য ও জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে এলডিপির উদ্যোগে ‘দেশের সার্বিক পরিস্থিতি’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এই তিন দলের নেতারা এসব কথা বলেন।

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বলেন, বিএনপির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের একটা চেষ্টা চলছে। এ সংক্রান্ত আলোচনা শেষ পর্যায়ে রয়েছে। কীভাবে আন্দোলন হবে, তার রূপরেখা যেকোনো দিন জাতির সামনে বিএনপি দেবে। সেই রূপরেখার সঙ্গে আমরা একমত।

অলি আহমদ বলেন, ‘বুধবার সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের কোনো প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি প্রধানমন্ত্রী। তিনি যে আশা নিয়ে ভারত গিয়েছিলেন- তা প্রতিফলিত হয়নি। এখন ভূরাজনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নাকি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। নির্বাচন নয়, জান বাঁচানোর প্রস্তুতি নিন। পৃথিবীতে যত স্বৈরাচার ছিল তাদের করুণ পরিণতি হয়েছে, এখানেও এদের হবে।’

অলি বলেন, ‘যেসব অফিসাররা এই সরকারকে টিকিয়ে রাখার জন্য কাজ করেছে, তাদের তালিকা করছি আমরা। তাদেরকে আগে জেলে দিতে হবে। যারা পেনশনে গেছে তাদের পেনশন বাজেয়াপ্ত করতে হবে। কারণ তারা জাতীয় শত্রু।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিগত সরকারের বিরুদ্ধে এই সরকার অনেক দুর্নীতির কথা বলেছিল। কিন্তু গত ১৩ বছরে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ছাড়া আর কোনো মামলা করতে পারেনি। যত দুর্নীতি হয়েছে গত ১৩ বছরের হয়েছে।মেগা প্রকল্পগুলো হাতে নিয়েছিল এই দুর্নীতি করার জন্য।’

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ভারত গেছেন ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে।এবার ভারত শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় থাকার নিশ্চয়তা দেয়নি। এবারের সফরের পর আওয়ামী লীগ বুঝেছে তাদের সঙ্গে পৃথিবীর কেউ নেই।তিনি কিছুই আনতে পারেননি ভারত থেকে।’

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে দেশের বিরোধী দলগুলোর মধ্যে একটি ঐক্য হয়েছে। ঐক্যটি হলো এ সরকারের অধীন তারা নির্বাচনে যাবে না। আমরা যারা যারা ঐক্য গড়ে তুলব, তারা প্রথম দফায় একবার কথা বলেছি। দ্বিতীয় দফায় কথা বলব।ঐক্য হওয়ার পর ঐক্যবদ্ধভাবে রাস্তায় নামব, এই আশায় বসে আছি।

মান্না বলেন, ১৪ বছর ধরে একা একা আন্দোলন করে কোনো ফল আসেনি। তাই সবাইকে নিয়ে আন্দোলনে যেতে হবে। এখনই সময় আন্দোলন করার। সময় বুঝে আন্দোলনে নামতে হবে। এজন্য হিম্মত থাকতে হবে। 

জামায়াতে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, ‘অতীতে কোন দলের কী ভূমিকা ছিল, এটা পর্যালোচনা করি না। বর্তমান দুঃশাসনের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে সংগ্রামে নেমে পড়ব, এটাই আমাদের অঙ্গীকার। দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক ঐক্য আরও সুদৃঢ় করতে হবে। যোগাযোগ আরও বাড়াতে হবে। সম্মিলিত সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এই সরকারের পতন ঘটাব।’

এলডিপির মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন- জাগপার সহসভাপতি রাশেদ প্রধানসহ এলডিপি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন