পদ্মার ইলিশ না পেয়ে তসলিমার আফসোস ও ক্ষোভ

  যুগান্তর ডেস্ক ২১ অক্টোবর ২০১৯, ১৩:০১:০৬ | অনলাইন সংস্করণ

তসলিমা নাসরিন। ছবি - টুইটার

সম্প্রতি দুর্গাপূজা উপলক্ষে শুভেচ্ছা হিসেবে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ৫০০ টন ইলিশ রফতানি হয়েছে ভারতে।
এ খবরে বেশ উচ্ছ্বসিত ছিলেন ভারতে নির্বাসিত বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন।

কলকাতায় বসে স্বদেশী ইলিশের স্বাদ নিতে অধীর অপেক্ষায় ছিলেন এই লেখিকা। সেই ইলিশ নাকি তিনি খেতে পাননি। বাজারে গিয়ে কিনতে পারেননি।

পদ্মার ইলিশ খেতে না পেয়ে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে বেশ আফসোস প্রকাশ করলেন তিনি।
সেই স্ট্যাটাসে ভারতে বাংলাদেশি ইলিশের চড়া দাম এবং তা পরে বাজার থেকে উধাও হয়ে যাওয়ায় বিষয়টি উল্লেখ করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

এ জন্য ভারতের ব্যবসায়ীদের সততা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তসলিমা।

পাঠকদের জন্য তসলিমা নাসরিনের স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো-

‘৫০০ টন ইলিশ যে বাংলাদেশ পাঠাল পশ্চিমবঙ্গে, সেই মাছের চেহারা কেউ কি দেখেছেন? সব মাছ শুনেছি বর্ডারের কাছেই পচে পড়েছিল। কারণ পশ্চিমবঙ্গের কারা ট্রাক থেকে মাছ নামাবেন, এ নিয়ে নাকি লড়াই চলছিল। মীমাংসাও হয়নি, মাছও নামানো হয়নি।

আবার শুনি, পঁচে-টচে যায়নি। ইলিশ ঠিকই কলকাতায় এসেছে। ৪০০ টাকার ইলিশ ২১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে সাত দিন। এর পর কলকাতার বাজার থেকে ইলিশ উধাও। আড়তদাররা নাকি সব লুকিয়ে রেখেছেন, পরে ৩৫০০ টাকায় পদ্মার ইলিশ বিক্রি করবেন।

বাহ! বাঙালি ব্যবসা ভালো জানে তা হলে! মিষ্টির বিশ্বব্যাপী ব্যবসাটা কী কারণে তবে করতে পারল না! কোথাকার ভুজিয়াওয়ালা হলদিরাম নিয়ে নিল ব্যবসাটা! ব্যবসা করতে এলে শুধু কুবুদ্ধি থাকলে হয় না, কিছুটা সুবুদ্ধিও থাকতে হয়।

দিল্লিতে ৫০০ টন ইলিশের একটিও এসে পৌঁছায়নি। এর কোনো মানে হয়? গুজরাটের, উড়িষ্যার, বার্মার, কোলাঘাটের, ডায়মন্ড হারবারের ইলিশ খেয়ে খেয়ে ক্লান্ত। পদ্মার ইলিশ কতকাল খাইনি! পদ্মার ইলিশ না খেলে সত্যিকার ইলিশ খাওয়া হয় না।’

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত