ফ্রান্সের পণ্য বয়কটে বাংলাদেশের সোশ্যাল মিডিয়ায় হ্যাশট্যাগ
jugantor
ফ্রান্সের পণ্য বয়কটে বাংলাদেশের সোশ্যাল মিডিয়ায় হ্যাশট্যাগ

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৮ অক্টোবর ২০২০, ১৯:০৮:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাঁক্রো ও ফরাসী পণ্য

বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদকে (সা.) নিয়ে ফরাসী পত্রিকায় ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশ ও ফরাসী প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রোর মন্তব্যের প্রতিবাদে বাংলাদেশের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিন্দার ঝড় বইছে।

ব্যবহারকারীদের আইডি থেকে ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের জন্য হ্যাশট্যাগ চালু হয়েছে। পাশাপাশি বিশ্বনবীকে ভালোবাসি এমন হ্যাশট্যাগও চালু হয়েছে।

মো. আসাদুল্লাহ শেখ নামে এক ব্যবহারকারী তার আইডি থেকে একটি গ্রুপে পোস্টটি শেয়ার দিয়ে লেখেন, আজ এই পরিস্থীতিতে যদি সামান্য প্রতিবাদ টুকু না জানাই, বিচারের দিনে কোন মুখে আমার নবীর কাছে শাফায়াত কামনা করবো?

তারপরই হ্যাশট্যাগ দিয়ে লেখেন, রাসূলের অপমানে যদি কাঁদে না তোর মন, মুসলিম নয় মুনাফিক তুই রাসূলের দুষমন।

এরপরেই সবগুলোতেই হ্যাশট্যাগ দিয়ে লেখা হয়েছে, গেট আউট ফ্রান্স অ্যাম্বাসেডর, উই লাভ ইসলাম, মাই প্রোফেট মাই অনার, উই লাভ মোহাম্মদ চ্যালেঞ্জ, উই লাভ মোহাম্মদ, উই ফলো মোহাম্মদ, মাই প্রোফেট মাই অনার, উই আর উম্মাহ অব মোহাম্মদ, ফর আওয়ার বিলাভড প্রোফেট, উই হেট ফ্রান্স প্রেসিডেন্ট, বয়কপ ফ্রান্স, বয়কট ফ্রান্স প্রোডাক্টস ও বিলাভড প্রোফেট মোহাম্মদ।

পরে অনেকেই একই হ্যাশট্যাগ দিয়ে কমেন্ট বক্সে তাদের প্রতিবাদ জানান।ফ্রান্সের সমর্থনে ভারতে হ্যাশট্যাগ চালু হয়েছে। ভারতীয়দের এমন কাজের প্রতিবাদ জানানো হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে বেশি বেশি শেয়ার করে ভারতীয়দের এমন কাজের প্রতিবাদ জানাতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে মহানবী হযরত মোহাম্মদকে (সা.) ব্যাঙ্গ করে কার্টুন প্রকাশের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশের ইসলামি দলগুলো। তারা সংসদে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব জ্ঞাপনে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন।

পরে দুপুরের দিকে হাজার হাজার মানুষ ফ্রান্স দূতাবাস অভিমুখে রওয়ানা দেন। পরে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এসময় নেতাকর্মীদের মাঝে উত্তেজনা দেখা দিলে চরমোনাই পীর নেতাকর্মীদের শান্ত করেন।

মুফতি রেজাউল করিম বলেন, মুসলমানরা তাদের নবীকে প্রাণের চেয়ে বেশি ভালোবাসে। মহানবীর অপমান মুসলমানরা সহ্য করবে না। ফ্রান্স সরকার নবীর বিরুদ্ধে ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশের মাধ্যমে তাদের হিংসাত্মক মনোভাব প্রকাশ করেছে।

এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন আরব দেশে মহানবীর ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশ করায় প্রতিবাদ জানিয়েছে।

ফ্রান্সের পণ্য বয়কটে বাংলাদেশের সোশ্যাল মিডিয়ায় হ্যাশট্যাগ

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৭:০৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাঁক্রো ও ফরাসী পণ্য
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাঁক্রো ও ফরাসী পণ্য। ছবি: ফেসবুক থেকে সংগৃহীত

বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদকে (সা.) নিয়ে ফরাসী পত্রিকায় ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশ ও ফরাসী প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রোর মন্তব্যের প্রতিবাদে বাংলাদেশের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিন্দার ঝড় বইছে। 

ব্যবহারকারীদের আইডি থেকে ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের জন্য হ্যাশট্যাগ চালু হয়েছে। পাশাপাশি বিশ্বনবীকে ভালোবাসি এমন হ্যাশট্যাগও চালু হয়েছে। 

মো. আসাদুল্লাহ শেখ নামে এক ব্যবহারকারী তার আইডি থেকে একটি গ্রুপে পোস্টটি শেয়ার দিয়ে লেখেন, আজ এই পরিস্থীতিতে যদি সামান্য প্রতিবাদ টুকু না জানাই, বিচারের দিনে কোন মুখে আমার নবীর কাছে শাফায়াত কামনা করবো?  

তারপরই হ্যাশট্যাগ দিয়ে লেখেন, রাসূলের অপমানে যদি কাঁদে না তোর মন, মুসলিম নয় মুনাফিক তুই রাসূলের দুষমন। 

এরপরেই সবগুলোতেই হ্যাশট্যাগ দিয়ে লেখা হয়েছে, গেট আউট ফ্রান্স অ্যাম্বাসেডর, উই লাভ ইসলাম, মাই প্রোফেট মাই অনার, উই লাভ মোহাম্মদ চ্যালেঞ্জ, উই লাভ মোহাম্মদ, উই ফলো মোহাম্মদ, মাই প্রোফেট মাই অনার, উই আর উম্মাহ অব মোহাম্মদ, ফর আওয়ার বিলাভড প্রোফেট, উই হেট ফ্রান্স প্রেসিডেন্ট, বয়কপ ফ্রান্স, বয়কট ফ্রান্স প্রোডাক্টস ও বিলাভড প্রোফেট মোহাম্মদ।  

পরে অনেকেই একই হ্যাশট্যাগ দিয়ে কমেন্ট বক্সে তাদের প্রতিবাদ জানান। ফ্রান্সের সমর্থনে ভারতে হ্যাশট্যাগ চালু হয়েছে। ভারতীয়দের এমন কাজের প্রতিবাদ জানানো হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে বেশি বেশি শেয়ার করে ভারতীয়দের এমন কাজের প্রতিবাদ জানাতে আহ্বান জানানো হয়েছে। 

এর আগে মঙ্গলবার সকালে মহানবী হযরত মোহাম্মদকে (সা.) ব্যাঙ্গ করে কার্টুন প্রকাশের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশের ইসলামি দলগুলো।  তারা সংসদে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব জ্ঞাপনে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন।

পরে দুপুরের দিকে হাজার হাজার মানুষ ফ্রান্স দূতাবাস অভিমুখে রওয়ানা দেন।  পরে পুলিশ তাদের বাধা দেয়।  এসময় নেতাকর্মীদের মাঝে উত্তেজনা দেখা দিলে চরমোনাই পীর নেতাকর্মীদের শান্ত করেন।  

মুফতি রেজাউল করিম বলেন, মুসলমানরা তাদের নবীকে প্রাণের চেয়ে বেশি ভালোবাসে। মহানবীর অপমান মুসলমানরা সহ্য করবে না। ফ্রান্স সরকার নবীর বিরুদ্ধে ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশের মাধ্যমে তাদের হিংসাত্মক মনোভাব প্রকাশ করেছে।  

এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন আরব দেশে মহানবীর ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশ করায় প্রতিবাদ জানিয়েছে।