বাদাম বিক্রেতাকে নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ফেসবুক স্ট্যাটাস ভাইরাল
jugantor
বাদাম বিক্রেতাকে নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ফেসবুক স্ট্যাটাস ভাইরাল

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৭ জুলাই ২০২১, ১৩:৪৮:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি শেয়ার করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম।

শুক্রবার মধ্যরাতে ছবিটি নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করার পরপরই মুহূর্তে তা ভাইরাল হয়ে যায়।

ছবির ক্যাপশনে প্রতিমন্ত্রী লেখেন, ‘রাত ১২টায় ওর বাদাম বিক্রি করার কথা ছিল না। আমাদের এখনও অনেক কাজ বাকি।’

ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ১০-১২ বছরের এক কিশোর রাতে বাদাম বিক্রি করছেন। তার মাথায় বাদাম বাদামের প্যাকেট। তার কাঁধে ঝুলানো রয়েছে সিগারেটের ব্যাগ। আর হাতে একটি সিগারেটের প্যাকেট।

কিশোর ছেলেটির পাশে এক বৃদ্ধকেও দেখা যাচ্ছে। তিনিও হয়তো কোনো কিছু বিক্রি করছেন।

তবে ছবিটি কোন জায়গার সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

প্রতিমন্ত্রীর পোস্টের কমেন্ট বক্সে জয় ইসলাম নামের একজন লিখেছেন, ‘কিছু দাদার বয়সি মানুষ যখন পায়ে চালানো রিকশা চালায় নিজেকে অনেক বেশি অপরাধী মনে হয়। আমাদের কারো একার পক্ষে তাদের কষ্ট লাঘব করা সম্ভব নয়। কিন্তু সবাই মিলে যদি তাদের জন্য কিছু করতে পারা যায়, তাদের এমন কোনো কর্মসংস্থান করা যায়, যেন তাদের এমন কষ্ট করতে না হয়। বিষয়টা যদি একটু ভেবে দেখতেন। আমরা প্রস্তুত আছি, ইনশাআল্লাহ।’

জবাবে শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘অসুবিধা নেই তাতে। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোতেও দাদার বয়সের মানুষের কাজ করেন। আমার সন্তানের দাদাও কাজ করেন। সৎ উপার্জন কষ্টের হলেও আমাদের অনুপ্রাণিত করতে হবে। তবে আপনি কী বোঝাতে চেয়েছেন তা বুঝেছি। ধন্যবাদ।’

বাদাম বিক্রেতাকে নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ফেসবুক স্ট্যাটাস ভাইরাল

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৭ জুলাই ২০২১, ০১:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি শেয়ার করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম।

শুক্রবার মধ্যরাতে ছবিটি নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করার পরপরই মুহূর্তে তা ভাইরাল হয়ে যায়। 

ছবির ক্যাপশনে প্রতিমন্ত্রী লেখেন, ‘রাত ১২টায় ওর বাদাম বিক্রি করার কথা ছিল না। আমাদের এখনও অনেক কাজ বাকি।’

ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ১০-১২ বছরের এক কিশোর রাতে বাদাম বিক্রি করছেন। তার মাথায় বাদাম বাদামের প্যাকেট। তার কাঁধে ঝুলানো রয়েছে সিগারেটের ব্যাগ। আর হাতে একটি সিগারেটের প্যাকেট। 

কিশোর ছেলেটির পাশে এক বৃদ্ধকেও দেখা যাচ্ছে। তিনিও হয়তো কোনো কিছু বিক্রি করছেন। 

তবে ছবিটি কোন জায়গার সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। 

প্রতিমন্ত্রীর পোস্টের কমেন্ট বক্সে জয় ইসলাম নামের একজন লিখেছেন, ‘কিছু দাদার বয়সি মানুষ যখন পায়ে চালানো রিকশা চালায় নিজেকে অনেক বেশি অপরাধী মনে হয়। আমাদের কারো একার পক্ষে তাদের কষ্ট লাঘব করা সম্ভব নয়। কিন্তু সবাই মিলে যদি তাদের জন্য কিছু করতে পারা যায়, তাদের এমন কোনো কর্মসংস্থান করা যায়, যেন তাদের এমন কষ্ট করতে না হয়। বিষয়টা যদি একটু ভেবে দেখতেন। আমরা প্রস্তুত আছি, ইনশাআল্লাহ।’

জবাবে শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘অসুবিধা নেই তাতে। পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোতেও দাদার বয়সের মানুষের কাজ করেন। আমার সন্তানের দাদাও কাজ করেন। সৎ উপার্জন কষ্টের হলেও আমাদের অনুপ্রাণিত করতে হবে। তবে আপনি কী বোঝাতে চেয়েছেন তা বুঝেছি। ধন্যবাদ।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন