মেট্রোরেলের পিলারে পোস্টার নিয়ে উষ্মা!
jugantor
মেট্রোরেলের পিলারে পোস্টার নিয়ে উষ্মা!

  যুগান্তর ডেস্ক  

২২ জুলাই ২০২২, ০২:৩৫:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ তার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, কয়েক বিলিয়ন ডলার খরচ করে আমরা মেট্রোরেল নির্মাণ করতে পারি, অথচ পিলারগুলোকে পোস্টার-মুক্ত রাখার সামান্য উদ্যোগটি আমরা নিতে পারি না।

এমনিতেই মেট্রোরেলের যে বিস্তৃত বিশালাকার অবকাঠামো, তাকে নগরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির সহায়ক বলা যায় না। তবুও গণপরিবহণ ব্যবস্থার উন্নতির জন্য এই প্রকল্পের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু বিনা খরচে যেটুকু দৃষ্টিনন্দন করা যায় সে চেষ্টা তো থাকতে হবে। এখনও মেট্রোরেলের পিলারগুলোতে ছিটেফোটা দু' একটি পোস্টার শুধু দেখা যায়, কিন্তু শুরুতে প্রতিকার না করলে পরে এর প্রকোপ ঠেকানো কঠিন হবে।

বৃহস্পতিবার রাতে পোষ্ট করা ওই স্ট্যাটাসে তিনি আরও লিখেছেন, ঢাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য তো অনেক ব্যয়বহুল প্রকল্প প্রায়ই গ্রহণ করা হয়, যদিও পরবর্তীতে সেগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের দিকে আমাদের নজর কম থাকে। যাদের উদ্যোগে পোস্টার লাগানো হয়, তাদের নাম আর ছবি তো পোস্টারের গায়েই থাকে। এটা কিছুটা অভ্যাস-আচরণের ব্যাপারও। যারা একটা নতুন পরিষ্কার পিলার বা দেয়ালে প্রথম পোস্টারটি অবৈধ ভাবে সেঁটে দেন, তাদের কি নূন্যতম নাগরিক দায়িত্বজ্ঞান বা রুচিবোধ নেই!

তার এই মন্তব্যের পর এর পক্ষে বিপক্ষে অনেকেই নিজস্ব মতামত ব্যক্ত করেছেন।

মেট্রোরেলের পিলারে পোস্টার নিয়ে উষ্মা!

 যুগান্তর ডেস্ক 
২২ জুলাই ২০২২, ০২:৩৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ তার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, কয়েক বিলিয়ন ডলার খরচ করে আমরা মেট্রোরেল নির্মাণ করতে পারি, অথচ পিলারগুলোকে পোস্টার-মুক্ত রাখার সামান্য উদ্যোগটি আমরা নিতে পারি না। 

এমনিতেই মেট্রোরেলের যে বিস্তৃত বিশালাকার অবকাঠামো, তাকে নগরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির সহায়ক বলা যায় না। তবুও গণপরিবহণ ব্যবস্থার উন্নতির জন্য এই প্রকল্পের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু বিনা খরচে যেটুকু দৃষ্টিনন্দন করা যায় সে চেষ্টা তো থাকতে হবে। এখনও মেট্রোরেলের পিলারগুলোতে ছিটেফোটা দু' একটি পোস্টার শুধু দেখা যায়, কিন্তু শুরুতে প্রতিকার না করলে পরে এর প্রকোপ ঠেকানো কঠিন হবে।

বৃহস্পতিবার রাতে পোষ্ট করা ওই স্ট্যাটাসে তিনি আরও লিখেছেন, ঢাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য তো অনেক ব্যয়বহুল প্রকল্প প্রায়ই গ্রহণ করা হয়, যদিও পরবর্তীতে সেগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের দিকে আমাদের নজর কম থাকে। যাদের উদ্যোগে পোস্টার লাগানো হয়, তাদের নাম আর ছবি তো পোস্টারের গায়েই থাকে। এটা কিছুটা অভ্যাস-আচরণের ব্যাপারও। যারা একটা নতুন পরিষ্কার পিলার বা দেয়ালে প্রথম পোস্টারটি অবৈধ ভাবে সেঁটে দেন, তাদের কি নূন্যতম নাগরিক দায়িত্বজ্ঞান বা রুচিবোধ নেই! 

তার এই মন্তব্যের পর এর পক্ষে বিপক্ষে অনেকেই নিজস্ব মতামত ব্যক্ত করেছেন।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর