|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) খেলা চলছে। টুর্নামেন্টের মাঝ পথে হঠাৎ করেই ঢাকা ক্যাপিটালসের হয়ে খেলতে আসা আফগানিস্তানের তারতা ক্রিকেটার রহমানউল্লাহ গুরবাজের ফোন নিয়ে নেন ফিক্সিং কর্মকর্তা। তিনি যখন ঘুমাতে গেছেন, তখন তার রুমে দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তা ঢুকে পড়েন মোবাইল নিয়ে নেন বলে জানিয়েছেন ফ্র্যাঞ্চাইজিটির প্রধান নির্বাহী আতিক ফাহাদ।
এব্যাপারে আজ শনিবার বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যসচিব ইফতেখার রহমান মিঠু জানান, ‘আমার মতে, কেউ তো এমনি এমনি কারও ফোন নেয় না। এটা পর্যবেক্ষণের একটা অংশ। আমার ফোনও যেকোনো সময় নিতে পারে। তাদের সেই অধিকার রয়েছে।’
মিঠু আরও বলেন, ‘এটা তো আমিও জানি না। দেখুন আমি একটা কথা বলি। তারা খুবই কঠোর। একটা পিএমও এরিয়া আছে, যেখানে আপনি জানেন আম্পায়াররাও থাকেন ও বসেন। সেই এলাকার মধ্যে মানে ড্রেসিংরুমে এমনকি আমি বিপিএল ম্যানেজ করছি, আমারও সেখানে যাওয়া নিষেধ। কতটা কঠোর অবস্থায় তারা (আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তা) আছেন, কতটা আত্মনিবেদন নিয়ে কাজ করছেন, এটাই তার প্রমাণ।’
‘গুরবাজের যে কথা আছে, সেটা আপনারা খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন। দুর্নীতিবিরোধী নীতিমালায় স্পষ্ট লেখা আছে, তাদের সেভাবে পর্যবেক্ষণ করার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। ১৫ তারিখের পর আমাদের দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তারা আপনাদের জানাবেন।’
তিনি জানান, ‘অভিযোগ নিয়ে কিছু বলার নেই। দুর্নীতিবিরোধী ইউনিট একটা স্বাধীন ইউনিট। আমরা তাদের সহায়তা নিচ্ছি। প্লাস আপনারা জানেন যে আমরা এটার সঙ্গে যুক্ত। আইসিসির থেকে তাদের ম্যানেজার আনা হয়েছে, যাতে আরেকটা ইউনিট হিসেবে কাজ করে। এখন পর্যন্ত তারা দুর্নীতবিরোধী যে নীতিমালা আছে এবং যেসব কোড আছে, সেটা বজায় রেখেই অপারেশন পরিচালনা করছে। এটা বিশ্বকাপ ওঅন্যান্য ফ্র্যাঞ্চাইজিতে যেভাবে হয়, বাংলাদেশ সেটাই অনুসরণ করছে। এখন বাড়াবাড়ি হচ্ছে আপনার ওপরে।’
মিঠুর বলেন, ‘আমি যেটা নিশ্চিত হয়েছি, তারা দুর্নীতিবিরোধী ধারা ও নিয়মে যা আছে, সেটা শতভাগ বজায় করে চলেছে। কিছু কিছু আন্তর্জাতিক কোম্পানি যারা এটা পর্যবেক্ষণ করে, তাদের কাছ থেকে আপনি খোঁজ নিতে পারেন। আপনারা দেখবেন সন্দেহভাজন কর্মকাণ্ড কমে গেছে।’
