|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বিশ্বকাপের শিরোপা দৌড়ে এখন টিকে আছে মাত্র আটটি দল। কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হয়ে তারা লড়বে শেষ চারে জায়গা করে নেওয়ার জন্য। শেষ আটের দলগুলোর দিকে তাকালে ইউরোপের আধিপত্যই চোখে পড়ে। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা আট দলের মধ্যে ছয়টিই ইউরোপের, আর বাকি দুটি দল দক্ষিণ আমেরিকার আর্জেন্টিনা ও আফ্রিকার মরক্কো।
বিশ্ব ফুটবলের পরিসংখ্যানভিত্তিক বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান ‘অপ্টা’ তাদের সুপারকম্পিউটার গাণিতিক মডেলের মাধ্যমে কোয়ার্টার ফাইনালের সম্ভাব্য ফলাফলের পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে। তাদের বিশ্লেষণে সেমিফাইনালে ওঠার দৌড়ে এগিয়ে রাখা হয়েছে ফ্রান্স, স্পেন, ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনাকে।
শেষ ষোলোর ম্যাচগুলোর পূর্বাভাসেও বেশ সফল ছিল অপ্টা। নকআউট পর্বের প্রথম ধাপের ১৬টি ম্যাচের মধ্যে ১৪টির সম্ভাব্য বিজয়ী সঠিকভাবে নির্ধারণ করতে পেরেছিল তারা। এছাড়া শেষ ষোলোর আটটি ম্যাচের ছয়টির ফলও মিলেছিল সুপারকম্পিউটারের পূর্বাভাসের সঙ্গে।
অপ্টার এই পূর্বাভাস তৈরি হয় প্রায় ১০ হাজার সিমুলেশনের মাধ্যমে। প্রতিটি দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স, খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত পরিসংখ্যান এবং অতীত রেকর্ড বিশ্লেষণ করে ম্যাচ জয়ের সম্ভাবনা নির্ধারণ করা হয়।
কোয়ার্টার ফাইনালে অপ্টা সুপারকম্পিউটারের জয়ের সম্ভাবনা:
- ফ্রান্স: ৭২.১০% ; মরক্কো: ২৭.৯০%
- স্পেন: ৭০.৭২% ; বেলজিয়াম: ২৯.২৮%
- ইংল্যান্ড: ৬১.৯৬% ; নরওয়ে: ৩৮.০৪%
- আর্জেন্টিনা: ৬৩.৬২% ; সুইজারল্যান্ড: ৩৬.৩৮%
অপ্টার পাশাপাশি ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ও গ্লোবো’র বিশ্লেষণভিত্তিক টুল ‘ক্রিস্টাল বল’-ও কোয়ার্টার ফাইনাল নিয়ে নিজস্ব পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে। তাদের মূল্যায়নেও ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনা নিজেদের ম্যাচে এগিয়ে রয়েছে। যদিও প্রতিটি ম্যাচেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা কঠিন হবে বলে মনে করছে তারা।
টুর্নামেন্ট শুরুর আগে যেসব দলকে শিরোপার অন্যতম দাবিদার ধরা হয়েছিল, সেই ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনা এখন পর্যন্ত সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন দেখিয়েছে। দুটি দলই এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৪টি করে গোল করেছে। গোলদাতার তালিকায় আট গোল নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন লিওনেল মেসি। তার ঠিক পেছনেই সাতটি করে গোল নিয়ে অবস্থান করছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আর্লিং হালান্ড।
‘ক্রিস্টাল বল’-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনা শুধু কোয়ার্টার ফাইনালে এগিয়েই নয়, ফাইনালে মুখোমুখি হওয়ারও উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে। তাদের হিসাব বলছে, দুই দলের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে দেখা হওয়ার সম্ভাবনা ১০ দশমিক ৫ শতাংশ।


-6a4f914a61eb3.jpg)
-6a4f635d7cead.jpg)