ইংলিশদের কাঁদিয়ে টানা দ্বিতীয় ফাইনালে আর্জেন্টিনা
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৩ এএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আজ ইংল্যান্ডের মুখোমুখি আর্জেন্টিনা। ৬০ বছর পর ফাইনালে খেলার হাতছানি আছে ইংলিশদের সামনে। ওদিকে আর্জেন্টিনার সামনে আছে টানা দ্বিতীয় ফাইনাল নিশ্চিত করার সম্ভাবনা।
এই ম্যাচের লাইভ আপডেট পেতে চোখ রাখুন যুগান্তর অনলাইনে।
১৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৪ এএম
ইংলিশদের কাঁদিয়ে টানা দ্বিতীয় ফাইনালে আর্জেন্টিনা
৯ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। ১২ মিনিট পেরিয়ে গেলেও তা শেষ হচ্ছিল না। অবশেষে যখন রেফারি বাঁশি বাজালেন, তখনই নিশ্চিত হয়ে গেল, আর্জেন্টিনা আরও একবার চলে গেছে বিশ্বকাপের ফাইনালে। ২০২২ বিশ্বকাপে জেতা শিরোপাটা ধরে রাখার আরও এক সুযোগ আর্জেন্টিনা পাচ্ছে আগামী রোববার।
১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৫ এএম
যোগ করা সময়ে আর্জেন্টিনাকে এগিয়েই দিলেন লাউতারো!
লাউতারো মার্তিনেজ!!!
যোগ করা সময়ে আর্জেন্টিনা অবশেষে লিড পেল। ডান পাশ থেকে মেসির দারুণ এক ক্রসে লাফিয়ে ওঠেন লাউতারো। তার আশেপাশেও ইংলিশ কোনো ডিফেন্ডার ছিলেন না, ফাঁকায় দাঁড়িয়ে তার করা হেডার গিয়ে জড়াল ইংল্যান্ডের জালে।
১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৮ এএম
আর্জেন্টিনাকে সমতায় ফেরালেন এনজো ফার্নান্দেজ
শর্ট কর্নার থেকে বল নিয়ে বক্সের কাছে আসছিলেন মেসি। বক্সের বাইরে থাকা এনজো ফার্নান্দেজকে বলটা বাড়ান তিনি। পুরো ইংলিশ রক্ষণ মনে করেছিল মেসিই ফিরতি বলটা পাবেন, কিন্তু তা হলো না। এনজো ফার্নান্দেজ ঠাণ্ডা মাথায় বলটা জড়ালেন ইংলিশদের জালে। ম্যাচের ৮৬ মিনিটে ১-১ গোলে সমতা ফেরাল আর্জেন্টিনা।
এনজো এই চেষ্টাটা বহু আগে থেকে করে আসছিলেন। অন্তত ৩টি শট নিয়েছিলেন। শুরুর দুটো লক্ষ্যের বাইরে দিয়ে গেছে, তৃতীয়টা দারুণভাবে সেভ করেছিলেন পিকফোর্ড, চতুর্থবারের চেষ্টায় ভাগ্যের সহায়তা পেলেন তিনি। আর্জেন্টিনার আশা জিইয়ে উঠল আবারও।
১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৯ এএম
আর্জেন্টিনার দুই হেডার ঠেকিয়ে দিলেন পিকফোর্ড
১ মিনিটের ব্যবধানে দুটো দারুণ হেড করেছিলেন আর্জেন্টিনার দুজন। দুবারই ডান পাশ থেকে ক্রস এসেছে, দুবারই একই ফলাফল, পিকফোর্ড দেয়াল তুলে দাঁড়িয়েছেন। সময় ফুরিয়ে আসছে, আর্জেন্টিনার গোল চাই, কিন্তু তা আসছে না!!

১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:৩১ এএম
মেসির দারুণ ক্রসে নিকোর হেড, ঠেকালেন পিকফোর্ড
ডান পাশ থেকে নিখুঁত এক ক্রস করেছিলেন মেসি। সেটাতে দারুণভাবে মাথা ছুঁইয়ে দিয়েছিলেন নিকো গনজালেস। তবে সেটা ঠেকিয়ে দিলেন জর্ডান পিকফোর্ড। দ্বিতীয় হাইড্রেশন ব্রেকের আগে সমতার গোলটা পেল না আর্জেন্টিনা। সঙ্গে সঙ্গেই বিরতির বাঁশি বাজিয়েছেন রেফারি।
১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:১৭ এএম
ইংল্যান্ডকে লিড এনে দিলেন গর্ডন
ইংল্যান্ড ১-০ আর্জেন্টিনা
১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:১৪ এএম
এবার হলুদ কার্ড দেখলেন রোমেরোও
লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখে বসেছিলেন আগেই। এবার ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোও দেখলেন হলুদ কার্ড। জুড বেলিংহামকে ফাউল করে এই কার্ড দেখেছেন তিনি। এর ফলে দুই সেন্টারব্যাকই লাল কার্ড দেখার শঙ্কায় পড়ে গেছেন আর্জেন্টিনার।
১৬ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৭ এএম
বিশ্বকাপে সবশেষ কবে প্রথমার্ধে গোল পায়নি আর্জেন্টিনা?
চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা হরহামেশাই শুরুর অর্ধে গোল পেয়েছে। আলজেরিয়া ম্যাচে ১৭, অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ৩৮, জর্ডান ম্যাচে ১৯, আর কেপ ভার্দে ম্যাচে ২৯ মিনিটে গোলের দেখা পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। এই ধারা ভাঙে মিশর ম্যাচে, সে ম্যাচে তারা প্রথমার্ধ শেষ করেছিল ০-১ গোলে পিছিয়ে।
এরপর সুইজারল্যান্ড ম্যাচে আবার ধারায় ফেরেন মেসিরা। সে ম্যাচে ১০ মিনিটেই গোল করেছিল আকাশি-সাদারা। সেমিফাইনালে এসে আবারও সে ধারা ভেঙে গেছে। শুরুর অর্ধে গোলের দেখা পেলেন না মেসিরা।
১৬ জুলাই ২০২৬, ০১:৫২ এএম
প্রথমার্ধ গোল ০-০, হলুদ কার্ডে ১-১
শুরুর অর্ধে দুই দল পরিষ্কার সুযোগ তেমন পায়নি। তবে খেলা হয়েছে মাঝমাঠে। সেখানে বল দখলের লড়াইয়ে একটু পরপরই দুই দল চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ফাউলও হয়েছে দেদারসে, আরেকটু পরিষ্কার করে বললে ১৯টি ফাউল হয়েছে এই অর্ধে, যার ১২টি করেছে আর্জেন্টিনা, ৭টি করেছে ইংল্যান্ড।
গোল না হলেও দুটো হলুদ কার্ড দেখা গেছে শুরুর অর্ধে। ৩৭ মিনিটে এলিয়ট অ্যান্ডারসন হলুদ কার্ড দেখেন মেসিকে ফাউল করে। এর কিছুক্ষণ পরই লিসান্দ্রো মার্তিনেজ কাউন্টার অ্যাটাক ঠেকাতে গিয়ে জার্সি টেনে ধরেন জেড স্পেন্সের, দেখেন হলুদ কার্ড। যার ফলে গোলের দিক থেকে তো বটেই, হলুদ কার্ডের দিক থেকেও সমতায় ফেরে দুই দল।
১৬ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৩ এএম
এবার হলুদ কার্ড দেখলেন লিসান্দ্রো
আর্জেন্টিনার আক্রমণ রুখে দিয়ে ইংলিশরা দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকে উঠতে চাইছিল। জেট স্পেন্সের পায়ে ছিল বল। পেছন থেকে তাকে আটকে দিতে চেয়েছিলেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, গতিতে পরাস্ত হয়ে স্পেন্সের জার্সি টেনে ধরেন তিনি। রেফারি সঙ্গে সঙ্গে হলুদ কার্ড দেখালেন তাকে।
১৬ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৯ এএম
মেসিকে ফাউল, হলুদ কার্ড অ্যান্ডারসনের
মাঝমাঠে জেড স্পেন্সকে কাটিয়ে হ্যারি কেইনের চ্যালেঞ্জও এড়িয়ে পাস বাড়িয়েছিলেন মেসি। তবে বাড়ানোর একটু পরই তাকে ফাউল করেন এলিয়ট অ্যান্ডারসন। ম্যাচের ৩৫ মিনিটে প্রথম কার্ড দেখালেন রেফারি, মিডফিল্ডার অ্যান্ডারসনকে এখন সতর্কই থাকতে হবে বৈকি!
১৬ জুলাই ২০২৬, ০১:২৮ এএম
হাইড্রেশন ব্রেকের আগে গোল পেল না কেউ
বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আজ শুরু থেকেই দুই দল খেলছে বেশ শারীরিক ফুটবল। দ্বিতীয় মিনিটে শুরুটা করেছিলেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস, কাঁধে ধাক্কা দিয়েছিলেন জুড বেলিংহামকে। এরপর থেকে দুই দলই শারীরিক সংঘর্ষে প্রতিপক্ষকে মানসিকভাবে টলিয়ে দেওয়ার মিশনে নেমেছে যেন।
প্রথম কোয়ার্টারটা কেমন গেছে সেটার আঁচ পাবেন ব্রেকের আগের শেষ আক্রমণে। কর্নার পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসি কর্নারটা নিয়েছিলেন ভালো। তবে সেটা পরিণতি পেল না তারই সতীর্থ জুলিয়ানো সিমিওনে ইংলিশ গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডকে একটা ফাউল করে বসলে।
তার আগে পরে দুই দল গোলমুখে পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ১৯ মিনিটে এমি মার্তিনেজ একটা সুযোগ থামিয়েছেন বটে, তবে সেটাকে সুযোগের চেয়ে হাফ চান্স বলাই শ্রেয়। শুরুর ২৩ মিনিটে তাই গোলের দেখা মেলেনি।
১৬ জুলাই ২০২৬, ০১:২০ এএম
১৯ মিনিটে প্রথম সেভ মার্তিনেজের
বাম পাশ থেকে মরগান রজার্স ক্রস বাড়িয়েছিলেন মাঝে, তবে বক্সের ভেতরে কেউ ছিল না। থাকলে হয়তো এত সহজে এমি মার্তিনেজ সেভটা দিতে পারতেন না। বলটা যে ভালোভাবে আয়ত্বে নিতে পারেননি! দুই বারের বেলায় বলটা কবজায় নিলেন তিনি।
১৬ জুলাই ২০২৬, ০০:৫৬ এএম
ইংল্যান্ড দলে ৩ পরিবর্তন
কোচ থমাস টুখেল রীতিমতো চমকে দিয়েছেন একাদশে ৩ পরিবর্তন এনে। এর মধ্যে ফুলব্যাক পজিশনেই আছে ২ পরিবর্তন। রিস জেমস, জেড স্পেন্স এসেছেন এজরি কনসা, নিকো ও’রাইলির জায়গায়। ওদিকে উইঙ্গার ননি মাদুয়েকের জায়গায় দলে এসেছেন মরগান রজার্স।
ইংল্যান্ড একাদশ:
পিকফোর্ড;
জেমস, স্টোনস, গেহি, স্পেন্স;
অ্যান্ডারসন, রাইস;
রজার্স, বেলিংহাম, গর্ডন;
কেইন।
১৬ জুলাই ২০২৬, ০০:৫৪ এএম
আর্জেন্টিনা একাদশে ১ পরিবর্তন
একাদশে একটি চমক আছে। রদ্রিগো দে পলের জায়গায় খেলবেন জুলিয়ানো সিমিওনে। তিনি ডান দিকের মিডফিল্ডার হিসেবে খেলবেন।
আর্জেন্টিনার একাদশ:
এমিলিয়ানো মার্তিনেজ;
নাহুয়েল মলিনা, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নিকোলাস তালিয়াফিকো;
জুলিয়ানো সিমিওনে, এনজো ফের্নান্দেজ, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার;
লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ।
