শাদাব-আমিরে সান্ত্বনার জয় পাকিস্তানের
jugantor
শাদাব-আমিরে সান্ত্বনার জয় পাকিস্তানের

  স্পোর্টস ডেস্ক  

০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৩:০২:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রথম দুই ম্যাচে পরাজিত হয়ে আগেই সিরিজ হেরেছে পাকিস্তান। তবে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে উড়িয়ে সান্ত্বনার জয় নিয়ে দেশে ফিরছে শোয়েব মালিক বাহিনী। দুর্দান্ত জয়ের নেপথ্য কারিগর শাদাব খান ও মোহাম্মদ আমির। দারুণ অলরাউন্ড নৈপুণ্য প্রদর্শন করেছেন শাদাব। আর বল হাতে আগুন ঝরিয়েছেন আমির।  

তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে সেঞ্চুরিয়নে টস হেরে স্বাগতিকদের আমন্ত্রণে আগে ব্যাটিং করে পাকিস্তান। কেউই বড় কোনো ইনিংস খেলতে পারেননি। তবে সবার ছোট ছোট ইনিংসে ভর করে লড়াকু পুঁজি পায় দলটি। বাবর আজমের ২৩, মোহাম্মদ রিজওয়ানের ২৬, ইমাদ ওয়াসিমের ২৫ রান ছিল উল্লেখযোগ্য। আর শেষ দিকে মাত্র ৮ বলে ২২ রানের শাদাব খানের ঝড়ে ৯ উইকেটে ১৬৮ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে বিউরন হেনড্রিকস মাত্র ১৪ রানের বিনিময়ে নেন ৪ উইকেট। এ ছাড়া ২ উইকেট নেন ক্রিস মরিস।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে হেনরিখ ফন ডার ডুসেন ও ক্রিস মরিস ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার কেউ লড়তে পারেননি। দুটি করে চার-ছক্কায় ৩৫ বলে সংগ্রামী ৪১ রান করেন ডুসেন। শেষ দিকে একাই লড়াই চালিয়ে নেন মরিস। ৫ চার ও দর্শনীয় ৩ ছক্কায় মাত্র ২৯ বলে ৫৫ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেন তিনি। বাকিরা এ দুজনকে যোগ্য সহযোদ্ধার সমর্থন দিতে না পারায় ২৭ রানের হার নিয়ে মাঠ ছাড়েন প্রোটিয়ারা।

পাকিস্তানের হয়ে মোহাম্মদ আমির নেন ৩ উইকেট। এ ছাড়া দুটি করে উইকেট নেন শাদাব খান ও ফাহিম আশরাফ। ব্যাটে-বলে অনবদ্য পারফরম করায় ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে শাদাবের হাতে।

শাদাব-আমিরে সান্ত্বনার জয় পাকিস্তানের

 স্পোর্টস ডেস্ক 
০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০১:০২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রথম দুই ম্যাচে পরাজিত হয়ে আগেই সিরিজ হেরেছে পাকিস্তান। তবে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে উড়িয়ে সান্ত্বনার জয় নিয়ে দেশে ফিরছে শোয়েব মালিক বাহিনী। দুর্দান্ত জয়ের নেপথ্য কারিগর শাদাব খান ও মোহাম্মদ আমির। দারুণ অলরাউন্ড নৈপুণ্য প্রদর্শন করেছেন শাদাব। আর বল হাতে আগুন ঝরিয়েছেন আমির।

তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে সেঞ্চুরিয়নে টস হেরে স্বাগতিকদের আমন্ত্রণে আগে ব্যাটিং করে পাকিস্তান। কেউই বড় কোনো ইনিংস খেলতে পারেননি। তবে সবার ছোট ছোট ইনিংসে ভর করে লড়াকু পুঁজি পায় দলটি। বাবর আজমের ২৩, মোহাম্মদ রিজওয়ানের ২৬, ইমাদ ওয়াসিমের ২৫ রান ছিল উল্লেখযোগ্য। আর শেষ দিকে মাত্র ৮ বলে ২২ রানের শাদাব খানের ঝড়ে ৯ উইকেটে ১৬৮ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে বিউরন হেনড্রিকস মাত্র ১৪ রানের বিনিময়ে নেন ৪ উইকেট। এ ছাড়া ২ উইকেট নেন ক্রিস মরিস।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে হেনরিখ ফন ডার ডুসেন ও ক্রিস মরিস ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার কেউ লড়তে পারেননি। দুটি করে চার-ছক্কায় ৩৫ বলে সংগ্রামী ৪১ রান করেন ডুসেন। শেষ দিকে একাই লড়াই চালিয়ে নেন মরিস। ৫ চার ও দর্শনীয় ৩ ছক্কায় মাত্র ২৯ বলে ৫৫ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেন তিনি। বাকিরা এ দুজনকে যোগ্য সহযোদ্ধার সমর্থন দিতে না পারায় ২৭ রানের হার নিয়ে মাঠ ছাড়েন প্রোটিয়ারা।

পাকিস্তানের হয়ে মোহাম্মদ আমির নেন ৩ উইকেট। এ ছাড়া দুটি করে উইকেট নেন শাদাব খান ও ফাহিম আশরাফ। ব্যাটে-বলে অনবদ্য পারফরম করায় ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে শাদাবের হাতে।