৪৫ রানে অলআউট গেইলরা, হেসেখেলে সিরিজ জিতল ইংল্যান্ড

প্রকাশ : ০৯ মার্চ ২০১৯, ১১:৩১ | অনলাইন সংস্করণ

  স্পোর্টস ডেস্ক

ওয়ানডে সিরিজে হয়েছে তুমুল লড়াই। শেষ পর্যন্ত ৫ ম্যাচ সিরিজ ২-২ ব্যবধানে সমতা থেকেছে। তবে টি-টোয়েন্টি সিরিজে খুঁজে পাওয়া গেল না ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। প্রথম ম্যাচে তাও একটু প্রতিরোধ গড়েছিল। দ্বিতীয়টিতে একেবারে বেহাল দশা। মাত্র ৪৫ রানে অলআউট হয়েছেন ক্রিস গেইলরা। ১৩৭ রানের বিশাল জয়ে ২-০ ব্যবধানে ৩ ম্যাচ সিরিজ বগলদাবা করল ইংল্যান্ড।

শুক্রবার সেন্ট কিটসে টস জিতে আগে ফিল্ডিং বেছে নেন উইন্ডিজ অধিনায়ক জেসন হোল্ডার। সেই সিদ্ধান্তই পরে কাল হয়ে দাঁড়ায় ক্যারিবীয়দের জন্য। প্রথমে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ১৮২ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে ইংল্যান্ড। ওয়ানডাউনে নামা জো রুট (৪০ বলে ৫৫) ছাড়া টপঅর্ডারের আর কেউই সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি। তবে ইংলিশদের রানের চাকা দ্রুত ঘুরেছে ছয়ে নামা স্যাম বিলিংসের ব্যাটে। ৩ ছক্কা ও ১০ চারে ৪৭ বলে ৮৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত তার ঝড়ে লড়াকু পুঁজি পায় সফরকারীরা।

ওয়েস্ট ইন্ডিয়ানদের দলে রয়েছেন ক্রিস গেইল, শিমরন হেটমায়ার, কার্লোস ব্র্যাথওয়েটের মতো টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট। তাদের মতো বিস্ফোরক ব্যাটসম্যান থাকায় এ রান তাড়া করা উইন্ডিজের পক্ষে অসম্ভব ছিল না। তবে মাঠে ভিন্ন চিত্র। হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে ক্যারিবীয়দের ব্যাটিং অর্ডার। দলীর স্কোরকার্ডের সবার রানের অঙ্ক পরিণত হয় মুঠোফোনের নম্বরে! ২২ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারিয়ে প্রথম ছয় ওভারেই ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংষ্করণে এ প্রথম পাওয়ার প্লেতে ছয় উইকেট খোয়ালো দলটি। প্রথম পাঁচ ব্যাটসম্যানের স্কোর যথাক্রমে-৫ (গেইল), ৭ (হোপ), ১০ (হেটমায়ার), ব্রাভো (০) ও হোল্ডার (০)।

এরপর কী আর লড়াই হয়? শেষ পর্যন্ত ৪৯ বল বাকি থাকতে ৪৫ রানে গুঁড়িয়ে যায় হোল্ডার বাহিনী। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটি দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রানে অলআউট হওয়ার ঘটনা। এ সংস্করণে সর্বনিম্ন রানে গুটিয়ে যাওয়ার অনাকাঙ্ক্ষিত লজ্জার রেকর্ডটি নেদারল্যান্ডসের। পাঁচ বছর আগে চট্টগ্রামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাত্র ৩৯ রানে প্যাকেট হয় ডাচরা। তৃতীয় ও চতুর্থ সর্বনিম্ন স্কোর যথাক্রমে নেপাল (৫৩) ও কেনিয়ার (৫৬)।

এদিন গেইলদের নাচিয়ে ছেড়েছেন ক্রিস জর্ডান। ২ ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট শিকার করে তাদের চোখের জল, নাকের পানি এক করে ছেড়েছেন। স্বাগতিকদের গুঁড়িয়ে দিতে দিয়েছেন সামনে থেকে নেতৃত্ব। এটিই তার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারসেরা বোলিং। ২টি করে উইকেট ঝুলিতে ভরে তাকে সমর্থন জুগিয়েছেন লিয়াম প্লাঙ্কেট, আদিল রশিদ ও ডেভিড উইলি।