ইরানের ধমকে পিছু হটল অলিম্পিক কমিটি

  অনলাইন ডেস্ক ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৮:০৩ | অনলাইন সংস্করণ

Olympica

কোরিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য অলিম্পিকে ইরানি ক্রীড়াবিদদের মোবাইল সরবরাহ না করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে ইরান। বৈষম্যমূলক আচরণের সিদ্ধান্তের কারণে স্যামসাং-এর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাইতে বলেন ইরানের অলিম্পিক কমিটির প্রধান সালেহি আমিরি। স্যামসাং ও অলিম্পিক কমিটি তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না করলে ইরানি ক্রীড়াবিদরা ওই কোম্পানির ফোন ব্যবহার বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়। সালেহির ওই হুমকির পর সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছে অলিম্পিক কমিটির।

আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অন্যান্য দেশের ক্রীড়াবিদদের মতো ইরানিদেরকেও স্যামসাং-এর নতুন মোবাইল দেয়া হবে। মোবাইলগুলো তারা নিজ দেশেও নিয়ে যেতে পারবেন। শুধু উত্তর কোরিয়ার ক্রীড়াবিদরা মোবাইলগুলো ব্যবহারের পর তা দেশে নিয়ে যেতে পারবেন না। কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে। মোবাইলগুলোতে শীতকালীন অলিম্পিক-সংক্রান্ত নানা তথ্য রয়েছে বলে তারা জানিয়েছে।

এদিকে ইরানের জাতীয় অলিম্পিক কমিটির প্রধান সালেহি আমিরি বলেছেন, বৈষম্যমূলক আচরণের সিদ্ধান্তের কারণে স্যামসাং-এর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাইতে হবে। ক্ষমা না চাইলে তাদের মোবাইল গ্রহণ করবে না ইরানি ক্রীড়াবিদরা।

স্যামসাং কোম্পানির বরাত দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার গণমাধ্যম এর আগে জানিয়েছিল, স্যামসাং ইলেকট্রনিকস অলিম্পিকে অংশগ্রহণকারী সব ক্রীড়াবিদ ও আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির কর্মকর্তাদের সরবরাহ করার জন্য প্রায় ৪,০০০ 'গ্যালাক্সি নোট ৮' ফোন প্রস্তুত রেখেছে। কিন্তু উত্তর কোরিয়ার ২২ এবং ইরানের চার ক্রীড়াবিদকে এই সুবিধার বাইরে রাখা হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা দাবি করেছিলেন, সামরিক কাজে স্মার্টফোন ব্যবহারের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। কাজেই ইরান ও উত্তর কোরিয়ার কাছে এ ধরনের পণ্য সরবরাহে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা থাকায় তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এ সিদ্ধান্ত ইরানে প্রচণ্ড ক্ষোভ তৈরি হয়। কারণ, স্যামসাং ইলেকট্রনিকসের বিশাল বাজার রয়েছে ইরানে। যে স্মার্টফোন সামরিক কাজে ব্যবহৃত হতে পারে বলে দাবি করা হচ্ছে তা ইরানে অবস্থিত স্যামসাং কোম্পানির হাজার হাজার শোরুমে দেদার বিক্রি হচ্ছে। ইরানে স্যামসাং-এর আনুষ্ঠানিক দফতর রয়েছে এবং তারা গ্রাহককে বিক্রয়োত্তর সেবাও প্রদান করে থাকে। ইরান দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে এনে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানায়। এরপরই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter