রাহীর স্বপ্ন পূরণের পথে

প্রকাশ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৬:১৬ | অনলাইন সংস্করণ

  আল-মামুন

আবু জায়েদ রাহী

স্বপ্ন দেখতেন জাতীয় দলের হয়ে খেলার। আবু জায়েদ রাহীর সেই স্বপ্ন পূরণের পথে। শ্রীলংকার বিপক্ষে দুই টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচের জন্য বিসিবি ঘোষিত দলে ডাক পেয়েছেন  তিনি।  জাতীয় দলে অভিষেক হতে যাওয়া তরুণ এ পেসার যুগান্তরকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেন, পরিশ্রম ও মায়ের দোয়ায় জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছি।  এ সুযোগ কাজে লাগাতে চেষ্টা করব।

যুগান্তর: হ্যালো

আবু জায়েদ রাহী : মামুন ভাই বলেন, ভালো আছেন।

যুগান্তর : অভিনন্দন আপনাকে, টি-টোয়েন্টি দলে অভিষেক হচ্ছে?

আবু জায়েদ রাহী : ধন্যবাদ আপনাকেও এমন সুসংবাদ দেয়ার জন্য।  আমি আপনার কাছ থেকেই নিশ্চিত হলাম।  কিছু সময় আগে ফেসবুকে অপরিচিত  একজন জানিয়েছে।  তবে আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না।  আপনার মাধ্যমে নিশ্চিত হলাম।

যুগান্তর : নির্বাচকরা আপনাকে ফোন করে জানাননি?

আবু জায়েদ রাহী : না না, এখনও কোন ফোন পাইনি।  আমি আসলে প্রাকটিসে ছিলাম।  আপনার মাধ্যমে জেনে ভালো লাগছে।

যুগান্তর: এখনও কনফিউসড নাকি?

আবু জায়েদ রাহী : কনফিউসড না (হাসি), এখনও তো আমি নিজেকে টিমে দেখিনি।

যুগান্তর : জাতীয় দলে অভিষেক হচ্ছে, আপনার অনুভূতি?

আবু জায়েদ রাহী : ভালো লাগছে, ভালো খেলতে পারলে আরও ভালো লাগবে।

যুগান্তর : সর্বশেষ ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রাথমিক দলেও ছিলেন?

আবু জায়েদ রাহী : হ্যাঁ, ত্রিদেশীয় সিরিজের জন্য ঘোষিত ৩২ সদস্যের প্রাথমিক দলে ছিলাম।  তখনও আশা ছিল, দলে সুযোগ পাব।  কিন্তু ওয়ানডে দলে সুযোগ হয়নি।  এখন যেহেতু সুযোগ এসেছে, মাঠে খেলার সুযোগ পেলে সেটা কাজে লাগাতে চেষ্টা করব।

যুগান্তর : আপনার এই সুখবর বাবা মা জানেন?

আবু জায়েদ রাহী : বাবা, মা সিলেটে আছেন।  আমি প্রিমিয়ার লিগে শেখ জামালের হয়ে খেলতে ঢাকায় আছি।  মাত্রই প্রাকটিস থেকে এসেছি।  যে কারণে বাবা মাকে জানানোর সুযোগ পাইনি।  তাছাড়া আপনি ফোন দেয়ার আগে আমিও তো নিশ্চিত ছিলাম না।

যুগান্তর: খেলার জন্য আপনি কতোটা প্রস্তুত?

আবু জায়েদ রাহী : প্রস্তুত বলতে, আশা তো ছিল ন্যাশনাল টিমে খেলার।  মনে হচ্ছে আমার জন্য পিক টাইম।  কারণ পারফর্ম করতেছি।  ভালো বোলিং হচ্ছে।

যুগান্তর : জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার জন্য আপনি নিজে কতোটা আত্নবিশ্বাসী ছিলেন?

আবু জায়েদ রাহী : সবচেয়ে বেশি বলতে গেলে, আম্মুর দোয়ার জন্য হয়েছে।  আম্মু আমার জন্য অনেক দোয়া করতেন।  হয়তো উনার দোয়ার ফল এটা।  তা ছাড়া সর্বশেষ বিপিএলে ভালো বোলিং হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ (১২ ম্যাচে ১৮ উইকেট) উইকেট শিকারি ছিলাম।  শুধু উইকেটই নয়! ভালো জায়গায় বোলিংও করেছি।  তাছাড়া বলে সুইংও আছে।

যুগান্তর :   জাতীয় দল নিয়ে আপনার প্রত্যাশা?

আবু জায়েদ রাহী : দলে সুযোগ পেলে নিজের শতভাগ দেয়ার চেষ্টা করব।  ভালো পারফর্ম করে চেষ্টা থাকবে নিজেকে জাতীয় দলে স্থায়ী করতে।

যুগান্তর : একজন পেস বোলার হিসেবে নিশ্চয়ই প্রত্যাশা ছিল দেশে সেরা পেসার মাশরাফি বিন মুর্তজার সঙ্গে ড্রেসিংরুম শেয়ার করার?

আবু জায়েদ রাহী : সেই সুযোগ এখনও আছে।  টি-টোয়েন্টি থেকে বিদায় নিলেও ওয়ানডেতে এখনও মাশরাফি ভাই  খেলছেন।  যদি ওয়ানডেতে সুযোগ হয় উনার কাছ থেকে পরামর্শ নেয়ার চেষ্টা করব। যদিও উনার সঙ্গে প্রাকটিসে অনেক কথা হয়, অনেক বিষয় নিয়ে পরামর্শ দিয়েছেন।